"বশীকরণে ত্রাটকের প্রয়োগঃ বশীকরণের পূর্বে কতকগুলি বিষয়ে দৃষ্টি রাখিতে হইবে। যাহাকে বশে আনিতে হইবে, তাহার উপর সর্বদা সদ্ব্..." — এই একটি বাক্যের ভেতরেই লুকিয়ে আছে আজকের আলোচনার প্রাণ। বিষয়টি নিয়ে চারপাশে যত কথা প্রচলিত, তার বড় অংশই অর্ধসত্য বা শোনা-কথা; তাই এই লেখায় আমরা ধাপে ধাপে যাবো মূল জ্ঞানের গভীরে — যেন পড়া শেষে আপনার হাতে থাকে বিভ্রান্তি নয়, স্পষ্ট ধারণা।
বশীকরণে ত্রাটকের প্রয়োগ — দৃষ্টির শক্তিতে মন জয় করুন
বশীকরণে ত্রাটকের প্রয়োগঃ বশীকরণের পূর্বে কতকগুলি বিষয়ে দৃষ্টি রাখিতে হইবে। যাহাকে বশে আনিতে হইবে, তাহার উপর সর্বদা সদ্ব্যবহার করিয়া সুমিষ্ট বাক্য প্রয়োগ ও সুবেশ দর্শন করাইতে হইবে, যাহাতে তাহার মন আকৃষ্ট হয়, সর্বদা এইরুপ ভাব দেখাইতে হয়। সুবিধা বুঝিয়া যাহাকে বশে আনিতে হইবে তাহাকে তাহার মনস্তুষ্টির জন্
কেন এই জ্ঞান আপনার জন্য জরুরি?
এই বিষয়টি জানা আপনার জীবনে আনতে পারে অসাধারণ পরিবর্তন। সঠিক জ্ঞান ও সাধনার মাধ্যমে যেকোনো মানুষ তার জীবনকে সমৃদ্ধ করতে পারেন।
য ভাল ভাল বস্তু ও ভাল ভাল খাদ্য প্রদান করিতে হইবে। এই ভাবে কিছুদিন অতীত হইলে, মেস্মেরিজমে তাহাকে সম্পূর্ণ বশে আনিতে চেষ্টা করিবে। একবার দুইবার বশে না আসিলে বারংবার চেষ্টা করিয়া দেখা উচিত, এই প্রণালীওতে অনেকে এই রুপ হইয়া যায় বশীকারকে যে, সঙ্গে সঙ্গে
Third Eye Radiation-এর বিশেষ নির্দেশনা
আমাদের গুরু শাহ সুফি আফতাব বাবার নির্দেশনায় এই সাধনা সঠিকভাবে করলে ৪০ দিনের মধ্যে ফলাফল পাবেন। সাধনা শুরু করার আগে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
জ্ঞানই শক্তি — সঠিক জ্ঞান সঠিক পথ দেখায়। — Third Eye Radiation
আরও গভীরে — প্রাসঙ্গিক জ্ঞান
মূল আলোচনা তো হলো; এবার এই বিষয়ের সাথে জড়িয়ে থাকা আরও কিছু জরুরি দিক খুলে দেখা যাক — যেগুলো না জানলে জ্ঞান অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
নতুনদের সবচেয়ে বড় ৫টি ভুল
১) অতিরিক্ত সময়: প্রথম দিনেই ২০-৩০ মিনিট তাকিয়ে থাকার চেষ্টা — চোখে জ্বালা, মাথাব্যথা। শুরুতে ১-২ মিনিটই যথেষ্ট। ২) ভুল দূরত্ব ও উচ্চতা: শিখা চোখের সমান্তরালে, ২-৩ ফুট দূরে থাকার কথা; অনেকে খুব কাছে বা উপরে-নিচে রাখেন। ৩) চশমা-বিভ্রান্তি: কে চশমা পরে করবেন, কে খুলে — এটা ব্যক্তিভেদে ঠিক করতে হয়। ৪) অনিয়মিততা: সপ্তাহে একদিন ১ ঘণ্টার চেয়ে প্রতিদিন ১০ মিনিট বহুগুণ কার্যকর। ৫) জোর করে পলক আটকানো: চোখে পানি আসা স্বাভাবিক ও কাম্য, কিন্তু যন্ত্রণা সহ্য করে চালিয়ে যাওয়া ক্ষতিকর — পানি এলে চোখ বন্ধ করে অন্তর ত্রাটকে চলে যান।
একটি নিরাপদ শুরুর রুটিন
যারা আজই শুরু করতে চান, তাদের জন্য প্রথম দুই সপ্তাহের নিরাপদ কাঠামো: অন্ধকার বা আধো-আলো ঘরে মেরুদণ্ড সোজা করে বসুন। চোখের সমান উচ্চতায় ২-৩ ফুট দূরে মোমবাতি রাখুন (বাতাসে শিখা কাঁপলে ফল কমে)। শান্ত ৩-৪টি গভীর শ্বাস নিয়ে শিখার সবচেয়ে উজ্জ্বল অংশে দৃষ্টি রাখুন — পলক যত কম, তত ভালো, তবে জোর নয়। চোখ ক্লান্ত হলে বন্ধ করুন, ভ্রূমধ্যে শিখার ছবি দেখার চেষ্টা করুন। ছবি মিলিয়ে গেলে আবার খুলুন। মোট ৫-১০ মিনিট, দিনে একবার — ভোর বা ঘুমের আগে সবচেয়ে ভালো।
দুই সপ্তাহ পর নিজেই টের পাবেন — দৃষ্টি আগের চেয়ে স্থির, ঘুম গভীর, মনের ছটফটানি কম। এরপরের স্তরগুলোতে অভিজ্ঞ গাইডের তত্ত্বাবধান নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
কাদের জন্য বাড়তি সতর্কতা
ত্রাটক প্রায় সবার জন্য নিরাপদ হলেও কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম-সমন্বয় জরুরি: গ্লুকোমা, রেটিনার সমস্যা বা চোখের সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচার থাকলে আগে চক্ষু-চিকিৎসকের পরামর্শ নিন; মৃগীরোগ বা তীব্র মানসিক অস্থিরতার সময় দীর্ঘ দৃষ্টি-সাধনা এড়িয়ে চলুন; মাইগ্রেনের রোগীরা শিখার বদলে কালো বিন্দু বেছে নিলে আরাম পান। মনে রাখবেন — সাধনার লক্ষ্য নিজেকে গড়া, ভাঙা নয়। শরীর 'না' বললে শরীরের কথা শুনুন, নিয়ম বদলে নিন।
শেষ কথা
এই জগতের জ্ঞান সমুদ্রের মতো — এক লেখায় তার এক আঁজলা তুলে দেওয়া যায় মাত্র। তবু আশা করি, যেটুকু পড়লেন তা আপনার ভাবনার দরজায় নতুন আলো ফেলেছে। সংশয় থাকলে সংশয়কে স্বাগত জানান, প্রশ্ন করুন, যাচাই করুন — অন্ধবিশ্বাস নয়, উপলব্ধিই এই পথের বাহন।
যে সমস্যার কথা কাউকে বলতে পারেননি, সেটাই আমাদের বলুন — আমরা বিচার করি না, সমাধানের পথ দেখাই। প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে, সম্পূর্ণ গোপনীয়তায়।