Surah Fatihah Fajilat (সূরা ফাতিহার ফযিলত)

সূরা ফাতিহার ফযিলতঃ

সূরা ফতিহার খুবই ফযিলত ও মর্যাদা রয়েছে। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন যে, “যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহাসহ সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস নিদ্রা যাবার পূর্বে পাঠ করবে, সেই ব্যক্তির মৃত্যু ছাড়া সাধারণ বিপদাপদ হতে মুক্ত থাকবে।”

তিনি অন্যত্র আরও বলেছে যে, “উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) সব ধরনের ব্যথা ও রোগের শেফা স্বরুপ।”

আর আলেমগন বলিয়াছেন যে, যদি কেউ অসুস্থ্য হয় তাহলে সেই অসুস্থ্য ব্যক্তির গায়ে হাত রেখে সূরা ফাতিহা ১ বার এবং নিচের দোয়াটি ৭ বার পাঠ করে, ইনশাআল্লাহ আল্লাহর মেহেরবানীতে খুব শীঘ্রই সেই ব্যক্তি সুস্থ্য হবে দোয়া হল এইঃ (দোয়া)

আর যেই ব্যক্তি নীচে উল্লেখিত পবিত্র বৃত্তাকারের নকশাটি লিখিয়া ‘উদ ও অন্যান্য সুগন্ধির ধোয়া দিয়ে নিজের কাছে পাক-পবিত্র অবস্থায় রাকিবে, তার সকল মুশকিল দুর হইবে এবং সকল মানুষের অন্তরে তার প্রতি সমীহ বোধ সৃষ্টি যখনই কোন সমস্যা দেখা দিবে তখন গোসল করবে। এরপর পাক-পবিত্র কাপড় পরিধান করে সুগন্ধি মাখবে। জায়নামাযে বসিয়া আয়াতুল কুরসি, আমানার রসূল এবং তিনবার করে চার কুল সূরা পড়ে নিজের শরীরে ফুঁক দিবে। এরপর নীচে উল্লেখিত নিয়মে সূরা ফাতিহা পাঠ করবে। (নিয়মটি এখানে)

এই সাতদিনের মধ্যেই মনের উদ্দেশ্য সফলতা লাভ করবে।

সূরা ফাতিহার দ্বারা কোন ব্যক্তিকে বশীভূত করিবার পদ্ধতি হলঃ নির্দিষ্ট ব্যক্তির নামের অক্ষর সমূহের সঙ্গে অগ্নিজ অক্ষরগুলিকে মিশ্রিত করবে। অগ্নিজ অক্ষরগুলো হল (অক্ষরগুলি) মিশ্রিত করার পদ্ধতি হল একটি অগ্নিজ অক্ষর নিবে, আর নামের একটি অক্ষর নিবে। এভাবে প্রত্যেকটি হতে একটি করে অক্ষর নিতে থাকবে। কিন্তু শর্ত থাকে যে, প্রথম ও শেষে অগ্নিজ অক্ষর হতে হবে। এক রকমের অক্ষরগুলো ২১ টি কাগজের টুকরায় লিখে প্রতিটি টুকরায় সাথে ১ টি করে পাথরের টুকরা বেঁধে অল্প কিছু আসপন্দে ভিজিয়ে রেখে টুকরাগুলোকে আগুনে ফেলে দিবে। এরপর সূরা ফাতিহা পাঠ করতে থাকবে। ধোঁয়া যতক্ষণ পর্যন্ত বন্ধ না হবে ঠিক ততক্ষণ পর্যন্ত সূরা ফাতিহা পাঠ করতে থাকবে। এরপর নীচে উল্লেখিত শব্দগুলো পড়বে।

(শব্দ গুলো)

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিদ্রা যাবার সময় সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী (আয়াত) পর্যন্ত পড়বে, সূরা ইখলাস, মুয়াবেযাতইনী (ফালাক, নাস) পাঠ করে, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য দু’জন ফেরেশতাকে এই কথা বলে নিযুক্ত করান যে, আমার এই বান্দাকে সারারাত হেফাযত করবে। যদি সে রাতে সেই লোক মারা যায় তাহলে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়।

কোন ব্যক্তি তার কোন কিছুর দরকারে বা কোন রোগ মুক্তির জন্য সূরা ফাতিহার নকশাটি লিখে নিজের নিকটে রাখলে তার উদ্দেশ্য হাসিল হবে

(সূরা ফাতিহার নকশা)

Sharing is caring!

Top
error: Content is protected !!