Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
You are here
Home > All Post > Where are we going? আমরা কোথায় আছি কোথায় যাচ্ছি

Where are we going? আমরা কোথায় আছি কোথায় যাচ্ছি

আমরা কোথায় আছি কোথায় যাচ্ছি

বিশ্বব্রহ্মান্ডে রয়েছে শত’কোটি সৌরমন্ডল। প্রতিটি সৌরমন্ডলের রয়েছে নিজেস্ব গ্রহ ও উপগ্রহ। যা তার অক্ষে আর্বতিত। এ মহাবিশ্ব একটি সময় ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে সেটিও নিশ্চিত, কারন আমরা যদি (Big Bang Theory) মেনে নেই তবেও এই বিশ্বব্রহ্মান্ড ধ্বংস হতে কল্পনাতীত সময় বাকি রয়েছে। যেহেতু বিশ্বব্রহ্মান্ডের সকল কিছু বর্তমান সময় পর্যন্ত ক্রমবর্ধমান অর্থাৎ প্রসারিত হচ্ছে, সুতারাং এই প্রসারন শেষ হবে, পুনরায় সঙ্কোচন শুরু হবে এরপর হতে পারে সেই মহা ধ্বংসলীলা বা রোজকেয়ামত। ক্ষুদ্র বুদ্ধিতেই ভেবে দেখুন। এই পৃথিবীর সৃষ্টি যেখানে শত’কোটি বছর, এর পূর্বে সৃষ্টি সৌরমন্ডল গ্রহমন্ডল না জানি কত কোটি কোটি বছর পূর্বে এই (বিগ ব্যঙ্গ) অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অর্থাৎ সৃষ্টি জগৎ ধ্বংস হতেও কোটি কোটি বছর বিলম্ব রয়েছে।

আমরা জানি, এই পৃথিবীতে ঠিক আমার মতো আরোও সাতটি নূন্যতম তিনটি মানুষ রয়েছে। ‍যদি ৭’শ কোটি মানুষের মাঝে ৭টি মানুষ একই রকম হয় তবে লক্ষ-কোটি গ্রহের মধ্যে প্রাণ রয়েছে এমন গ্রহের সংখ্যা এবং ঠিক এই পৃথিবীর আয়না পৃথিবী যে কতো থাকতে পারে তা সহজে অনুমেয়। আমাদের আজকের বিষয় বস্তু সেই সকল আয়না পৃথিবী নিয়ে। আমরা এও জানি আমাদের প্রযুক্তির হাটি হাটি পা পা করে যাত্রা শুরু মাত্র কয়েক দশক হতে।

আমাদের সমান্তরাল পৃথিবী নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা ইতি পূর্বেই আমরা করেছি। আজ আমরা জানবো সামনের দিন গুলোতে প্রযুক্তির সম্ভব্য উৎকর্স নিয়ে। খুব শিঘ্রই এক চরম আর্শ্চায্য অপেক্ষা করছে, আমরা মৃত্যুকে জয় করবো মানুষ বাঁচবে কয়েক শত বছর, একজন অতিত অতি বুদ্ধিমান মানুষের মস্তিষ্ক্য আরেক জন মানুষের মাঝে ট্রান্সপ্লান্ট হবে, উড়োজাহাজ বা রকেট নয় অনেকেই নিজে নিজে উড়তে সক্ষম হবে। কল্পনার ইনভিজিবলম্যন বাস্তবে হবে, মানুষ অনায়েসে তার অতিত বা ভবিষৎ এ যেতে পারবে। আমরা আমাদের মাতৃগ্রহের প্রভুদের সাক্ষাৎ পাবো। আমাদের কল্পনার রোজ কেয়ামত না হলেও পৃথিবীর মানুষ ঘটিত বিভিষিকাময় ধ্বংসলীলা প্রতক্ষ্য করবো। বেশ কয়েকটি জিনিস আমাদের চিরায়িত স্বভাব থেকে বিলীন হবে। যেমন- রক্ত সর্ম্পক্যের কারো  জন্য অন্তরের টান, মানবিকতা, ধর্মভীরুতা, মায়া মমতা ইত্যাদি। আমরা হয়ে উঠবো কর্মাশিয়াল মানুষ।

জর্তিবিদ্যা, আধুনিক আধ্যাত্মিক বিদ্যা, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি প্রভূত উন্নতি সাধন করবে। আমরা খুব সহজেই আমাদের সমান্তরাল পৃথিবী গুলোতে যাতায়াত করবো। আমরা পরবর্তি আলোচনায় এর প্রতিটি বিষয় পুঙ্খানু পুঙ্খানু ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

Top