Unravel the mystery of the soul আত্মার রহস্য উন্মোচন

All Post Phantom explanation ( অশরীরী ব্যাখা)

 

আত্না কি?

জন্মগতভাবেই মানুষ অতিউৎসাহী প্রানী, যেকোন অজানা বিষয় জানার প্রচন্ড আগ্রহ মানুষের মধ্যে দানা বাধে।সেই আগ্রহ হতেই মানুষের বিভিন্ন জিনিস নিয়ে গবেষনা ও আবিষ্কার উত্তরা উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।এর মাঝে সবচাইতে বেশি আগ্রহের বিষয় বস্তু তার প্রান বা আত্না নিয়ে। অনলাইন মিডিয়ায় ও চলমান জিবনে প্রায়সই আমরা এই প্রশ্নের মুখো মুখি হই। বিভিন্ন ধর্ম ও সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মতবাদ আমরা শুনে থাকি।যেখানে বাস্তবতা ঠিক তার উল্টটা। আজ আমরা এ বিষয়ে একজন মহান দেহতত্ববিদের উক্তি আপনাদের সামনে উপস্তাপন করবো। আমাদের পরম আক্ষাংকা ও জিজ্গাসার  বস্তু এই আত্না আসলে কি?
আত্না এক ধরনের আলোকিত পদার্থ। আমরা জানি, আলোর কোন ভর ও আয়োতন নেই। কিন্তু পদার্থ বিদ্যার সঙ্গানুসারে আত্নার জৎসামান্য ভর আছে। বিধায় আমরা আত্না পদার্থ হিসেবে আখ্যায়িত করেছি। আমরা এও জানি, আমাদের নস্বর দেহকে, এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থান্তরিত করার জন্য যে কোন ধরনের শক্তির প্রয়োজন। যেমনঃ শারীরিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তি প্রাকৃতিক শক্তি ইত্যাদি। কিন্তু আমাদের আত্নাকে এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানত্তর হতে কোন শক্তির প্রয়োজন পড়ে না। সে নিমিসেই এক স্থান হতে অন্য স্থানে পরিভ্রমন করতে পারে। আত্না সয়ং এক প্রকার শক্তি। যার ধ্বংস্ব বা ক্ষয় নেই।সে এক রুপ হতে অন্য রুপে পরিবর্তীত হয়। সৃষ্টির অনাদিকাল হতে আত্নার সংখ্যাগত মান অভিন্ন রয়েছে।পৃথিবীতে প্রানী বা জিবের সংখ্যা আমাদের নিকট হয়তো মনে হচ্ছে প্রতিনিয়তই হ্রাস পাচ্ছে প্রকৃত পক্ষ্যে তা কিন্তু নয়। প্রান বা আত্না তার নস্বর দেহ পরিবর্তন করছে ঠিকই তবে, সংখ্যাগত মান ঠিকই অভিন্ন রয়েছে। আত্নার নিজস্ব কোন সৃতি ভান্ডার বা বল প্রয়োগের শক্তি নেই। বিধায়, সে যখন দেহ পরিবর্তন করে সে সময় এক প্রানীর সৃতি অন্য প্রানীতে বহন করতে পারে না। কিন্তু কখনো কখনো প্রকৃতির এই অমঘ নিয়ম ব্যতিক্রমি হতেও দেখা গেছে। বিশেষ করে, যে সকল প্রানী অপমৃত্যুর স্বিকার হয় তাদের বেলায় ভিন্নতা দেখা যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আমাদের পরবর্তি ভিডিওতে করার প্রত্যাশ্যা রইলো।

Play this video