Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
You are here
Home > All Post > Human soul transforms into various animals-মানুষ্ব আত্না বিভিন্ন প্রানীতে রুপান্তর সম্পর্কে

Human soul transforms into various animals-মানুষ্ব আত্না বিভিন্ন প্রানীতে রুপান্তর সম্পর্কে

মানুষ্ব আত্না বিভিন্ন প্রানীতে রুপান্তর সম্পর্কে

মানুষ্ব আত্না নিয়ে হয়তোবা আপনারা ইতেমধ্যেই অনলাইন মিডিয়া, বই পূস্তুক ও বিভিন্ন জ্ঞানী ব্যক্তির নিকট হতে বিভিন্ন মতবাদ, ব্যাখ্যা ও কারন শুনেছেন। আজকে আমি আপনাদের কাছে এই আত্না বিষয়ে অতিগুরুত্বপূর্ন বাস্তব এবং আধ্যাতিক বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করবো। আপনারা  পোষ্টটির শেষ পর্যন্ত পড়বেন। আর নিয়মিত আমাদের সাথেই থাকবেন, কারন আমরা আপনাদের জন্য আরও গভীর ও জ্ঞানগর্ভ বিষয় যেমনঃ আত্না, মৃত্যু, মৃত্যুপরবর্তী জীবন, আত্নার বিভিন্ন রুপ ও তার কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা আপনারা ইতি পূর্বে কোন বইপুস্তুক বা অনলাইন মিডিয়ায় দেখেননি ও শুনেননি। পোষ্টটির কোন বিষয় যদি আপনার কাছে অতি রন্জিত বা অসামঞ্জস্যপুন্য মনে হয় কিংবা আপনার বাস্তবিক চলমান জিবনের নিরিক্ষে তা মিলে যায় তবে অবশ্যই পোষ্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। চলুন তাহলে অতিপ্রাকৃত জ্ঞানের সাগরে কিছুক্ষন ঘুরে আসি।

আজকের বিষয় হলোঃ- ”মানুষ্ব আত্না বিভিন্ন প্রানীতে রুপান্তর সম্পর্কে”

আপনি একটু বোঝার চেষ্টা করুন, আজ থেকে কিছুকাল পূর্বেও এই পৃথিবীতে হয়তো কিছুই ছিলো না, ছিলো না আপনার পূর্বপুরুষ বা আপনি। ছিলোনা আপনার কোন পরিচয়।ধরুন এক হাজার বছর পূর্বে পৃথিবীতে মানুষ ছিলো ১০ কোটি আর পশু পাখি ছিলো ১ হাজার কোটি। এখন দেখুন পৃথিবীতে মানুষ ৭শ কোটি আর পশুপাখির অবস্থান কোথায়। সংখ্যামূলক ভাবে প্রানীর প্রান ঠিকই আছে শুধু পরিবর্তন হয়েছে জাতের বা ডিজাইনের। পদার্থ বিদ্যার সজ্ঞানুসারে শক্তির কোন ক্ষয় বা ধ্বংস নেই, শক্তি এক রুপ হতে অন্য রুপে পরিবর্তন বা বহু রুপে বিভাজন হতে পারে। আপনি যে স্থানে বসবাস করিতেছেন ঠিক সেই স্থানে ১শ বছর পূর্বে হয়তো বা বন জঙ্গল বা অন্য কিছুর বসবাস ছিলো, মনে করেন সেই বনে ১ হাজার পশুপাখি ছিলো কিন্তু মানুষ ছিলো গুটি কয়েক। কিন্তু আজ সেখানে দেখুন আপনাদের সংখ্যা কত, আর পশুপাখির সংখ্যা কত? বাস্তবিকে যা ঘটছে, তা হলো প্রানের সংখ্যা স্থীর রেখে, প্রানী বিভাজন হচ্ছে। একদিকে যেমন বাড়ছে মানুষ অন্যদিকে বিভিন্ন পশুপাখির সংখ্যা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। আপনি যদি বিজ্ঞানকে বিস্বাস করেন তাহলে দেখা যাবে যে, পশুপাখির মৃত্যুর হার বৃদ্ধিতে মানুষের জন্ম বাড়ছে। এবার তাহলে আসল সত্যটির পর্দা সম্পূর্ন উঠানো যাাক। ধরুন আপনার বাড়ির একটি পোষা বিড়াল মারা গেলো বা আপনার এলাকার জঙ্গলের একটি শৃগাল মারা গেলো, এখানে এটাই কি শেষ? তা কিন্তু নয়, সেই বিড়াল বা শৃগাল মুক্ত প্রান (আত্না) টি এক মুহূর্তের জন্যেও শূন্যাবস্থায় থাকবেনা সঙ্গে সঙ্গেই সে অন্য কোন প্রানীর ভ্রনে প্রতিস্থাপিত হয়ে যায়। হতে পারে এটি কোন স্রষ্টার নিয়ম তান্ত্রিক  শৃঙ্খল বা প্রকৃতির অমঘ চিরায়িত নিয়ম। এমনি ভাবে একজন মানুষ্ব প্রান (আত্না) যখন তার নশ্বর দেহ ত্যাগ করে খুব কম সময়ই তা পুনরায় মানুষ্ব ভ্রনে স্থাপন হয়, নিয়মানুসারে তা অন্য কোনো প্রানীতে প্রতিস্থাপিত হয়। বিভিন্ন ধর্ম মতানুসারে, যাকে আমরা কর্ম ফল ভোগের অধ্যায় বলে থাকি। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, সৌরমন্ডলের এই গ্রহে যতটুকু শক্তি, প্রান আদিতে ছিলো বর্তমানে এবং অদুর ভবিষ্যতেও তাই থাকবে আমাদের পরবর্তী পোষ্টে এ সম্পর্কিত আরো অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর আমরা দিবো।

 

Top