Sexual pursuit in a married life (দাম্পত্য জিবনে যৌন সাধনা)

Sexual pursuit in a married life (দাম্পত্য জিবনে যৌন সাধনা)

যৌন সাধনার আলোচনায় আমাদের সর্বপ্রথম জানতে হবে যৌন অর্থাৎ কাম সর্ম্পক্যে শাস্ত্র কি বলে?

তন্ত্রশাস্ত্রে বিভিন্ন রোগের ঔষধ সর্ম্পক্যে বিবরনী যেমন রয়েছে তেমনি কাম বিষয়ক ঔষধাদি সম্বন্ধেও বিভিন্ন নির্দেশ নিয়মাবলি বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। কারন নারী সহবাসের জন্য এগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভৈরবী চক্র প্রভৃতি সাধনায় নারীর দেহ উপভোগ সাধনার একটি প্রধান অঙ্গ বলে মেনে নেওয়া হয়েছে। কৌলাচারকামাচারের মধ্যে তো খোলা খুলি ভাবে কামোপযোগের ব্যবস্থা দেওয়া হয়েছে

বিধায় রতিক্রিয়াকে সফল করতে যৌন ক্রিয়ায় বিজয়ী হতে, সুখের সাগরে অবগাহন করে পূর্ণ তৃপ্তি পেতে শরীরের যেমন শক্তি থাকা প্রয়োজন তেমনি প্রচুর কামশক্তি, দীর্ঘ্ সময় রতিক্রিয়ায় মত্ত থাকার মত সামর্থ্য থাকাও জরুরী। আর সবের জন্য আমাদের খুব ভালো ভাবে যৌন শাস্ত্র যৌন জ্ঞ্যান থাকা বাঞ্চনিয়। আর সম্ভবত সে উদ্দেশ্যেই তন্ত্রাচার্যগণ এমন অনেক ঔষধাদির সন্ধান দিয়ে গেছেন এমন কিছু যৌন রিতি শিখিয়ে গেছেন সেই সাথে আর্য়ুবেদ শাস্ত্র থেকেও অনেক ঔষধির কথা উল্লেখ করে গেছেন। এই সকল ঔষধ প্রয়োগে বা সে সকল যৌন রিতি মেনে আমরা স্থায়ী ভাবে আমাদের কামশক্তিকে বৃদ্ধি করতে আমাদের কামাঙ্গকেও শক্ত, দৃঢ়, কর্মঠ করে তুলতে পারি

আজ আমাদের বিষয় যৌন ক্রিয়ায় পুরুষের কিছু রিতি  যা দ্বারা পূরুষ তার যৌন ক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত আনন্দঘন করে তুলতে পারে সেই সাথে তার সঙ্গিকেও দিতে পারে চরম পূলক। বর্তমান সমাজে বিবাহিত নারীদের মাঝে অধিকাংশ নারীর জীবনে চরম পূলক কি তা তারা জানেই না, বিশেষ করে গ্রাম বা পল্লী অঞ্চলের নারীরা, এখনো আমাদের সমাজে নারীদের সন্তান জন্ম দানের মেশিন পুরুষের যৌন চাহিদা পূরনের পুতুল ছাড়া কিছুই ভাবা হয় না। এমন হাজারো পুরুষ রয়েছে যারা তাদের যখন যে ভাবে খুশি যৌন তৃষ্ণা মেটাতে স্ত্রীদের ব্যবহার করে অথচ তার স্ত্রীর যৌন তৃপ্তি হয়েছে কি না তার দিকে ভ্রুক্ষেপ করে না। অনেকেই আবার মনে করে থাকে সন্তান যেহেতু জন্ম নিয়েছে সুতারাং সেটা তো এমনিতেই হয় নি, অবশ্যই স্ত্রীরও যৌন চাহিদা মিটেছে। কিন্তু সেই সকল মুর্খ্যরা আজও জানে না, যে যদি নারীর গর্ভধানের উর্বর সময় হোমিও ড্রপারে করে পুষ্ট শুক্রানু তার যোনীতে দুফোটা দেওয়া যায় তবেও সে গর্ভধারন করবে, যৌন মিলনেরও প্রয়োজন পরবে না। এমনি ভাবে সমাজে আর একটি কথা প্রচলিত আছে, যারা নাকি অনেক বেশি সেক্স পারদর্শী হয় তাদের কেবল পুত্র সন্তান হয়। এই কথাটাও সম্পূর্ণ বাস্তবতার সাথে উল্টো, যা হোক বিষয় পরে কখনো আলোচনা করা হবে

প্রথমত আমরা পূর্বেই আলোচনা করেছি যৌন মিলনের জন্য আমাদের সঠিক স্থান নির্বাচন করতে হবে, এরপরবর্তী ধাপটি হচ্ছে শারীরিক পরিষ্কার পরিচ্ছন্যতা। আমরা দেখেছি যে অনেকে যৌন মিলনের সময় বিষয়টি অবহেলা করে বিশেষ করে বিবাহিত স্ত্রী পুরুষদের ক্ষেত্রে, যৌনকেশ নিয়মিত পরিষ্কার না করা, বগলের লোম পরিষ্কার না করা( কিছু কিছু নারী পুরুষ যৌন কেশেই বেশি উত্তেজনা অনুভব করে তাদের বিষয় এখানে বাদ), মুখের দুর্গন্ধ নিয়ে যৌন ক্রিয়ায় রত হওয়া। পুরুষের মুখে খোচা খোচা দাড়ি বেশ বিরক্তকর অতৃপ্তিদায়ক, নারী মুখে না বললেও এটি আমাদের মনে রাখা উচিৎ, তবে হে যদি আপনার দাড়ি লম্বা হয় তবে তাতে তেমন সমস্যা নেই, বরং তখন দাড়ির পরশ শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে পুলক তৈরীতে সহায়ক হয়। আমরা অবশ্যই এই বিষয়গুলোর দিকে প্রখর ভাবে দৃষ্টি দিবো তাহলেই আমরা বুঝতে পারবো আমাদের ভিতর যৌন আকাঙ্খা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর যখন যৌন আকাঙ্খা বৃদ্ধি পাবে তখন এমনিতেই যৌনক্রিয়ায় সময় বৃদ্ধি ঘটবে। তবে জন্য কিছু আয়ুর্বেদীক প্রচুর ভাবে ব্যবহৃত কোন প্রকার পার্শপ্রতিক্রিয়া বিহিন বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত ঔষুধের নাম আমরা লিখে দিবো যা আপনি অনায়েশেই নিজেই তৈরী করতে বা আশে পাশের দোকানে কিনতে পাবেন

Sharing is caring!

Top
error: Content is protected !!