You are here
Home > All Post

Enchantment (বশীকরণ)

Enchantment (বশীকরণ)

সর্বপ্রথম যেটি আমাদের সকলের জানা প্রয়োজন সেটি হচ্ছে বশীকরণ আসলে কি ? কেনই বা এই বশীকরণ আমাদের ব্যক্তি জীবনে বা সমাজ জীবনে প্রয়োজন পরে? আমরা হয়তো অনেকেই এই কথাটির সাথে পরিচিত, এক বাক্যে এটিও জানি কাউকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা বাধ্য করাকে বশীকরণ বলা হয়। সমাজে এই কথাটির উপর ভিত্তি করে এক শ্রেনীর অসাধু তান্ত্রিক আমাদের ভাবাবেগে আপ্লুত দুর্বল হৃদয়কে পুঞ্জি করে জঘন্য ব্যবসা করে যাচ্ছে, সর্বশান্ত করছে আমাদের অনেক কেই, ভেঙ্গে দিচ্ছে আমাদের বিশ্বাসের ঘর।

বশীকরণ- বশকরা, হিপনোটাইজ করা, বাধ্য করা, নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা, কাউকে নিজের প্রতি দুর্বল করাকেই বশীকরণ বলা হয়  এটি সত্য। তবে আমাদের বুঝতে হবে, আঠারো হাজার মাখলুকের মধ্যে আমরা শ্রেষ্টত্ব লাভ করেছি আমাদের একটি মন আছে বিবেগ আছে বুদ্ধি আছে সেই কারনেই। কোনো মানুষকে কোনো ভাবেই নিমিষেই নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য আমাদের সমাজে যে ঝার/ফুক, তাবিজ/কবজ, টোনা/টোটকা করা হয়ে থাকে তা দ্বারা সম্ভব নয়।

অনাদি কাল হতেই বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই কিছু প্রথা চলে আসছে জাদু, মন্ত্র, টোনা, টোটকা, তন্ত্র, তাবিজ, কবজ, পশ্চিমা দেশগুলোতে White magic, Black magic, witchcraft, যা বিভিন্ন শ্বশানে পূতেঁ দেওয়া, কবরে পূতেঁ দেওয়া, বড় গাছে টাঙ্গানো, নদীর পানিতে ভাষানো, চুলোর আগুনে জালানো, মাটি বা কাপড়ের পুতুল বানিয়ে তাতে কাঁটা বা সুচ বিদ্ধ করা, মেয়ে বা ছেলের মাথার চুল সংগ্রহ, মিন্সট্রিশনের সময় তার পরিধেয় কাপড় জোগার করে তাতে তাবিজ লিখা, পায়ের নিচের মাটি সংগ্রহ করার মত নানা রকম নিয়ম।

আমরা শিক্ষিত হয়েছি, কিন্তু সুশিক্ষিত হতে আজও পারলাম না, কারন আমরা আজও এই সকল পুরনো আমলের তথাকথিত তান্ত্রিকদের আচারে বিশ্বাস করে থাকি, যারা শতকরা ৯৫% ভুয়া ও ফেইক, কারন একটি সময় ছিলো যখন এ সকল কাজ হয়তো হয়েছিল,  কিন্তু বর্তমানে এ সবে কোনো কাজ বা তুক তাক হয় না সম্ভব’ই না। যারা এ সকল কাজ করে থাকে বিশেষ করে অন্যের দ্বারা করিয়ে থাকে তার ফল যে সম্পূর্ণই বিফল তা ১০০% সত্য।

কেনো বশীকরণের প্রয়োজন পরে- আসলে আমাদের স্বামী/স্ত্রীর সর্ম্পক্য, প্রেমীক প্রেমীকার সর্ম্পক্য, দুজন বন্ধুর সর্ম্পক্য, জগতে এ ধরনের যত একে অপরের সাথে  সুন্দর সুস্থ্য সর্ম্পক্য আছে তা যদি কোনো কারনে বিস্বাদে পরিনত হয়, ভেঙ্গে যায়, একে অপরের শত্রু হয়ে যায়, একজন অন্য জনার মুখ দেখতেও রুচি বোধ করে না, একজন অপর জনকে ধোকা দেয়, প্রতারনা করে তখন’ই আমাদের এক পক্ষের নিকট মনে হয় অপর জনকে বশীকরণ বা নিজের প্রতি আকৃষ্ট করতে। অনেক সময় এক তরফা ভালোবাসা দু তরফেই সৃষ্টি করার প্রয়োজনীয়তায় এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এবং এমন পরিস্থিতিতেই আমরা কেবল তান্ত্রিকদের দ্বারস্ত হয়ে থাকি।

দেখুন বর্তমানে পৃথিবীর সকল স্থানেই একটি বিজ্ঞান সম্মত উপায় রয়েছে একজন মানুষকে নিজের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসার জন্য সেটি হচ্ছে হিপনোটাইজ। তান্ত্রিক ক্রিয়ায় যদি আপনি কাউকে বশীভুত করতে চান তবে অবশ্যই সেই ক্রিয়াটি আপনাকে নিজেকেই করতে হবে, তবে তা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ্য বিষয়, কোনো তান্ত্রিক, ওঝা, বা কামেল পীরও যদি বলে ৩ ঘন্টা, ২৪ ঘন্টা বা তিন দিনে একজন মানুষের বিরুপ মনকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করবে তবে সে একজন বড় মাপের জোচ্চর বই অন্য কিছু নয়। সাধারনত একজন মানুষকে বশে আনতে কয়েক মিনিট লাগে তবে সেটি দৃষ্টি বিনিময়ে, মনের আর্কষনে, একজন অপরজনকে পছন্দ করার কারনে, কারো কথায় বা আচরণে কনভেন্সের মাধ্যমে কিন্তু তথাকথিত জ্বিন চালান, বাটি চালান, আসন, ইত্যাদি ফেইক আইটেমে একজন তান্ত্রিক কখনই অন্য জনার মন কনভেন্স করে আপনার দিকে দিবে তা সম্ভব নয়।

আমরা প্রফেশনাল লাইফে দেখি অনেক সময় সাময়ীক দ্বন্দের কারনে দুজন মানুষের মাঝে ভুল বোঝাবুঝির জন্য তারা দুরে সরে যায়, এতে একজন হয়তো কোনো পীর ফকির বা তান্ত্রিকের নিকট গিয়ে তাবিজ কবজ করে আসলো, একটি সময় বিপরীত লোকটি স্বাভাবিক ভাবেই তার ভুল বুঝতে পেরে ফিরে আসলো-বাস্ হয়ে গেলো সেই তান্ত্রিকের জয়ধ্বনী উচ্চারিত। আমরা কেনো বুঝিনা? এসব আপনার পার্টনারকে আপনার বিষয়টি বুঝিয়ে বলে দেখুন, তাকে কনভেন্স করার চেষ্টা করে দেখুন। যখন নেহায়েৎ’ই সে আপনার আয়ত্বে আসবে না তখন না হয় তান্ত্রিকের দ্বারস্ত হয়ে কিছু করার চেষ্টা করুন, কিন্তু মনে রাখবেন কোনো সৎগুরু বা তান্ত্রিক কখনই আপনাকে নির্দিষ্ট সময় দিবে না, সে তদবীর দিতে পারে, আপনাকে কাজ দিতে পারে, একটি সম্ভব্য সময় বেধে দিতে পারে এতোটুকুই। এর বেশি যিনি বলবে বিশেষ করে জীন চালান, ভুত চালান, আসন দেওয়া, কামরুপ কামাঙ্খার তাবিজ ইত্যাদি বাচাল কারি ১০০% ফেইক।

আমাদের নিকট আপনি যে ভাবে সেবা পাবেনঃ-

>> আমরা আপনাকে আপনার চাহিদানুসারে সার্ভিস দেওয়ার চেষ্টা করবো, হিপনোটাইজ স্পেশালিষ্ট দ্বারা আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে আপনার মাধ্যমেই কনভেন্স করার চেষ্টা করবো, ত্রাটক সাধক দ্বারা তার মনের মাঝে সকল সময় আপনার চিন্তা উদয় হওয়ার আপনার ভাবাবেগে অবসন্ন হতে বাধ্য করবো। তার হৃদয়ে আপনার প্রতি আর্কষন বৃদ্ধি করার জন্য মেসমেরিজম থিউরি প্রয়োগ করবো। প্রয়োজনে আমাদের বিশিষ্ট তান্ত্রিকগনের দ্বারা তদবীর পরিচালনা করা হবে বা আপনাকেই তান্ত্রিকতার কাজ দিয়ে দেওয়া হবে যেনো খুব সহজেই আপনি আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে আপনার জীবনে ফিরে পেতে পারেন। আপনার সুখময় স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেন।

Sharing is caring!

Top
error: Content is protected !!