Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
You are here
Home > Spiritual Pursuit (আধ্যাত্মিক সাধনা) > Do you know your prayers are accepted or not?(কিভাবে বুঝবেন নামাজ কবুল হয়েছে কি না?)

Do you know your prayers are accepted or not?(কিভাবে বুঝবেন নামাজ কবুল হয়েছে কি না?)

সহীহ ইস্তিখারার নামাজের নিয়মঃ

আমরা মুসলিম কেহই জানি না, আমরা প্রতিদিন যে নামাজ পড়ে স্রষ্টার দরবারে ফরিয়াদ জানাই, সে নামাজ দরবারে কবুলিয়াত হয় কি না, স্রষ্টা আমার ডাক শুনে কি না। আর সাধারন ভাবে এমন কোন নিয়মও নাই যার মাধ্যমে বুঝবেন আপনার নামাজ কবুল হচ্ছে কি না। ওলি আউলিয়া গণ তাদের নামাজের মাধ্যমে মেরাজ করতেন আর আমরা প্রতিদিন এতো নামাজ রোজা করছি অথচ আমাদের দুক্ষ দুর্দশা মিটছে না, স্রষ্টা আমাদের প্রার্থনা কবুল করছে না, উপরন্ত আমাদের নানা রকম দুক্ষ কষ্ট যন্ত্রনা দিয়ে শাস্তি দিচ্ছে বিভিন্ন ভাবে প্রতিনিয়ত আসমানি জমিনি গজবে ধ্বংস করছে। কিন্তু কেন এমনটা হচ্ছে। বিষয়টি একটু খোলা মেলা ভাবে প্র্যাকটিক্যলি বুঝাতে গেলে একটি প্রমান’ই যথেষ্ট হবে। ধরুন আপনি কারো কম্পানীতে চাকুরী করছেন। যার অধিনে বা যার কম্পানীতে চাকুরী করছেন সে এমনিতেই খুব দয়ালু। কিন্তু সে যদি বুঝতে পারে বা জানতে পারে আপনি তাকে আপনি সন্মান করেন না বা সন্মান করতে গিয়ে বেয়াদবি করছেন, তার নির্দেশিত কথা পালন করেন না, যদিও বা করতে যান উল্টো তার নির্দেশ পালন না করে তার বরখেলাপ করেন এভাবে চলতে থাকলে তিনি যতই দয়াবান হোক আপনাকে চাকুরী থেকে বিতারিত করবে নতুবা শাস্তি দিবে। আবার আপনি যদি তার সত্যি সত্যি গুনকির্তন করেন তার আদেশ হুকুম ঠিক ভাবে পালন করেন, তবে আপনি যদি কষ্টে দুক্ষের মাঝে পড়েন তবে তিনি সেটি কি দেখে সহ্য করবে? নাকি আপনাকে আরও দুক্ষ কষ্ট দিবে ?  নাকি তার সাধ্যানুযায়ি আপনার সকল সমস্যার সমাধান করে দিবে??? আমরা ধ্বংসের মধ্যে পরে থেকেও তার গজবের মধ্যে পরে থেকেও আমাদের কাজের ভুল বুঝতে পারি না, উল্টো বলে থাকি স্রষ্টা আমাদের পরিক্ষা করছেন, পরিক্ষার মধ্যে ফেলে কষ্ট দিচ্ছেন। চোখ খুলুন, চারদিকে তাকান, যে সকল মানুষ তার হেদায়াত প্রাপ্ত, যে সকল মানুষ হয়তো আপনার চোখে তাদের আমল হয়তো ভুল কিন্তু তারা স্রষ্টার কৃপা প্রাপ্ত। আপনি অন্যের ভুল ধরতে গিয়ে নিজের ভুলগুলো তো সুধরাচ্ছেন না উপরন্ত স্রষ্টার কৃপাপ্রাপ্তদের ভুল আখ্যা দিয়ে আরও স্রষ্টার রোষানলে পরছেন। সুতারাং আমরা বলবো এখনো সময় রয়েছে সঠিক পথে আসুন, কৃপা প্রাপ্তদের নিকট শিখুন, দেখে শিখুন, ছোট হয়ে শিখুন। তাতে আপনার ইহকাল পরকাল সকল স্থানেই রয়েছে নাজাত সুখ, সমৃদ্ধি শান্তি। আর একটি বড় কথা সেই আমলে নিজের রুহ’ই আপনাকে বলবে আপনি সঠিক পথের দিশায় রয়েছেন। যা হোক এ বিষয় আমরা আরো আলোচনা পর্যায়ক্রমে করতে থাকবো। আজ আমরা এমন একটি বিষয় শিক্ষা দিবো যা দ্বারা আপনি বুঝতে পারবেন আপনার নামাজ কবুল হচ্ছে কি না? আপনার প্রার্থনা কবুল হচ্ছে কি না??

হ্যা আপনি সঠিক শুনেছেন আমরা বুঝতে পারবো স্রষ্টা আমাদের নামাজ, দোওয়া কবুল করছে কি না।

বিষয়টি নতুন শোনালেও আসলে আপনারা এটি অনেকেই জেনে থাকবেন। আমাদের বুর্যগানে দীন, সুফি-সাধক, ওলি আল্লাহ রা অনেক পূর্বযুগ হতেই আমাদের এর নিয়ম বলে গেছেন। কিন্তু আমরা এর থেকে গাফেল, আমরা এ বিষয়গুলো ভূলে গেছি। আমি যে আমলটির কথা বলছি সেটি হচ্ছে ইস্তেখারার নামাজ, যে নামাজটি সাধারন ভাবে কোন কিছুর ভবিষ্যৎ জানার জন্য, কাজের ভালোমন্দ ফল জানার জন্য পড়া হয়ে থাকে। আমরা সেই নামাজটির কথাই বলছি। আমরা কোরানের পরেই যে মানব রচিত গ্রন্থটিকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি সেই মহামুল্যবান সন্মানিত গ্রন্থটির রচিয়তার জীবনী থেকে জানা যায় হযরত ঈমাম বুখারী (রাঃ) এনার লিখিত বৃখারী শরীফ যা সকল গোত্র/ধর্ম নির্বিশেষে সকল মাজহাবের মুসলমান এক বাক্যে সন্মানের মনি কোঠায় রাখেন, তিনি তার প্রতিটি হাদিস লিপি বদ্ধ করার পূর্বে ইস্তেখারার মাধ্যমে হাদিসটির সহিত্যের প্রমান নিতেন। এতেই বোঝা যায় ইস্তেখারা নামাজের গুরুত্ব কতটুকু।

ইস্তেখারা নামাজ আদায়ের বিভিন্ন রিতি, ঈমাম ও মাজহাব ভেদে তার ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায় । আজ আমরা সুফি সাধক দয়াল বাবা কর্তৃক তার নিজেস্ব রিতি প্রথমে বয়ান করবো এরপর বিভিন্ন গ্রন্থ হতে নেওয়া বুর্যগানেদীনের দেখানো নিয়মগুলোও পর্যায়ক্রমে লিপি বদ্ধ করবো। যেহেতু এই নামাজের মধ্যেই আপনি আপনার সকল উদ্দেশ্য ও ভবিতব্য সর্ম্পক্যে স্বয়ং স্রষ্টা কর্তৃক পথের নির্দেশনা পবেন সেহুতু আপনি যদি এ নামাজে আপনার উদ্দেশ্য ও যা চাইছেন তা জানতে না পারেন তবে খুব সহজেই বুঝতে সক্ষম হবেন যে আপনার নামাজে আপনার দোওয়াতে সমস্যা রয়েছে আপনার পথ পরিবর্তন করে সঠিক পথের দিশা নিতে হবে। ইস্তেখারা নামাজের মাধ্যমে আপনি একদিনেই আপনার মনের আকাঙ্খীত বিষয়ের হাল হকিকত জানতে পারেন তবে কিছু ক্ষেত্রে একদিনের স্থানে তিনদিন পর্যন্ত পরপর নামজটি পড়ে যেতে হয়। তবে বাব বলেন যদি আপনার নামাজ ও প্রার্থনা সঠিক ভাবে হয়ে থাকে তবে একদিনেই যথেষ্ট।  

Top