Earthquake real proof (ভূমিকম্প বিষয়ক অতিতের সমস্ত ব্যখা ভ্রান্ত)

Earthquake proof (ভূমিকম্প বাস্তব প্রমাণ)

What is Earthquake and what is its real proof

 ভূমি কম্প কি ও তার কল্পনাতীত ব্যখ্যাঃ

All the speculations of the past, the scientific implications, the ancient myths, and the people’s words have been proved false. Soil is very solid, There is nothing flexible here. If you want the soil in some place, give it a quake, But it will be the first to crack. May be destroyed as well, There will never be any wave there, That is, science today is saying that the geometric tectonic plates are interacting with each other It is being rejected first. Second, the words that are found on the back of the various religious myths, someone holding the earth on the back of the fish it is nothing but madness. Now let us come to the real truth. Why do we feel the earthquake? We try to understand the way it feels before- All the earthquakes that have been felt in the world have a clear, And it is a wave of waves playing on the surface of the earth, Or sometimes the vibrations are felt. The first to reproduce the scientific logic Two wooden plates make up a few feet of high ground level It can be seen by a powerful instrument, what happens to the event?

Our Sufi father said, This is a very false and false explanation, then what is the real truth?

Let’s go open the truth now- If the house / house is in a big street or on the side of a railway line, But see that whenever a train or heavy vehicle passes through the passage of your home in a very loud sound, Then you will feel that the earth shiver. The real fact is the same, A lot of big vehicles cross over us, Right then time Our surface is under heavy pressure If this Great vehicles land come very close to the surface, When the pressure is high then The earth do very vibration. The question is, why then science the big mistake gave us, how give? Actually there is no way of misinterpretation of science. What is the science? We can see the evidence and visions of the subject and show results by hand, that is the science. Not seen things can not be science. If science or any scientist expresses the truth, But he has to show evidence for her, She must go to that big and show her voice, It was not possible to capture or show the man in the device till this time. That’s why they have no details.

Then, where is Vehicles flying over us or why its sound does not come in our ears. See, the people of the world can not hear or see much with their eyes and ears made in the Panchavuta. We only see what is created in our Panchavuta, yet we can not hear thousands of waves and millions of words. As a form of physics says that there is no destruction or erosion of energy. Now look at the birth of the world, today we have created a number of words and words of millions of people, If the sound of that sound was in that state then in that state, we could not hear or understand anything in the throats of thousands of words in our ears, But by believing in science and meaning that all the words are stored in this windmill. In the future, we will be able to listen to those words and make sense of many languages. Do you agree on science? How’s that? Today we know that once every few minutes in the earth there is a soft or large earthquake, And science says the tectonic plates or the volcanic collapse of the earth. How do you believe it? If you build a hill or make a clay in the cave of the earth, then there is a dynamite blasting it inside and out. Earthquakes occur on the mountains or cracks? The real fact is that every day, thousands of aliens or obscure animals coming out of our eyes are coming to our planet doing their work, It’s going to run again, But there may be another issue here, Just like we did send satellite telegraphs to Mars, there is nothing there, Similarly, in the eyes of the senses of the creation of outer material, there may be nothing in this earthly view or something like this, Which we are not seeing. But our people’s national technology day is so developed and developed so that in the near future we will be able to know this very clearly. Our purpose is not to prove the science wrong, Our main purpose is to present the truth to everyone. There is a desire to discuss more details in the future.

What is Earthquake and what is its real proof

 ভূমি কম্প কি ও তার কল্পনাতীত ব্যখ্যাঃ

ভূমি কম্প সর্ম্পকিত অতিতের সকল ব্যখ্যা, বৈজ্ঞানিক সংঙ্গা, প্রাচীন মিথ, লোক কথা সবকিছুই মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। মাটি নিতান্তই নিরেট বস্তু এখানে নমনীয় কিছু নেই, আপনি কোন স্থানে যদি মাটির চাই নিয়ে ঝাকি দেন তবে তা সর্বপ্রথম ফাটল সৃষ্টি হবে সেই সাথে ধ্বংস হতে পারে, কখনই সেখানে ঢেউ তৈরী হবে না, ইহা কখনই সম্ভব নয়, পানির মত জ্বলীয় দ্রবনে ঢেউ খেলানো যেতে পারে মাটির মত নিরেট বস্তুতে ঢেউ খেলানো সম্ভব নয়। অর্থাৎ বিজ্ঞান আজ অব্দি যে ভু-মধ্যস্ত টেকটনিক প্লেটের একে অপরের সাথে ধাক্কার কথা বলে আসছে তা প্রথমেই নাকচ করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত বিভিন্ন ধর্মীয় মিথ থেকে যে কথাগুলো পাওয়া যায় কশ্চপের পিঠে, মাছের পিঠে কেউ পৃথিবীকে ধরে আছে সেটি তো পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছু নয়। এবার আসা যাক আসল সত্য উদঘাটনে। আমরা কেনো ভূ-কম্পন অনুভব করি? তার আগে সেটি কি ভাবে অনুভব করি সেই বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করি- এ যাবৎ পৃথিবীতে যতগুলো ভূ-কম্পন অনুভব হয়েছে প্রত্যেকটিতেই একটি বিষয় পরিষ্কার, আর তা হলো ভূ-পৃষ্টে একটি স্রোতের মত ঢেউ খেলে যায়, বা কখনো কখনো কম্পন অনুভুত হয়। সর্বপ্রথম বৈজ্ঞানিক যুক্তিকে খন্ডন করতে দুটি কাঠের পাটাতনে কয়েক ফিট উচু মাটির স্তর তৈরী করে সেটিকে কোনো শক্তিশালি যন্ত্রদ্বারা নাড়িয়ে দেখতে পারেন ঘটনাটি কি ঘটে?

আমাদের সুফি সাধক বাবা বলেছেন, এটি একটি চরম মিথ্যা ও ভুয়ো একটি ব্যখ্যা, তাহলে আসল সত্য কি?

বিষয়টি এবার খোলসা করা যাক- আপনার বাসা/বাড়ী যদি কোনো বড় রাস্তার পার্সে হয় কিংবা কোন রেল লাইনের ধারে হয় তবে দেখবেন যে যখনি একটি ট্রেন বা ভারি যানবাহন বিকট শব্দে আপনার বাসার পাস দিয়ে অতিক্রম করে তখনি আপনি এই অনুভব হবে যে মাটি কাপছে। বাস্তব সত্যটিও একই, বিশালাকায় একটি যান যখন বিকট শব্দ করে আমাদের উপর দিয়ে অতিক্রম করে ঠিক তখনি আমাদের ভূ-পৃষ্টে প্রচন্ড চাপের ফলে আমাদের চারপাশ কাপতে থাকে যদি এই মহাযান ভূ-পৃষ্টের অতি নিকট দিয়ে গমন করে তখন চাপের অধিক্য অত্যান্ত বেশি হওয়ায় ভূ-পৃষ্ট দুলতে থাকে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে বিজ্ঞান তবে এতো বড় ভুল ব্যখ্যা কেন, কি ভাবে দিলো? আসলে বিজ্ঞান ভুল ব্যখ্যা না দিয়ে উপায় নেই। কারন বিজ্ঞান কি? যে বিষয়টির প্রমান ও চাক্ষুস বিষয় আমরা দেখি ও হাতে নাতে ফলাফল দেখাতে পারবো সেটি’ই বিজ্ঞান। না দেখা জিনিস বিজ্ঞান হতে পারে না। যদি বিজ্ঞান বা কোন বিজ্ঞানী এ সত্য প্রকাশ করে তবে তাকে তার সাপক্ষে প্রমান দেখাতে হবে, তাকে সেই বিশাল যান ও তার শব্দ তরঙ্গকে দেখাতে হবে যেটা এ যাবৎ পর্যন্ত মানুষ্য নির্মিত যন্ত্রে ধরা বা দেখাই সম্ভব হয় নি। বিধায় এই ব্যখ্যার বিকল্প কিছুই তাদের নিকট নেই।

তাহলে আমাদের উপর দিয়ে উড়ে যাওয়া বিকট যানটি কোথায় বা তার শব্দ আমাদের কানে আসে না কেনো। দেখুন পৃথিবীর মানুষ তার পঞ্চভুতে তৈরী চোখ ও কান দিয়ে অনেক কিছুই শুনতে ও দেখতে পায় না। আমরা শুধু সেটাই দেখি যা আমাদের পঞ্চভুতে সৃষ্ট, এখনো হাজারো লাখো তরঙ্গ ও লাখো শব্দ আমরা শুনতে পাই না। যেমন পদার্থ বিদ্যার একটি সুত্রে বলা হয়ে থাকে শক্তির কোনো ধ্বংস বা ক্ষয় নেই। এখন দেখুন পৃথিবীর জন্ম লগ্ন হতে আজ অব্দি আমরা মানুষ ও লক্ষ কোটি প্রানীকুল কতরকমের শব্দ সৃষ্টি করেছে সেই শব্দ ভান্ডার কোথায় সেটি যদি সে অবস্থায় প্রকৃতিতে বিরাজমান থাকতো তবে আমাদের কানে প্রতিনিয়ত হাজারো শব্দের ঝঙ্কারে কিছুই শুনতে বা বুঝতে পারতাম না, কিন্তু বিজ্ঞান বিশ্বাষ করে এবং মানে যে এ বায়ু মন্ডলেই সকল শব্দ সঞ্চিত রয়েছে। অদুর ভবিষ্যতে আমরা সেই শব্দ শুনতে ও প্রাচিন অনেক ভাষার মানে করতেও সক্ষম হবো। আপনি কি বিজ্ঞানের কথাতে একমত হবেন? সেটা কি ভাবে ? আজ আমরা জানি পৃথিবীতে প্রতি কয়েক মিনিট পরপর একটি করে মৃদ বা বৃহত ভূ-কম্পন হচ্ছে, আর বিজ্ঞান বলছে টেকটনিক প্লেটের বা আগ্নেয়গীরির ভূ-মধ্যস্ত ধসের ফলে। আপনি কি ভাবে এটি মানবেন? আপনি একটি মাটির টিলা তৈরী করে বা পাহাড়ের গুহায় সুরুঙ্গ করে পুনরায় সেখানে ডায়নামাইট ফাটিয়ে ভিতরে ধ্বস করে দেখুন তো, পাহাড়ের গায়ে ভূ-কম্পন সৃষ্টি হয় নাকি ফাটল সৃষ্টি হয়? আসল সত্য হচ্ছে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত আমাদের দৃষ্টি শক্তির বাইরে হাজারো এ্যলিয়ন বা অতিবুদ্ধিমান প্রানী আমাদের এই গ্রহে আসছে তাদের কার্য সম্পন্য করছে পূনরায় আবার চলেও যাচ্ছে, তবে এখানে আর একটি বিষয় হতে পারে সেটি হচ্ছে, ঠিক আমরা যেমন মঙ্গল গ্রহে সেটেলাইট পাঠিয়ে দেখেছি সেখানে কিছুই নেই, তেমনি সেই পঞ্চভুতের বাইরের পদার্থের সৃষ্টি অতিবুদ্ধিমান প্রানীদের চোখেও হয়তো এই ভূ-পৃষ্টে কিছুই নেই ফাকা বা এমন কিছু দেখছে যা আমরা দেখছি না। তবে আমাদের মানুষ্য জাতীর প্রযুক্তি দিনকে দিন এতোটাই উন্নত ও বিকাশিত হচ্ছে যে অদুর ভবিষ্যতে আমরা এ বিষয়টিও পরিষ্কার ভাবে জানতে সক্ষম হবো। আমাদের উদ্দেশ্য বিজ্ঞানকে ভুল প্রমানিত করা নয়, আমাদের মুল উদ্দেশ্য সত্যকে সকলের সামনে তুলে ধরা। আগামীতে এ বিষয় আরো বিস্তারিত আলোচনা করার ইচ্ছে রইলো।