Must be read before take any spiritual service (তদবীর গ্রহনের পূর্বে অবশ্যই জানা উচিৎ)

যে কোন তদবীর গ্রহনের পূর্বে অবশ্যই তদবীর কারীর সম্পর্ক্যে জানা উচিৎঃ

সুপ্রিয় ভিজিটর, আমাদের আজকের পোষ্টটি আপনাদের সকলের জন্য পড়া অত্যন্ত জরুরী, কিছু সময় ব্যয় করে অবশ্যই বিষয়গুলো পড়বেন, কারন আপনার এ বিষয় হয়তো কিছু সংর্কিতা রয়েছে।

আমারা অনেকেই আমাদের চিন্তা চেতনায় আজও সময়ের সাথে সাথে এগুতে পারছি না। একটু ভাবুন তো আপনি যাকে ভালোবাসেন, হতে পারে সে আপনার প্রেমীক/প্রেমীকা, স্বামী/স্ত্রী, বন্ধু/সহকর্মী ইত্যাদি যাই হোক না কেন, আপনি যদি তাকে হারানোর ব্যথা বা বিচ্ছেদ যন্ত্রনা অনুভব করেন তবে কি সেই যন্ত্রনা কোন ভাবে অর্থের সাথে তুলনীয় হয়। বা কোনও অর্থের বিনিময় কি তাকে বা তারমত কাউকে পাওয়া সম্ভব? আমরা প্রায়শই দেখি অনেকে প্রিয় হারানোর যন্ত্রনা নিয়ে তাকে ফিরে পেতে আমাদের নিকট তদবীরের জন্য আবেদন জানায় কিন্তু যখনি তদবীর পরিচালনার হাদিয়া বা দক্ষিণা বা সার্ভিস চার্য তাকে জানানো হয় তখনি তার ভালোবাসা জানালা দিয়ে দৌড় দেয়। কিন্তু কেন ? আপনি যাকে ভালোবাসেন তার জন্য কয়েকটি টাকা যদি আপনার খরচ করতে মনের মাঝে দ্বিধা সৃষ্টি করে তবে নিশ্চিত থাকুন আপনার তদবীর কোন কাজেই আসবে না। আমরা প্রায়শই শুনে থাকি অনেকেই অনেক তান্ত্রিকের নিকট গিয়ে তদবীর করাইছে কিন্তু তদবীরের ফল পায় নি, অনেক টাকা খরচ হইছে কাজ হয় নি। আরে ভাই কোন তান্ত্রিক তো দুরের কথা আপনার কাজটি তান্ত্রিকের স্রষ্টাও করে দিতে পারবে না। কারন তান্ত্রিক যে কাজগুলো করে তার নিয়ন্ত্রক কে ? অবশ্যই স্রষ্টা বা স্রষ্টার প্রতিনিধি। আপনার ভালোবাসার বা আপনার মনের নিয়ন্ত্রক ও একই স্রষ্টা, যেখানে স্রষ্টা দেখছে আপনার মনের মাঝে একজনের জন্য সামান্য অর্থ নিয়ে উহু আহার সৃষ্টি জন্ম নিচ্ছে, সেখানে তিনি কি ভাবে সেই অর্থের বিনিময় আপনার ভালোবাসা ফিরিয়ে দিবেন। মনে রাখবেন ভালোবাসার কোন মুল্যই হয় না। আমাদের পূর্বপুরুষগণ যে সকল তদবীর কারক বা তান্ত্রিকদের নিকট হতে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিতো তারা সে সময় তদবীরের কোনো দক্ষিণা বা হাদিয়া নিতো না, বা সেটি নিজের ইচ্ছেই দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট চার্য ছিলো না। কিন্তু এখন প্রতিটি কাজের দক্ষিণা অনেকটাই বেশি। কারন কি? সুপ্রিয় ভিজিটর আপনি যদি সময়ের দিকে একটু তাকিয়ে ভাবেন যে কাল আমরা কোথায় ছিলাম আর আজ কোথায় এসেছি, কাল দু-টাকায় যা সম্ভব ছিলো আজ সেটি সম্ভব কি না। কাল যে কাজটি করতে আমরা বাড়ীর পার্শ্যেই কোন নিরীবিলি স্থান ব্যবহার করতাম বা আমাদের পূর্ব পূরুষগণ করে থাকতো আজ সেই কাজটি করা সম্ভব হচ্ছে কি? আর আমরা মানুষ সুবিধা বাদি বিভিন্ন প্রজাতী হওয়ার দরুন। যদি আপনি কোথায় বিবেগ ব্যবহারের কথা বলে থাকেন তবে সকলের ক্ষেত্রে বলবো না তবে কিছু কিছু অদ্ভুদ শ্রেনীর মানুষ রয়েছে যারা ভাববে এ কাজে আর কি খরচ, না দিলেই হবে বা হয়তো ১০ টাকার একটি নোট ধরিয়ে দিয়েই মনে মনে বলবে হয়তো ৫ টাকা দিলেই হতো। তো এমন উদ্ভট প্রজাতীর মানুষদের জন্য আমাদের সমাজ এমনিতেই ঝামেলাপূর্ণ হয়ে রয়েছে, তার উপর রয়েছে ফেইক ও ভুয়া তান্ত্রিকের রমরমা, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার ইত্যাদি বিভিন্ন স্থানে এদের দৌড় এতোই বেশি যে নকলের ভিড়ে আসল খুজে পাওয়া আর লটারী পাওয়া সমান কথা। আপনাকে এ বিষয় পরিপূর্ণ সর্তকতা করা হচ্ছে বিশদ ভাবে। আপনি কোন তান্ত্রিকের নিকট সার্ভিস গ্রহনের পূর্বে যদি তা সরাসরি হয়ে থাকে তবে কাহারো সাথে আলোচনা না করে নজর রাখুন তাদের নিকট যারা সার্ভিস গ্রহন করেছে এমন কাউকে খুজে বের করা তার কাছে জানতে পারবেন সমস্যা সমাধানে তার সফলতা কতটুকু, এবার প্রতিদিন নজর রাখুন একই সময় তার প্রতিষ্ঠানে কোন লোকগুলোর আনা গোনা, মনে রাখবেন প্রতিটি ভুয়া তান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের রয়েছে নিজেস্ব দালাল গ্রুপ যারা প্রতিদিন একই সময় একই কাজ করে থাকে। এদিকে নজর দিবেন। তাহলে সহজেই ভুয়া বুঝতে সক্ষম হবেন। দ্বিতীয়ত কাহারো মাধ্যম হয়ে কোথাও না গিয়ে নিজের বিবেক বুদ্ধি জ্ঞান দ্বারা অন্যকে যাচাই করে যাবেন। যদি তান্ত্রিক সার্ভিস অনলাইনে হয়ে থাকে তবে সর্বপ্রথম দেখুন আপনি যে সাইট টি হতে সার্ভিস নিতে আগ্রহী তা ফ্রি কোন সাইট কি না, কখনই স্যোসাল মিডিয়ায় প্রচারিত ফ্রি সাইট হতে সার্ভিস নিতে যাবেন না, এর গোড়া খুজে বের করুন। যদি তাদের পেইড কোন সাইট হয়ে থাকে তবে সেই সাইটটি কতদিন যাবৎ সার্ভিস প্রদান করছে তা দেখুন, সাধারনত ফেইক সাইট গুলো কয়েক মাস হতে দু এক বছর পর্যন্তই স্থায়ী হয়ে থাকে, কারন মিথ্যার স্থায়ীত্ব ক্ষনস্থায়ী। এ জন্য আপনি www.who.is  এখানে আপনি যে সাইট হতে সার্ভিস গ্রহন করতে যাচ্ছেন তার ডোমেইন বা সাইটের লিংক দিলেই  সাইটের বিস্তারিত জন্ম কৃন্ডলি দেখে নিতে পারবেন। সকল কিছু যাচাই বাছাই করে আপনি সার্ভিস গ্রহনের জন্য অগ্রসর হবেন, কখনই দক্ষিণা হাদিয়া নিয়ে দর কষাকষি করবেন না, কারন এতে আপনার ক্ষতি, আপনার মনে যদি হাদিয়া বা দক্ষিণা নিয়ে বিন্দু পরিমানে হেজিটেশন কাজ করে তবে আপনার কাজটির ফল পাবেন না, এটি শতভাগ নিশ্চিত। একজন তান্ত্রিক একটি কাজের জন্য যতটুকু দক্ষিণা বা হাদিয়া ধার্য্য করে থাকে, তা সার্ভিসটি পরিচালনা করতে সকল ইকুইপমেন্ট ও সার্ভিসের ক্যাটাগরী বিবেচনা করে করে থাকে। আপনি একটু ভাবুন- ধরুন আপনি একটি আম গাছ লাগাবেন, এখন আপনি চিন্তা করলেন রাস্তার পার্শে অনেক সময় ছোট আমগাছের চারা জন্মাতে দেখা যায় একটা এনে রোপন করলেই হলো, বা আম কিনে খেয়ে এর একটা বিচিঁ লাগিয়েও ট্রাই করতে পারেন, আবার আপনি কমদামে একটা সস্তা নার্সারী হতে যেমন তেমন গাছ এনেও লাগাতে পারেন, আবার কোন প্রতিষ্ঠিত নার্সারী হতেও গ্যরান্টেড চাহিদা মাফিক আমের চারা এনেও লাগাতে পারেন। টোটাল বিষয়টি নির্ভর করছে আপনার উপর, আপনি যেমন গাছ লাগাবেন তেমন ফল পাবেন, আপনি নিজেই আম খেয়ে বিজ লাগিয়ে গাছ নাও হতে পারে, রাস্তার পাশের কুড়িয়ে পাওয়া গাছ লাগিয়ে বড় হতেও অনেক লেট হবে আবার হতে পারে আমটি অত্যন্ত বাজে, আবার সস্তা নার্সারীর চারা সেটিও হতে পারে বলেছে একটা হয়েছে আরেকটা, কিন্তু প্রতিষ্ঠিত নার্সারীর চারা অবশ্যই ফলও দ্রুত দিবে, আপনার চাহিদা মাফিক ফলও পাবেন। ইচ্ছে আপনার কোন পথে যাবেন। তেমনি তান্ত্রিকতার ক্ষেত্রেও কথাটি প্রযোজ্য। মনে রাখবেন সস্থার বারো অবস্থা সেই সাথে প্রতারিত বা ফল না পাওয়ার সম্ভবনাও অধিক। বর্তমান সময় ও পূর্বের সময় কখনই এক পাল্লায় মাপতে যাবেন না। আগে একজন সাধক তার বাড়ীর পার্শের নদী তীরে বা জঙ্গলে গিয়ে অনায়েসে একটি সাধনা সম্পন্য করতে পারতো এখন বাড়ীর পার্শে নদী নেই, যদিও থাকে তবে সেখানে ফাকা নেই, যদি ফাকাও থাকে তবে তেমন পরিবেশ নেই, বিধায় সাধনা করতে যে স্থান প্রয়োজন তা খুজে সেখানে যেতেই হাজার হাজার টাকা খরচ তারপর আনুসাঙ্গিক বিষয় তো জরিত রয়েছেই। এসব আর এখানে আলোচনা নাই বা করলাম, তবে আপনার যদি আর্থিক সমস্যা থেকে থাকে তবে কখই অনলাইন সার্ভিস নয়। আপনি অনায়েসে সিলেটে হযরত শাহজালাল, হযরত শাহ পরান বা আপনার এলাকার কোন মাজারে গিয়ে সেখানে যারা তদবীর প্রদান করে বা দোওয়া দেয় তাদের দোওয়া বা আর্শিবাদ গ্রহন করতে পারেন, স্রষ্টা চাহে তো আপনার মনোবাঞ্ছা পুরুন হবে। কিন্তু কখনই কোন তান্ত্রিকের নিকট কোন সার্ভিসের জন্য গিয়ে আপনার ভালোবাসার দরদাম করবেন না। এতে ফল শুন্যই হবে। আশা পূরণ হবে না।

Sharing is caring!

Top
error: Content is protected !!