You are here

আসলে আমরা আধ্যাত্মিক জগৎ বলতে কি বুঝি?

সাধারন ভাবে বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় গুরুগন যখন কোনো অলৌকিক কর্ম সাধন করে, হোক তা সর্বসাধারনের জন্য বা নিজের জন্য কিংবা ধর্মীয়গুরুত্ব বোঝাতে সেটিকেই আমরা আধ্যাত্মিক শক্তি বলে থাকি আবার যখন একই কাজ কোন তান্ত্রিক ওঝা বা ম্যাজিশিয়ান করে থাকে তাদেরকে আমরা তান্ত্রিক ক্রিয়া, ব্ল্যাক ম্যাজিক, হোয়াইট ম্যাজিক ইত্যাদি বলে থাকি। যেমন ধরুন কোনো ধর্মীয় গুরুর নিকটে আপনি গেলেন, তিনি আপনাকে দেখা মাত্র আপনার ভূত-ভবিষৎ বলে দিলো বা আপনি যে সমস্যা নিয়ে তার নিকট গিয়েছেন সে সমস্যাটি সমাধা হয়ে গেলো এমতাবস্থায় আমরা বলবো উক্ত ধর্মীয় গুরু আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী। একই কাজটি একজন তান্ত্রিক করলে, সে একজন সাধক বা তান্ত্রিক শক্তির অধিকারী। মূলত সমস্ত অলৌকিক ক্ষমতার উৎস একই। ভিন্ন ভিন্ন জন ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গীকে তা নিজের মধ্যে ধারন করে। ফলশ্রুতিতে সমাজ থেকে ভন্ড বা ফেইক আধ্যাত্মিক গুরু বাদ দিলে বিভিন্ন নামে যেমন জিন সাধক, কালি সাধক, পীর বাবা,……বিভিন্ন বাবা ইত্যাদি দেখা যায়। তবে এ সকল শক্তি অন্বেষনে ভিন্ন ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করলেও একটি বিষয় সর্বজনিন সেটি হলো সকলকেই অবশ্যই ধ্যান সাধনা করতে হয়, এতে কেউ হয়তো বিভিন্ন মন্ত্র/দো’আ ঊচ্চারন করে আবার কেউ স্বীয় স্রষ্টাকে স্মরন করে।

এখানে একটি বিষয় না বললেই নয় তা হলো বর্তমান সময়ের যেকোন ধরনের ধ্যান সাধনায় আপনাকে অবশ্যই কোন আধ্যাত্মিক গুরুর ছত্র ছায়ায় থাকতে হবে। তার নির্দেষনা  অনুসরন করতে হবে। নতুবা আপনার সফলতার কোন সুযোগ নাই। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় স্রষ্টাকে নির্দিষ্ট করে সাধনা কারির ফল পেতে সময় ও শ্রম অনেক বেশি লাগে। আবার বিভিন্ন দেবতা নির্দিষ্ট করে সাধনা করতে বিভিন্ন মন্ত্রজপ, কায়িক শ্রম, সাহস ও ধোর্য্য  লাগে। অপর পক্ষ্যে নির্বান ধ্যান সাধনায় এ সকল কিছুই অনুপস্থিত আবার ফলাফলও শিঘ্রই হয়ে থাকে। আমরা বিশ্বের স্বনামধন্য বিজ্ঞ ধর্মীয় গুরু, তান্ত্রিক গুরু ও ত্রাটক গুরুগন দ্বারা বিভিন্ন সাধনা বিধি ও অধ্যাত্মিক পরামর্শ দিয়ে থাকি। আপনি যদি ধর্মীয় আধ্যাত্মিক উন্নতি বা নিজ স্বার্থ সিদ্ধির উদ্দেশ্যে কোন শক্তি সাধনা করতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমাদের সেবা দ্বারা আপনার প্রয়োজন পূরন করতে পারেন।

Sharing is caring!

Top
error: Content is protected !!