Role of women in sexual acts (যৌন ক্রিয়ায় নারীর ভুমিকা)

নারীর সার্বিক সহযোগিতায় হতে পারে একটি সফল মৈথুনঃ

যৌন ক্রিয়ায় পরিপূর্ণ সুখ পেতে নারীদের ভুমিকা নিয়ে আজকের আলোচনা- আমাদের অধিকাংশ পুরুষের ধারনা আমরাই যৌনসুখ ভোগ করি আর আমাদের’ই এটার চাহিদা বেশি পক্ষান্তরে আসল সত্য সম্পূর্ণটাই উল্টো, স্রষ্টা এই পৃথিবীর সকল সৃষ্টিকে কিছু নিয়মতান্ত্রিক সিমা বদ্ধতা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, নতুবা পৃথিবীটা হয়তো এমন শৃঙ্খল হতো না। নারীকে প্রতিনিয়ত পরক্ষ প্রত্যক্ষ ভাবেই তার যৌন কামনা দাবিয়ে রাখতে হয়, সে যদি পুরুষের মত উশৃঙ্খল হতো তবে পুরুষ সমাজে টিকতো না। একজন নারী অনায়েসে একাধিক পুরুষকে তৃপ্তি দিতে পারে কিন্তু একজন পুরুষ একটি নারীকে পূর্ন তৃপ্তি দিয়ে অন্য নারীতে তাৎক্ষণিক সমাগত হওয়া বর্তমান সময়ে অসম্ভব বিষয়। যাই হোক আজ নারীদের বলবো তারা তাদের স্বাভাবিক যৌন জীবন উপভোগ করতে শুধু একজন পুরুষকে দায়িত্ব দিয়ে যদি সে নির্বিকার ভুমিকা পালন করে আর বলে যে তার স্বামী বা যৌন সঙ্গী তাকে তৃপ্তি দিতে পারে না তবে সেটি মুর্খামি ছাড়া কিছু নয়। কারন একটি সুষ্ঠ সুন্দর আনন্দঘন যৌনক্রিয়ায় পুরুষের চাইতে নারীর ভুমিকা অপরিসীম। এটি সত্যি যে একজন নারী চাইলে একজন যৌন দুর্বল পুরুষকে দিয়েও পূর্ন তৃপ্তি পেতে পারে বা একটি সফল মৈথুন হতে পারে। সমাজে একটি গ্রাম্য প্রবাদ প্রচলীত আছে- “খেতে মজা মুড়ি, চুদতে মজা দু’ বাচ্চার মা, যদি না হয় বুড়ী”। আসলে কথাটি যদিও একটু অসালিন তবে এখানে বাস্তবতা রয়েছে। আপনি যদি একজন যৌন সর্ম্পক্যে অনভিজ্ঞ নারীর সাথে সহবাস করেন যা সাধরনত কম বয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে তাতে যে মজা পাবেন আনন্দ পাবেন তার চাইতে একজন যৌনক্রিয়ায় অভিজ্ঞ পটু নারীর সাথে যৌন লীলা করে অধিক আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। আজ আমরা সেই সকল নারীদের বিষয় আলোচনা করবো যেনাদের হয়তো বিয়ে হয়েছে, যৌনসঙ্গি রয়েছে কিন্তু আজ অব্দি চরম পুলক কি জিনিস সেটি বোঝার ভাগ্য হয়নি। আসলে এই বিষয়টির জন্য অনেকাংশে আপনিও দায়ি। সেক্স বিষয়টিকে ইনজয় করার জন্য আপনাকেও সকল বিষয় পার্টিসেপেট করা জরুরী। প্রথমত আপনাকে বলা হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্যতার দিকে খেয়াল করতে। বিশেষ করে যে সময় আপনি আপনার যৌনসঙ্গীকে উত্তেজিত করতে চাইছেন সে সময়টিতে অবশ্যই নিজের শরীরের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরী, অনেক মেয়েদের মাথার চুল, বগলে, যৌনাঙ্গ উৎকট গন্ধযুক্ত থাকে, এগুলোর দিকে খেয়াল রাখা জরুরী। আপনার শরীর বিশেষ করে স্তন সুডৌল রাখতে আপনাকে অবশ্যই যত্ন নিতে হবে। কারন নারী দেহের স্তন, তলপেট, জানু, নিতম্ব পুরুষকে ভিষন ভাবে উত্তেজিত করে। আর একটি সফল যৌনক্রিয়ার জন্য পুরুষের ভিতর হতে উত্তেজিত হওয়াটাও জরুরী। আমরা পূর্বে বলেছি দির্ঘ্যক্ষণ যৌনক্রিয়ার জন্য কোনও ভাবেই যোনী অভ্যান্তরে বির্যপাত করা হতে বিরত থাকতে হবে। এ বিষয়টিতে অবশ্যই আপনাকে মনোযোগি হতে হবে। এ জন্য শুরুতেই আপনি তার পুরুষাঙ্গ যোনীতে না নিয়ে হাত দিয়ে নারা-চাড়া করতে পারেন, ইদানিংকালের অধিকাংশ পুরুষই ওরাল সেক্সের বাসনা রাখে তাই আপনি সহবাসের শুরুতেই তার পুরুষাঙ্গ চুষে, চেটে ভিষন ভাবে তাকে উত্তেজিত করতে পারেন, এতে যদি তার প্রথমবার বির্যপাত হয়ে যায় তবে তা আপনার জন্য আরও ভালো আপনি তাকে পূনরায় টার্নঅন করার জন্য তার পুরুষাঙ্গ নিয়ে খেলতে থাকুন, আপনার স্তন তার মুখে ঘষাঘষি করুন। তার অন্ডকোষে হাত বুলাতে জিহ্বাদিয়ে চেটে দিতে পারেন, আপনার যদি তার পরিষ্কার পরিচ্ছনতার বিষয়ে সন্দেহ থাকে তবে তাকে পরিষ্কার হয়ে আসতে বলতে পারেন, এতে আনন্দ কমবে না বরং বাড়বে। যদি প্রথম বার এমনিতেই বির্যপাত বাইরে হয়ে যায় তবে খুব সহজেই পূনরায় লিঙ্গউত্থান হবে এবং এবার আপনি অনায়েসে তার পুরুষাঙ্গ ভিতরে নিতে পারেন। প্রথম পর্যায় যদি আপনি বেশি উত্তেজিত থাকেন তবে তাকে নিচে শুইয়ে দিয়ে তার উপরে বসে আপনি সামনে পিছনে ঘষে যৌন তৃপ্তি নিতে পারেন নতুবা কিছুটা তার উপর উপুর হয়ে হাতে ভর দিয়ে কমর উপর নিচ করে আপনি কম সময়ে অনেক বেশি সুখ ভোগ করতে পারবেন। যখন আপনি দেখবেন তার বির্যপাত হওয়ার উপক্রম তখনি আপনি খেলানো বন্ধ করে লিঙ্গ বের করে কিছুক্ষণ তাকে অনমষ্ক করে তার বির্যপাত রোধ করতে পারেন নতুবা হাত দিয়ে কিংবা মুখ দিয়ে চুষে আবারও বির্য বাইরে বের করে ফেলতে পারেন, এবং একই ভাবে পুনরায় শুরু করুন। আপনি যখন নিজের চাহিদার অনেকাংশে পূর্ন হয়েছে বুঝবেন তখন তাকে উপরে দিয়ে নিজের পা একদম উপরের দিকে তুলে তার ঘাড়ে দিয়ে সেক্স পজিশন নিতে পারেন এতে তার যদি বির্যপাত আপনার যোনির ভিতরেও হয়ে যায় তবুও লিঙ্গ বেশ কিছুক্ষণ সে চালনা করতে সমস্যা হবে না। অনেক নারীর ক্ষেত্রেই সিৎকার চেপে যেতে দেখা যায় এটি কখনই ঠিক না, যদি আশে পাশে কেউ শুনে ফেলার ভয় না থাকে তবে অবশ্যই হালকা সিৎকার করুন এতে পুরুষের উত্তেজনা অধিক বেড়ে যায় এবং তার আগ্রহ অনেক বৃদ্ধি পায়। সাধারনত সেক্সের সময় দেখা যায় পুরুষ নারী দেহের অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গের দিকে খুব বেশি খেয়াল দিতে পারে না। যেমন চুমু দেওয়া স্তন মর্দন করা হতে বিরত থাকে অথচ নারী দেহ সেটি তখনও চায় এ সকল ক্ষেত্রে তাকে জোর না করে নিজেই নিজের স্তন মর্দন করলে এটি দেখে যেমন পুরুষ পুলকিত হয় তেমনি আপনার স্তনের শিরশিরানীও অনেকাংশে কমে যাবে আপনিও অনেক বেশি তৃপ্তি পাবেন। একজন মৃত মানুষের সাথে যেমন যৌনসম্ভোগ করে মজা বা তৃপ্তি নেই তেমনি একটি অসার ভাবে পড়ে থাকা নারীতেও যৌন সম্ভগ করে তৃপ্তি পাওয়া যায় না। আপনার অঙ্গ ভঙ্গি কামুকতাই আপনাকে আপনার ও আপনার যৌনসঙ্গিকে সুখি একটি বিহারের দিক নির্দেশনা দিবে। শাস্ত্রে বলে নারী শয়নে বেশ্যা হতে না পারলে সে তার দ্বাম্পত্য জিবনে সুখ পাবে না। আপনি হয়তো ভাববেন আপনি এমন করলে আপনার পার্টনার আপনাকে খারাপ ভাববে, বা আপনার সর্ম্পক্যে ভুল ধারনা হতে পারে কিন্তু আসলে এটি নয়, সুখি দ্বাম্পত্য কায়েম করতে অবশ্যই আপনাকে বিছানায় বেশ্যা হতে হবে। একজন বেশ্যা যেমন বেশ ভুষা অঙ্গভঙ্গি দিয়ে খরিদদারকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করে তৃপ্তি দেওয়ার চেষ্টা করে তেমনটি আপনাকেও করতে হবে। নারীদের যৌনতা জ্ঞান নিয়ে পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত লিখার অভিপ্রায় রইলো। আজ এ পর্যন্তই।

যৌন সর্ম্পকিত সব পোষ্ট গুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন….

Sharing is caring!

Top
error: Content is protected !!