European trataka to solve the problem (সমস্যা সমাধানে ইউরোপীয় তদবীর)

সমস্যা সমাধানে ইউরোপীয় তদবীরঃ-

আজ আমরা আপনাদের সাথে ত্রাটক সাধনার একটি ছোট্ট প্রয়োগের মাধ্যমে নিজের যে কোন সমস্যা সমাধানে ও চাহিদা পূরণের কথা আলোচনা করবো। আপনারা যারা ত্রাটক সাধনা করেন নি তারাও এই নিয়ম অনুসরন করে নিজের ইচ্ছে পুর্তি করতে পারেন। প্রথমত আপনি যদি আপনার সাংসারিক জীবনে কোন বিষয় নিয়ে অনেক বেশি দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকেন, সমস্যায় জর্জরীত থাকেন, ঋনগ্রস্ত থাকেন তবে এই প্রক্রিয়ায় আপনার সমস্যার অনেকাংশে দুর করতে পারবেন। এ জন্য আপনাকে যা যা করতে হবে তার বিবরণ নিচে বর্ননা করা হলোঃ-

প্রথমত আপনার জন্ম কোষ্টির শুভ দিন দেখেনিন, সেদিন ভোরে বা খুব সকালে উঠে একটি সাদা কাগজে কালো কালিতে আপনার যাবতিয় সমস্যাগুলো লিখে ফেলুন, একটি নকশা বিহীন স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে পরিষ্কার টিউবয়েলের পানি নিন। এবার এটি আপনার বসার টেবিলের উপর রেখে তার উপর কাগজটি রেখে দিন। হালকা কিছু চাপ দিতে পারেন যাতে কাগজটি উড়ে পরে না যায়। এবার সারাদিন আপনি প্রতিটি কাজে প্রতিটি সময় ভাবতে থাকুন কল্পনা করতে থাকুন আপনার সকল সমস্যা দুর হয়ে আপনার সুখের সময় চলছে। ঠিক দুপুর সময় যখন সুর্য আপনার মাথার ঠিক উপরে অবস্থান করবে, তখন গ্লাস সহ কাগজটি নিয়ে কোনো খোলা নির্জন স্থানে এসে সরলাশনে বসুন, চোখ বন্ধ করে আপনার সমস্ত সমস্যাগুলোকে ভাবুন, মাথায় নিয়ে আসুন( যারা ত্রাটক সাধনা করেছেন তারা সমস্যাগুলোকে একত্রিত করে ত্রাটক মুডে তা গ্লাসে নিয়ে আসুন), এবার কল্পনা করুন আপনার সমস্ত সমস্যাগুলো মাথায় একত্রিত হয়ে জটলা পাকাচ্ছে, এই জটলাকে ধিরে ধিরে নিচে আপনার বাম হাতে নিয়ে আসুন, কল্পনা করুন, অনুভব করুন, চোখ বন্ধ করে উপলব্ধি করুন, এবার সেই সমস্যাগুলো যখন আপনার বাম হাত বেয়ে নিচে নামতে নামতে আপনার বাম হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুলিতে চলে আসবে সে সময় খুব সর্ন্তপনে ডান হাতে একটি দড়ি নিয়ে বাম হাতের কব্জার কাছে পেচিয়ে বেধে ফেলুন। সমস্ত কাজটি করতে হবে চোখ বন্ধ করেই, কারন যদি আপনি ত্রাটক সাধক না হয়ে থাকেন তবে আপনার চোখ খুললেই যা ভাবছিলেন তা নষ্ট হয়ে যাবে। এবার বাধা হয়ে গেলে আপনি চোখ খুলুন একটি ইনজেকশনের ছোট্ট সুচ নিয়ে আপনার যে আঙ্গুলিতে সমস্যাগুলোকে এনে জমা করেছেন সেই আঙ্গুলের ডগা ফুটো করে কয়েক ফোটা রক্ত বের করুন এবং তা গ্লাসের মধ্যে ফেলুন।(ত্রাটক সাধক গনের ফুটো করে রক্ত বের করতে হবে না, পানিতে সমস্যাগুলো ফেলে দিলেই হবে)। যখন রক্ত বন্ধ হয়ে আর বের হবে না। পূনরায় সেই কাগজটি তাতে ঢেকে দিয়ে নিজের ঘরে এনে টেবিলের উপর রাখুন। এবার ঠিক সন্ধ্যার সময় অর্থাৎ সুর্য ডোবার সময় আপনার বাড়ীর পশ্চিম শেষ মাথায় গ্লাস ও কাগজটি হাতে করে নিয়ে যান, সেখানে কাগজটি অন্য কোথাও রেখে গ্লাসটি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করুন ভাবুন আপনার সকল সমস্যাগুলো গ্লাসে রয়েছে এবার সেগুলো আপনি আপনার জীবন হতে ফেলে দিচ্ছেন। এবং ভাবতে ভাবতে সকল পানি পশ্চিম দিকেই ঢেলে দিন, চোখ খুলুন, গ্লাস রেখে কাগজটি হাতে নিন, যা যা লিখেছেন তা পূনরায় একবার চোখ বুলান, মনে মনে বলুন পরবর্তীতে আর আপনি কখনো এসব লিখতে চান না, আপনার সমস্যার সমাধান আজ এই মুহুর্ত হতেই হয়ে যাবে। বলে কাগজটিকে ছিরে এতো ছোট করুন যার পর আর আপনি ছোট করতে পারবেন না। এবার কাগজগুলোও সেখানে উড়িয়ে দিন এবং গ্লাসটি নিয়ে চলে আসুন, পিছনে ফিরে তাকাবেন না।। ঠিক তিন দিন পর আপনাকে এই কাজটি করতে আবার কাগজে আপনার সমস্ত সমস্যাগুলো লিখতে হবে, তবে এদিন আর সকল সমস্যা আপনার থাকবে না, অবশ্যই আপনার তালিকায় অনেক সমস্যা বাদ পরবে, এদিন একই কাজ করতে হবে শুধু গ্লাসে রক্ত দিতে হবে না। এভাবে করতে থাকলে যত বড় সমস্যাতেই থাকুন না কেন তা ২১ দিনেই শেষ হয়ে যাবে।

Sharing is caring!

Top
error: Content is protected !!