Ghost mystery Life after death প্রেতাআত্নার বা ভৌতিক রহস্য

প্রেতআত্মা কি?

জন্মগতভাবেই মানুষ অতিউৎসাহী প্রানী, যেকোন অজানা বিষয় জানার প্রচন্ড আগ্রহ মানুষের মধ্যে দানা বাধে। সেই আগ্রহ হতেই মানুষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষনা ও আবিষ্কার উত্তরা উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মাঝে সবচাইতে বেশি আগ্রহের বিষয়বস্তু আত্না বা প্রেতআত্মা নিয়ে। অনলাইন মিডিয়ায় ও চলমান জিবনে প্রায়সই আমরা এই প্রশ্নের মুখো মুখি হই। বিভিন্ন ধর্ম ও সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে  বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মতবাদ আমরা শুনে থাকি। যেখানে বাস্তবতা ঠিক তার উল্টটা।আজ আমরা এ বিষয়ে একজন মহান দেহতত্ববিদের উক্তি আপনাদের সামনে উপস্তাপন করবো। আমাদের পরম আক্ষাংকা ও জিজ্সার বস্তু এই প্রেতআত্মা আসলে কি?

আসলে এটি একটি মজার বিষয়। সমাজের বিভিন্ন স্তরের, হোক সে নিম্নবিত্ত কিংবা উচ্চবিত্ত, সে যদি নেহায়েত গন্ডমূর্খ বা উচ্চশিক্ষিত কোন উচুস্তরের ব্যক্তিও হয়ে থাকে, এই একটি বিষয়ে সকলে একি কাতারে দাড়িয়ে যায়। কারন টা অবশ্য খুব সহজ। যেহুতু এক অজানা অচেনা ও অদেখা সঙ্কা ও সন্ধিহান অনুভূতি, ঠিক যখন থেকে আমাদের ‍বুদ্ধির তালা খূলেছে, সে সময়ই পরিবেশগত বা সঙ্গদোশের কারনেও হতে পারে, এটি আমাদের অবোচেতন হৃদয়ে স্থায়ীভাবে স্থান করে নেয়।

আজ আমরা, এই অধিভৌতিক ব্যপারটি নিয়ে আলোচনা করবো।

ইতি পূর্বে আমাদের একটি ভিডিওতে আত্না কি এ সম্পর্কিত আলোচনা করেছি। আমরা জানি, আত্না একটি অবিনস্বর চলোমান শক্তি, যা প্রকৃতির চিরায়িত নিয়মে একটি ‍নিদিষ্ট সময় পরপর তার নস্বর দেহ পরিবর্তন করে। যখন একটি আত্না মানুষ্ব শরীর হতে প্রাকৃতিক নিয়মেই অন্য একটি প্রানীর শরীরে স্থানতরিত হয়, সে সময় বিষয়টি আমাদের মাঝে কোন ভাবালেস তৈরি করে না। বস্তুত একটি আত্না একটি ভ্রনের মাঝে প্রতিস্থাপন হওয়ার সময়ই, তার অবস্থানের সময় নির্ধারন হয়ে থাকে,

অর্থ্যাৎ ধরুন আজ একটি শিশুর জন্ম হলো তার বয়স নির্ধারন হলো

৬৪ বছর, ৬৪ বছর বয়সে যেকোন একটি স্বাভাবিক কারনে সেই আত্নাটি তার বর্তমান দেহ ত্যাগ করবে।এখন যদি কোন অনাকাঙ্খীত ঘটনায় যেমন কোন দূর্ঘটনা বা সুসাইডের কারনে তার দেহটি আত্নাটির জন্য বাসঅযোগ্য হয়ে পড়ে তবে আত্নাটি সেই বিকৃত শরীর ছেড়ে চলে যাবে।

কিন্তু সেই মূহুর্তে তার নতুন আবাসন ভ্রনটির সময় না হওয়ায় তাকে তার ৬৪ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ধরুন সে দূর্ঘটনায় পতিত হয় ৪৫ বছর বয়সে, তাহলে তাকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত পৃথিবীতে উদভ্রান্তের মতো ঘুরে বেড়াতে হবে। আত্নার এই অসম্পূর্ন উদভ্রান্ত সময়টিকেই প্রেতআত্মা নামে অবহিত করা হয়। সুতারাং এটি আমাদের মানতেই হবে যে প্রেত্মআত্না বর্তমান, এটি কোন কল্পকাহিনি বা ভ্রান্তগুজব নয়।যেমন আমাদের পূর্বপুরুষগনের সময়ের কোন ভুতেধরা বা আত্না ভরকরা লোকের কাহিনি শুনে থাকি তবে বর্তমান সময়ের ভূতে ধরা বা আত্নাভর করা লোকের ঘটনা কখনই একই হবে না। বিস্তারিত ঘটনা একটু মনোযোগ সহকারে জানলেই বুঝতে পারবো পূর্বে যে আত্নাভর করেছিল, সেটি আর বর্তমানে যে আত্না ভর করেছে সেই আত্না কখনই একই ব্যক্তির হতে পারে না…। আমরা জানি আত্নার নিজস্ব কোন বল প্রয়োগের শক্তি বা সৃতি ভান্ডার নেই। কিন্তু সময়ের পূর্বে বাধ্য হয়ে যখন তাকে দেহ ত্যাগ করতে হয়, তখন সে, তার ছেড়ে আসা বিকৃত দেহের কিছু শক্তি ও সৃতি নিজের মধ্যে ধারন করে, বিধায় সে অন্য দেহের আত্নার সাথে যোগাযোগ বা নিয়ন্ত্রন করতে পারে। এবিষয়ে আমাদের পূর্বের পোষ্টটিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

Play this video

Sharing is caring!

Top
error: Content is protected !!