যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আপনি এই পেইজে এসেছেন, সেই একই প্রশ্ন নিয়ে হাজার বছর ধরে ভেবেছেন সাধক, দার্শনিক ও জ্ঞানীরা। সুখবর হলো — তাঁদের অর্জিত জ্ঞান হারিয়ে যায়নি; শুধু সঠিক সূত্রে পৌঁছানো দরকার। চলুন, মূল আলোচনায় প্রবেশের আগে মনটাকে একটু স্থির করে নিই — কারণ সামনে যা পড়বেন, তা মনোযোগ দাবি করে।
সর্বজন বশীকরণ মন্ত্র — রাজা থেকে সাধারণ মানুষ, সবাইকে বশে আনুন
সর্বজন বশীকরণ মন্ত্র ও প্রয়োগ প্রণালীঃ- ওঁ চামুণ্ডে জয় জয় স্তম্ভয় স্তম্ভয় মোহয় মোহয় সর্ব্ব সত্বান্নমঃ স্বাহা। মন্ত্রেন মন্ত্রিতং পুষ্পং যক্ষে কম্মৈ প্রদীয়তে। রাজা বা রাজপুত্রা বা বশীভবতি নিশ্চয়ং মূলের লিখিত মন্ত্রে একটি সুরভি পুষ্প অভিমন্তিত করিয়া যাহার হস্তে প্রদান করা যাইক না কেন সে রাজা বা রাজপু
কেন এই জ্ঞান আপনার জন্য জরুরি?
এই বিষয়টি জানা আপনার জীবনে আনতে পারে অসাধারণ পরিবর্তন। সঠিক জ্ঞান ও সাধনার মাধ্যমে যেকোনো মানুষ তার জীবনকে সমৃদ্ধ করতে পারেন।
ত্র হইলেও বশীভূত হইয়া যাইবে। ও বক্রকিয়ণে শিবে রক্ষ ভরে ময়াঞ্যামৃত কুরু কুরু স্বাহা। শ্বেতাপরা জিতামূলং গোরচনাসমস্বিতং। পুববর্বম্মমন্ত্রিতন্তেন তিলকেন জগদ্বশম। যে ব্যক্তি মূলের লিখিত মন্ত্রে শ্বেত অপরাজিতার মূল ও গোরচনা অভিমন্ত্রিত করিয়া তাহা পেষণ পূর
Third Eye Radiation-এর বিশেষ নির্দেশনা
আমাদের গুরু শাহ সুফি আফতাব বাবার নির্দেশনায় এই সাধনা সঠিকভাবে করলে ৪০ দিনের মধ্যে ফলাফল পাবেন। সাধনা শুরু করার আগে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
জ্ঞানই শক্তি — সঠিক জ্ঞান সঠিক পথ দেখায়। — Third Eye Radiation
আরও গভীরে — প্রাসঙ্গিক জ্ঞান
মূল আলোচনা তো হলো; এবার এই বিষয়ের সাথে জড়িয়ে থাকা আরও কিছু জরুরি দিক খুলে দেখা যাক — যেগুলো না জানলে জ্ঞান অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
বশীকরণ শব্দটির আসল অর্থ
'বশীকরণ' শুনলেই অধিকাংশ মানুষের চোখে ভাসে সিনেমার কালো জাদু — কাউকে পুতুলের মতো নাচানো। অথচ তন্ত্রশাস্ত্রের মূল ধারায় বশীকরণের অর্থ অনেক গভীর: 'বশ' মানে আয়ত্ত — আর প্রাচীন গুরুরা সবার আগে শেখাতেন আত্মবশীকরণ, অর্থাৎ নিজের মন, ইন্দ্রিয় ও কথাকে নিজের বশে আনা। যে নিজের রাগ-লোভ-ভয়কে বশ করতে পারে, তার ব্যক্তিত্বে এমনিতেই এক চুম্বক-শক্তি তৈরি হয় — মানুষ তার কথা শোনে, তাকে বিশ্বাস করে, তার কাছে টানে। এটাই বশীকরণের সর্বোচ্চ ও নিরাপদ রূপ।
আকর্ষণের প্রকৃত রসায়ন
ভেবে দেখুন — কিছু মানুষ ঘরে ঢুকলেই সবার দৃষ্টি তাদের দিকে ঘোরে; তারা কথা বললে মানুষ শোনে। এই 'উপস্থিতি' কোনো জন্মগত জাদু নয়; এর পেছনে কাজ করে স্থির দৃষ্টি, শান্ত কণ্ঠ, আত্মবিশ্বাসী দেহভঙ্গি আর ভেতরের নিশ্চল মন — যার প্রতিটিই সাধনায় অর্জনযোগ্য। ত্রাটকে দৃষ্টির তেজ বাড়ে, প্রাণায়ামে কণ্ঠ ও স্নায়ু শান্ত হয়, জপে মনের বিক্ষেপ কমে। প্রাচীন মোহন-বিদ্যার প্রকৃত শিক্ষা এটাই — নিজেকে এমন করে গড়ো যেন জগৎ আপনা থেকেই আকৃষ্ট হয়।
সম্মতি ছাড়া অন্যের ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ — কেন বিপজ্জনক
এই সত্যটা পরিষ্কার বলা আমাদের দায়িত্ব: কারো অজান্তে, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে 'বশ' করার চেষ্টা — তন্ত্রের দৃষ্টিতেও নিষিদ্ধ অভিচার-কর্মের পর্যায়ে পড়ে, আর নৈতিক দৃষ্টিতে এটি অন্যের স্বাধীন সত্তার উপর আঘাত। প্রাচীন গ্রন্থগুলোই সাবধান করেছে — অভিচারের ফল প্রয়োগকারীর দিকেই ফিরে আসে। বাস্তব অভিজ্ঞতাও তা-ই বলে: জোর করে ধরে রাখা সম্পর্ক ভেতরে ভেতরে বিষিয়ে যায়। ভালোবাসা আদায়ের জিনিস নয়, অর্জনের জিনিস। তাই কেউ যদি 'অমুককে ১০০% বশ করে দেবো' বলে টাকা চায় — বুঝবেন, আপনার আবেগ নিয়ে ব্যবসা হচ্ছে।
শেষ কথা
এই জগতের জ্ঞান সমুদ্রের মতো — এক লেখায় তার এক আঁজলা তুলে দেওয়া যায় মাত্র। তবু আশা করি, যেটুকু পড়লেন তা আপনার ভাবনার দরজায় নতুন আলো ফেলেছে। সংশয় থাকলে সংশয়কে স্বাগত জানান, প্রশ্ন করুন, যাচাই করুন — অন্ধবিশ্বাস নয়, উপলব্ধিই এই পথের বাহন।
যে সমস্যার কথা কাউকে বলতে পারেননি, সেটাই আমাদের বলুন — আমরা বিচার করি না, সমাধানের পথ দেখাই। প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে, সম্পূর্ণ গোপনীয়তায়।