All the hypnotization montra (সর্বজন বশীকরণ মন্ত্র)

সর্বজন বশীকরণ মন্ত্র ও প্রয়োগ প্রণালীঃ-

ওঁ চামুণ্ডে জয় জয় স্তম্ভয় স্তম্ভয় মোহয় মোহয়

সর্ব্ব সত্বান্নমঃ স্বাহা।

মন্ত্রেন মন্ত্রিতং পুষ্পং যক্ষে কম্মৈ প্রদীয়তে।

রাজা বা রাজপুত্রা বা বশীভবতি নিশ্চয়ং

মূলের লিখিত মন্ত্রে একটি সুরভি পুষ্প অভিমন্তিত করিয়া যাহার হস্তে প্রদান করা যাইক না কেন সে রাজা বা রাজপুত্র হইলেও বশীভূত হইয়া যাইবে।

ও বক্রকিয়ণে শিবে রক্ষ ভরে ময়াঞ্যামৃত

কুরু কুরু স্বাহা।

শ্বেতাপরা জিতামূলং গোরচনাসমস্বিতং।

পুববর্বম্মমন্ত্রিতন্তেন তিলকেন জগদ্বশম।
যে ব্যক্তি মূলের লিখিত মন্ত্রে শ্বেত অপরাজিতার মূল ও গোরচনা অভিমন্ত্রিত করিয়া তাহা পেষণ পূর্বক কপালে তিলক ধারণ করে, সে জগতের ব্যক্তি মাত্রকেই বশীভুত করিতে সক্ষম হয়। অর্থাৎ তাহার শত্রু না থাকিয়া মিত্রের বৃদ্ধি হইয়া থাকে।

বিদারী বটমুলন্ত জলেন সহ ধর্যয়েৎ।

বিভুথ্যা সংযতং কার্য্যং তিলকং লোকবশ্যকৃৎ।।

যে ব্যক্তি বিদারীমল বটবৃক্ষমূল একত্র জলের সহিত ঘষণ করিয়া বির্তুত মিশাইয়া কপালে তিলক ধারণ করে, সে মানুষ্য মাত্রকেই বশীভুত করিতে সক্ষম হয়ে।

রবিবারে গৃহীত্বা তু কৃষ্ণধুস্তরপুযস্পকং।

শাখালতাং গহীত্বা তু পত্রং মূলং তথৈব চ।।

পিষ্টা কপুরস যুক্তং কৃঙ্ক মঃ রোচনং সমং।।
তিলেক স্ত্রী বশীকুর্য্যাদি সাক্ষাদরুন্ধতী।।

যে ব্যক্তি রবিবারে কাল ধুতুরার ফুল তুলিয়া তাহার শাখা লতা পাতা ও মূলের সহিত কুঙ্কম কর্পুর ও গোরচনা মিশাইয়া তাহার তিলক ধারণ করে, সে অরুন্ধতী তুল্যা পতিপ্রাণ রমণীকেও বশীভূতা করিতে সক্ষম হয়।

ওঁ নমো কামাখ্যাদেবি অমুকীং নিক্ষিপেন্নয়ঃ।

বশীভবতি সা নারী নন্যথ কথিতং ময়া।

যে ব্যক্তি ব্রক্ষদন্ডী ও চিতাভস্ম করিয়া উপরোক্ত মন্ত্রে একশত আটবার অভিমন্ত্রিত করিয়া ইস্পিত নারীর অঙ্গে নিক্ষেপ করে, তাহা হইলে সে তাহাকে আপন করিতে সক্ষম হয়।

অপামর্গস্য জীজানি গৃহীত্বা পূষ্যাভে নরঃ।

তাম্বুলান্নে প্রদাতব্যং রাজবশ্যকরং পরং।।

যে ব্যক্তি পুষ্যনক্ষত্রে অপামর্গের বীজ উত্তোলন পূর্বক অন্ন পানের সহিত ইস্পত ব্যক্তির উদরস্থ করাইতে পারে, সে রাজা হইলেও সাধকের বশীভূত হইতে পারে।

আশ্লগায়াং গৃহীত্বা তু নাগকেশরব্রধকম।

করে বদ্ধা ভবেদ্বশ্যো যো রাজা পৃথিবীপতিঃ।।

যে ব্যক্তি আশ্লষানক্ষত্রে নাগকেশরের মূল উত্তোলনপূর্বক বাহুতে ধারণ করে তাহার নিকট অন্য ব্যক্তি ত দুরের কথঅ স্বয়ং পৃথিবীপতি ও বশীভূত হইয়া থাকেন।

ত্রিংশং চমকবীজানি ষোড়শেন্দ্র জবা স্তথ।

গোদম্ভং নরদম্ভঞ্চ পিষ্টা তৈলের লেপয়েৎ।

ললাটে তিলকং ক্বত্বা বণীকুর্য্যাত্তিলেত্তিমাং।

ত্রিশটি ছোলা ও ষোলটি ইন্দ্রজব তেলের সহিত মিশ্রিত করে প্রথমে গোদন্ত, পরে মনুষান্ত ঘর্ষণ করিতে হয়। এইরুপ ঘর্ষনের দ্বারা চন্দনের ন্যায় যে পদার্থ নির্গত হইবে তদ্বারা তিলক কাটিয়া গমন করিলে তাহাকে দেখিয়া নিলে ওমার ন্যায় রুপসী ও বশীভুত হইয়া থাকেন।

মন্দভৌময়োদমে বা স্বয়ম্ভকুসুমঃ তথা,

বস্ত্রমধ্যে গৃহীত্বা তং দগ্ধ ত্রিপথ সঙ্গমে

তেন ভষেমন যঃ কুষ্যাত্তিলকং সুমনেত্তরং

বশ্যাং নয়তি রাজা মন্যলোকেযু কা কথা।।

যে ব্যক্তি শনি কিংবা মঙ্গলবারে স্বয়ম্ভূফুল বস্ত্রধ্যে গোপন করিয়া অন্যে অগোচরে তাহা ত্রিপথের মধ্যেস্থলে ভষ্ম করিয়া সেই ভস্মের তিলক ধারণ করে, তাহার নিকট সামান্য ব্যক্তির দুরের কথা স্বয়ং রাজ্যেশ্বরও বশীভূত হইয়া থাকে।

গোরচনাং তিলকং কৃত্ব পতিরশ্যকরং পরম।।

যে সাধ্বী স্বীয় গায়ে ময়লা গোরচনা ও কদলীরসের সহিত মিশ্রিত করিয়া তিলক ধারণ করে, তদ্দৃষ্টে তাহার স্বামী তাহার নিকট বশীভূত হইয়া থাকে

মন্ত্র গুলি প্রয়োগের পূর্বে অবশ্যই যোগাযোগ করবেন। 

বশীকরণের সকল পোষ্টগুলো পড়ুন…

Sharing is caring!

Top
error: Content is protected !!