Emergency Pursuit Rule (জরুরী সাধনা বিধি)

জরুরী আধ্যাত্মিক সাধনা বিধিঃ

বর্তমান সময়ে সাধনা করতে আগ্রহী ব্যক্তির সমাজে অভাব নেই, শোনা যায় অনেকেই বিভিন্ন শক্তি সাধনা করতে চাইছে, অনেকেই আবার বাজারের বিভিন্ন চটি বই পড়ে চটকদার মশলাদার গল্পকাহিনী পড়ে অনুপ্রানিত হয়ে সাধনা করতে যায়, ফলাফল যা হবার তাই, বৃথাই সময় শ্রম অর্থৎ নষ্ট, পরবর্তীতে বলে বেড়ায় এসকল সাধনা কোন কাজের না এসব হয় না। আমরা সকল সময়েই বলে আসছি প্রতিটি প্রাচীন প্রসিদ্ধ সাধনা যা আমরা শুনে থাকি তার অধিকাংশ দ্বারাই বর্তমান সময়ের মানুষও সফল হতে, সেটি হতে উপকৃত হতে পারে। তবে এটির মূল শর্ত হচ্ছে অবশ্যই আপনার মস্তকোপরি আপনার গুরুজীর স্নেহশীল হস্তের ছায়া থাকতেই হবে। আপনার যদি গুরু অর্থাৎ সিড়ি না থাকে তবে আপনি যতিই চেষ্টা চরিত্র করুন না কেন কোন সাধনাই আপনাকে দিয়ে সম্ভব হবে না। এটাই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কথা। গুরুমুখি বিদ্যায় গুরু পরম পূজ্য। গুরু ভজন বিনা সিদ্ধি লাভ হয় না।

আমরা সাধনায় আগ্রহী ব্যক্তিদের কিছু নিয়মাবলি বিধি নিশেধ এখানে উল্লেখ্য করছি যা আপনি আপনার গুরুজীর নিকট হয়তো জিজ্ঞাসা করতে কুন্ঠিত হতে পারেন। এই বিষয়গুলো আপনার হৃদয়ে আত্মস্থ করে রাখতে হবে। আমাদের পরিশ্রমে যদি আপনি উপকৃত হতে পারেন তবেই আমরাও স্বার্থক হবো।

মনে রাখতে হবে পাঠক সবাই হতে পারে তবে তবে সাধক হওয়া যার তার কর্ম নয়। সাধনা করতে হলে আপনার হৃদয় কঠোর, দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি সম্পন্য, অত্যন্ত জেদি প্রকৃতির হলেই কেবল সাধনায় সফল হতে পারবেন। অল্প স্বল্প জ্ঞানি সাধক বা গুরুহীন সাধক সাধনা করতে গিয়ে নিজের বা সমাজের শুভ বা মঙ্গল করা তো দুর নিজের জীবন সংশয় করে ফেলে। আপনার যদি একজন সৎগুরু থাকে তবেই আমাদের সাধনা বিধী ও উল্লেখিত যে সকল সাধনা রয়েছে তার মাঝে যেটিতে আগ্রহ সেটি করতে পারেন। যদি আপনি গুরু নির্বাচনে ব্যর্থ হন তবে আমাদের প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করে আমারে প্রসদ্ধ গুরুর স্বার্নিদ্ধেও সাধনা সম্পন্য করতে পারেন। আমাদের প্রতিষ্ঠানের আওতায় যে কোন সাধনা করার সব চাইতে বড় বিষয় হচ্ছে যে আপনি যে পর্যন্ত আপনার আকাঙ্খীত সাধনাটিতে সফল না হচ্ছেন সে পর্যন্ত আমাদের গুরু গণ আপনাকে ধরনের সহযোগিতা করবে। নিয়মাবলীঃ

১) সাধনার প্রথম কথাই হল ব্রহ্মচর্য পালন। সাধক পুরুষ হোক বা স্ত্রী তাকে ব্রহ্মচর্য পালন করতেই হবে। নতুবা সাধনায় সিদ্ধিলাভ অসম্ভব।

২) সাধক কোন স্ত্রী র্স্পশ্য করতে পারবে না। যদি সাধকের মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা, ভগ্নি বা যেই হোক না কেন।

৩) কোন স্ত্রীর হাতের জল বা খাবার সাধক খাবে না। তার হাত দিয়ে কোন কাপড়ও কাঁচাবে না। সাধককে নিজের খাবার নিজেকে বানাতে হবে। নিজের কাপড় নিজেকে কাঁচতে হবে এবং ভুমি সয্যায় শয়ন করতে হবে।

৪)সাত্ত্বিক আহার করতে হবে। নিজ মন ও শরীরকে পবিত্র রাখতে হবে।

৫) সাধনা স্থলেই মাটিতে শয়ন করতে হবে।

৬)দেবী, দেবতা বা নির্দিষ্ট শক্তির সাধনা করার সময় তাঁর আসন সাধকের আসন থেকে উচুঁতে থাকবে।

৭) সাধনাস্থল যথা- নির্জন ঘর, শ্মশানভুমি, নদীতীর, চৌরাস্তা বা কোন গাছের ছায়ায় করতে যেখানে বাইরের জগতের গোলমাল প্রবেশ না করে।

৮) সাধনাস্থল যদি নির্জন ঘর হয় তবে তার রং গাঢ় নীল হবে। কম পক্ষে ঐ ঘরের পর্দার রং নীল হওয়া চাই।

৯) সাধক তার নিজের চোখে গাঢ় নীল রঙ্গের কাপড় বেঁধে রাখবে। এর ফলে শান্তি মিলবে।

১০) সাধনার পূর্বে মিষ্টি প্রসাদ, এলাচ ইত্যাদি নিজের কাছে রাখতে হবে। কারন আরাধ্যা দেবী/দেবতা/শক্তি এসে তার প্রসাদ চাইতে পারে। প্রসাদ দিতে দেরী হলে সাধকের প্রানহানীও হতে পারে। প্রসাদ দেবার আগে সাধক উক্ত শক্তিকে তিনটি প্রশ্ন করবে সাধক প্রশ্নের উত্তর নেওয়ার পর শক্তিকে প্রসাদ দিবে।

১১) ইনশেকশানের সুঁচ সাধক তার কাছে রাখবে। কারণ আরাধ্য দেবতা। শক্তি সাধকের রক্তও চাইতে পারে। যেমন কালী-মহাকালী। তিনি এসে বলতে পারেন যে আমার খুপড়িটা তোমার রক্ত দিয়ে ভরে দাও। তখন সাধক তাকে তিনটি প্রশ্ন করে তাঁর জবাব নিবে এবং নিজের কনিষ্ঠা আঙ্গুলীর ডগা সুঁচদিয়ে ফুটো করে কয়েক ফোটা রক্ত বের করে খুপড়িতে রেখে কিছুটা দেবীর জিভে লাগিয়ে দিতে হবে।

১২) যে তিনটি প্রশ্ন দেবীকে করবেন ও প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই নিবেন।

ক) যখনই আমি আপনাকে ডাকব,  আপনাকে আসতে হবে।

খ) যেখানে পাঠাব সেখানেই যেতে হবে।

গ) যে কাজের কথা বলব তা করে দিতে হবে।

১৩) নিজের আসন ও নিজেকে সুরক্ষা করতে অবশ্যই সুরক্ষামন্ত্র পড়ে নিতে হবে।

 

যে কোন সাধনার পূর্বে উপরক্ত বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। তবে আশা করা যায় আপনার সাধনায় অনাকাঙ্খীত সমস্যায় পরে বিব্রত ও নিজের ক্ষতি হতে মুক্ত থাকতে পারবেন।

আধ্যাত্মিক সাধনাার সকল আলোচনা পড়ুন…

Sharing is caring!

Top
error: Content is protected !!