Deprecated: Creation of dynamic property Fold\Fold::$primary_bg_mode is deprecated in /home/u860328362/domains/thirdeyeradiation.com/public_html/wp-content/themes/fold/includes/Fold/class-fold.php on line 891

Deprecated: Creation of dynamic property Fold\Fold::$secondary_bg_mode is deprecated in /home/u860328362/domains/thirdeyeradiation.com/public_html/wp-content/themes/fold/includes/Fold/class-fold.php on line 892
class="archive category category-unknown-world category-7 wp-embed-responsive wp-theme-fold hfeed light-theme elementor-default elementor-kit-2518"> Skip to main content

Parallel Universe (সমান্তরাল মহাবিশ্ব)

Are you ready for the new world? (আপনি কি প্রস্তুত নতুন পৃথিবীর জন্য?)

মানব জনম এ এক অতিব নিগুড় রহস্যময় ঘটনা। আমরা কোথায় ছিলাম, কোথায় আসলাম আবার কোথায় বা যাবো কেনই বা আসলাম কেনই বা আবার যেতে হবে। আমরা যে এখানে রয়েছি তা কি সত্যি রয়েছে, আমরা আমাদের চারপার্শের যা কিছু দেখছি তা কি সত্যি দেখছি? সকল কিছু বাস্তবিক ক্ষেত্রেই অপরিবর্তীত রয়েছে? ‍আমার কথাগুলো নিছক হাস্যকর রসাত্মক কিছু নয়, একটি মানুষ যদি হিপনোটাইজ হয়ে যায় তবে সে ক্ষনিকের জন্য অস্তিত্ব্য শুন্য হয়ে পরে, তখন তাকে আপনি যা বলবেন যা বোঝাবেন সে তাই বুঝবে, তাই বলবে, এখন ভাবুন তো আমরা মানুষ যদি আর একজন মানুষকে হিপনো টাইজ করতে সক্ষম হই তবে এই রহস্যময় অসম্ভব শক্তিধর প্রকৃতি কি পারে না আমাদের স্মৃতিকে তাৎক্ষণিক ভাবে সর্ম্পূনরুপে পরিবর্তীত করতে? বিষয়টি একটু খোলশা করি ধরুন আপনি ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখছেন আপনার দুটি ডানা রয়েছে আপনি সেই ডানা দিয়ে যেখানে ইচ্ছে সেখানে ঘুরে বেরাচ্ছেন যেথায় ইচ্ছে সেথায় যাচ্ছেন, যা মন চাইছে তাই করছেন, এই স্বপ্নময় জগতে বিচরনরত অবস্থায় কখনো কিন্তু মনে হয় না এটা তো স্বপ্ন আমার বাস্তবিকে তো ডানা নেই আমি তো উড়তে পারি না। আবার স্বপ্ন যখন ভেঙ্গে যায় তখন কারো কারো আফসোস হয়- হায় আমার যদি সত্যি সত্যি ডানা থাকতো আমি যদি সত্যি সত্যি সে রকম ভাবে উড়ে বেরাতে পারতাম। তেমনি ভাবে একজন হিপনোটাইজ বা মোহনিদ্রায় নিদ্রিত ব্যক্তিকে মোহমুক্ত না করে যদি তাকে জাগিয়ে দেওয়া যায় এবং তাকে বলা হয় তোমার নাম অমুক, তুমি একটি প্রানী তোমার পিছনে একটি লেজ আছে, তুমি কথা বলতে পারো না তুমি হাম্বা হাম্বা ডাকো, ঘাস খাও….. ইত্যাদি ইত্যাদি তবে কিছুক্ষণের জন্য সেই ব্যক্তিটি সে সকল কিছুকেই তার জীবনের চরম সত্য বলেই বিশ্বাস ও সে মোতাবেক কাজ করা শুরু করবে। এবার ধরুন এই  প্রকৃতি আমাদের মোহনিদ্রায় বা তার স্ব-শক্তি বলে এক এক সময় এক এক স্থানে আর্বতন করাচ্ছে। সে আমাদের নিয়ে নানা রকম খেলা খেলছে। হতে পারে আমাদের জন্ম অন্য একটি গ্রহে আর গতকাল সেখানেই ছিলাম কিন্তু ঘুমানোর পর আজ এখানে পোষ্ট লিখছি আগামী কাল হয়তো এই পোষ্টটি অন্য কেউ লিখবে তবে তা হবে সর্ম্পূন অন্য কোন বিষয় অন্য চিন্তা ধারায় !!!! আসলে এসকল কিছুই কল্পনা বা অলিক কিন্তু এমন এক সত্যি যা ঘটছে কি না তার গ্যরান্টি কাহারো পক্ষেই দেওয়া সম্ভব নয়, কারন আমাদের এই গ্রহে প্রতিনিয়ত এমন হাজারো রহস্যময় ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটেই চলেছে। আজ স্যাটলাইটের যুগে মিডিয়ার বদৌলতে এমন হাজারো রহস্য প্রতিনিয়ত আমাদের সামনে এসে ধরা পরছে, জানতে পারছি। আমরা সেই সুত্র ধরেই আরও একটি ধাপ এগিয়ে যাওয়ার জন্য সম্পূর্ণ সতন্ত্রভাবেই নিজেস্ব একটি গবেষনা কার্যক্রম চালাচ্ছি। এর কয়েকটি ধাপের মধ্যে বেশ কিছুতে আমরা সফল কিন্তু তা পরিক্ষামুলক তাই এখনো চলমান। আমরা সকলের নিকট সাহায্যের হাত প্রসারনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আশা করছি আমরা নিরাশ হবো না, সেই সাথে ব্যর্থও হবো না। সকলেই নতুন একটি পৃথিবীর জন্য মানুষিক ভাবে প্রস্তুত থাকবেন। আমরা অচিরেই যেন আপনাদের সাথে এ বিষয় আলোচনা করতে পারি।
সমান্তরাল মহাবিশ্ব সম্পর্ক্যে সকল আলোচনা গুলো পড়ুন…

আমরা কোথায় আছি কোথায় যাচ্ছি

বিশ্বব্রহ্মান্ডে রয়েছে শত’কোটি সৌরমন্ডল। প্রতিটি সৌরমন্ডলের রয়েছে নিজেস্ব গ্রহ ও উপগ্রহ। যা তার অক্ষে আর্বতিত। এ মহাবিশ্ব একটি সময় ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে সেটিও নিশ্চিত, কারন আমরা যদি (Big Bang Theory) মেনে নেই তবেও এই বিশ্বব্রহ্মান্ড ধ্বংস হতে কল্পনাতীত সময় বাকি রয়েছে। যেহেতু বিশ্বব্রহ্মান্ডের সকল কিছু বর্তমান সময় পর্যন্ত ক্রমবর্ধমান অর্থাৎ প্রসারিত হচ্ছে, সুতারাং এই প্রসারন শেষ হবে, পুনরায় সঙ্কোচন শুরু হবে এরপর হতে পারে সেই মহা ধ্বংসলীলা বা রোজকেয়ামত। ক্ষুদ্র বুদ্ধিতেই ভেবে দেখুন। এই পৃথিবীর সৃষ্টি যেখানে শত’কোটি বছর, এর পূর্বে সৃষ্টি সৌরমন্ডল গ্রহমন্ডল না জানি কত কোটি কোটি বছর পূর্বে এই (বিগ ব্যঙ্গ) অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অর্থাৎ সৃষ্টি জগৎ ধ্বংস হতেও কোটি কোটি বছর বিলম্ব রয়েছে।
আমরা জানি, এই পৃথিবীতে ঠিক আমার মতো আরোও সাতটি নূন্যতম তিনটি মানুষ রয়েছে। ‍যদি ৭’শ কোটি মানুষের মাঝে ৭টি মানুষ একই রকম হয় তবে লক্ষ-কোটি গ্রহের মধ্যে প্রাণ রয়েছে এমন গ্রহের সংখ্যা এবং ঠিক এই পৃথিবীর আয়না পৃথিবী যে কতো থাকতে পারে তা সহজে অনুমেয়। আমাদের আজকের বিষয় বস্তু সেই সকল আয়না পৃথিবী নিয়ে। আমরা এও জানি আমাদের প্রযুক্তির হাটি হাটি পা পা করে যাত্রা শুরু মাত্র কয়েক দশক হতে।
আমাদের সমান্তরাল পৃথিবী নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা ইতি পূর্বেই আমরা করেছি। আজ আমরা জানবো সামনের দিন গুলোতে প্রযুক্তির সম্ভব্য উৎকর্স নিয়ে। খুব শিঘ্রই এক চরম আর্শ্চায্য অপেক্ষা করছে, আমরা মৃত্যুকে জয় করবো মানুষ বাঁচবে কয়েক শত বছর, একজন অতিত অতি বুদ্ধিমান মানুষের মস্তিষ্ক্য আরেক জন মানুষের মাঝে ট্রান্সপ্লান্ট হবে, উড়োজাহাজ বা রকেট নয় অনেকেই নিজে নিজে উড়তে সক্ষম হবে। কল্পনার ইনভিজিবলম্যন বাস্তবে হবে, মানুষ অনায়েসে তার অতিত বা ভবিষৎ এ যেতে পারবে। আমরা আমাদের মাতৃগ্রহের প্রভুদের সাক্ষাৎ পাবো। আমাদের কল্পনার রোজ কেয়ামত না হলেও পৃথিবীর মানুষ ঘটিত বিভিষিকাময় ধ্বংসলীলা প্রতক্ষ্য করবো। বেশ কয়েকটি জিনিস আমাদের চিরায়িত স্বভাব থেকে বিলীন হবে। যেমন- রক্ত সর্ম্পক্যের কারো  জন্য অন্তরের টান, মানবিকতা, ধর্মভীরুতা, মায়া মমতা ইত্যাদি। আমরা হয়ে উঠবো কর্মাশিয়াল মানুষ।
জর্তিবিদ্যা, আধুনিক আধ্যাত্মিক বিদ্যা, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি প্রভূত উন্নতি সাধন করবে। আমরা খুব সহজেই আমাদের সমান্তরাল পৃথিবী গুলোতে যাতায়াত করবো। আমরা পরবর্তি আলোচনায় এর প্রতিটি বিষয় পুঙ্খানু পুঙ্খানু ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

পৃথিবীতে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রায় ৪৯০ টি ধর্মের আগমন ঘটেছে। বর্তমান সময়েও প্রায় ৯৯ টি ধর্ম চলমান। ৪ থেকে ৯ টি বৃহৎ ধর্ম সরব ভাবে সকলেরই জানা রয়েছে। এই ৯৯ টি ধর্মের রয়েছে ৯৯ টি ধর্ম গ্রন্থ ধর্মগুরু ভিন্ন ভিন্ন স্রষ্টা। আমাদের অনুসন্ধানী বিজ্ঞান বলে, বর্তমানে চলমান ধর্মগুলোর আগমন কয়েক হাজার বছর মাত্র। কিন্তু এই ধর্ম বিশ্বাস বা স্রষ্টার ধারনা অনাদিকাল থেকেই মানুষের মাঝে চলে  আসছে। একটি সময় ছিলো যখন প্রাকৃতিক দূর্যোগগুলো যেভাবে আসতো মানুষ সে দিকেই স্রষ্টার অবস্থান ধরে নিত, যার ফলে ইতিহাসে পাওয়া যায় যেখানে মাটির নিচ থেকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ বেশি দেখা দিত, যেমন বন্যা, জলোচ্ছাস, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত, ভূমিকম্প ইত্যাদি। এসব এলাকার জনসাধারন ধরে নিত স্রষ্টার অবস্থান মাটির নিচে। বিধায় তাদের প্রার্থনার ধরনটি ছিলো নিম্নমুখি। আবার যেসকল অঞ্চলের প্রাকৃতিক দূর্যোগগুলো আকাশ থেকে পড়ে যেমন ঝড়, প্রবল বর্ষন, শিলা বৃষ্টি, বজ্রপাত ইত্যাদি। সে সকল এলাকার জনসাধারন ধরে নিত স্রষ্টার অবস্থান আকাশে। বিধায় তাদের প্রার্থনার ধরন গুলি ছিলো ঊর্ধ মুখি। কিন্তু বাস্তবিকে মানুষের মনে স্রষ্টা ধারনার জন্ম হয় ভিন্ন কারনে, আমাদের আজকের প্রতিপাদ্য বিষয়ঃ-

”স্রষ্টা ধারনার উৎপত্তি সম্পর্কে”

আমরা সকলেই জানি সভ্যতার শুরু মিশর হতে এবং ধর্মের গোড়া পত্তনও এখান থেকেই। প্রাচীন মিশর’ই সেই স্থান যেখানে আমাদের প্রভূগন তেনাদের প্রথম অবতরন ও এখান থেকেই বিভিন্ন গবেষনা করতেন। মিশরের যে পিরামিডগুলো রয়েছে তা কিন্তু সেই উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরী হয়নি যা আমরা সকলেই জানি। মূলত শুধু মিশরেই নয় পৃথিবীর  বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন আকৃতির উচ্চতার পিরামিড রয়েছে। আমরা যেমন উড়োজাহাজ হেলিকাপ্টার ইত্যাদি অবতরনের সুবির্ধাথে হেলিপেড এয়ারপোর্ট ইত্যাদি স্থানে এমন কিছু চিহ্ন ব্যবহার করি যা অনেক উচু থেকেও আমরো দেখতে পাই। আমরা অনেকেই হয়তো জানিনা মিশরে অবস্থিত ৭ টি পিরামিডের চূড়া এমন এক জ্যামিতিক অক্ষে রয়েছে যা মহাশূন্যের একটি নির্দিষ্ট স্থান হতে দেখলে মনে হবে তা একটি বিন্দুতে মিলেছে। বাস্তবিকে পিরামিড তৈরির উদ্দেশ্য ছিলো তাদের মহাশূন্যযান পৃথিবীর নির্দিষ্ট স্থানে অবতরন করা। আমরা জানি পৃথিবীতে বেশ কয়েকটি ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দূর্যোগ হয়েছিল। সেসময় বিভিন্ন ত্রান সামগ্রী সেসকল মহাশূন্যযানে করে আমাদের প্রভূগন পৃথিবীতে নিয়ে আসতো। আমাদের টিকিয়ে রাখতে তারা সকল প্রকার সাহায্য দিয়েছিলো। ইতিপূর্বে তেনাদের উদ্দেশ্য ও অবস্থান সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি। অতি বুদ্ধিমান ও উন্নত প্রযুক্তির অধিকারী আমাদের প্রভূগনের বার বার মহাকাশযানে মহাশূন্যে যাতায়াত সেসময়ের মানব গোষ্ঠীর অন্তরে স্রষ্টা ধারনা উদ্ভব ঘটায়।
ধ্বংসপ্রাপ্ত জরার্জীন্য পৃথিবীর ক্ষুধার্থ মূর্খ মানব গোষ্ঠীর জন্য বার বার ত্রান সামগ্রী উন্নত খাবার সরবারহ করায় মানবের  নিকট আমাদের প্রেরিত প্রভূগন স্রষ্টা হিসেবে আমাদের অন্তরে স্থান পায়। যে কারনেই আমাদের মাঝে উপরের দিকে তাকিয়ে বা হাত তুলে স্রষ্টার নিকট সাহায্য প্রার্থনার রিতি শুরু হয়। পরবর্তিতে কালের বিবর্তনে মানুষের উন্নতি সাধন হয় এবং পিরামিডকে মৃতদেহ সংরক্ষনের স্থান করে নেয়। তারপরেও পিরামিডের দেয়ালে দেয়ালে অংকিত বিভিন্ন আদি চিত্রে আমাদের প্রভূগনের চিত্র দেখতে পাই।

জন্মগতভাবেই মানুষ অতিউৎসাহী প্রানী, যেকোন অজানা বিষয় জানার প্রচন্ড আগ্রহ মানুষের মধ্যে দানা বাধে।সেই আগ্রহ হতেই মানুষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষনা ও আবিষ্কার উত্তরা উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি প্রশ্ন আমাদের সকলের মনেই ঘোরপাক খায়, বিশেষ করে যখন আমরা সৃষ্টি রহস্য নিয়ে চিন্তা মগ্ন থাকি। সেটি হচ্ছে সকল প্রানীর নাম আমরা মানুষরাই দিয়েছি যা আমাদের নাম বা এই মানব জাতি নামটি কোথা থেকে আসলো বা কে দিলো? আমরাই বা কোথা থেকে এলাম ইত্যাদি কিন্তু বোকা সাজার ভয়ে এবিষয়ে আমরা সকলের সামনে মুখ খুলিনা। আজ  এই জটিলতরো বিষয়ের খোলসা করা হবে। তাই আমাদের আজকের বিষয়ঃ-

মানব জাতির আসল পরিচয় কি?

বুদ্ধি বা বিবেক সকল সময়  একই দিকে ধাবিত হয়, বিধায় আমরা যদি আমাদের বিষয়গুলো চিন্তা করি তবে হয়তো মহাবিশ্ব সম্পর্কে সাম্মক ধারনা পেয়ে যাবো। যেমন ধরুন আমরা মানব জাতি আজ থেকে পাঁচ কিংবা পনের বছর পর, সৌরমন্ডলের অন্য কোন গ্রহে যদি প্রানের অস্তীত বা টিকে থাকার সম্ভবতা জাচাইয়ের জন্য কিছু পাঠাই তবে তা অবশ্যই মানুষ পাঠবো না, হয়তো কোনো পোষা প্রাণী বা অতি বুদ্ধিমান রোবট পাঠাবো যা ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি। ঠিক তেমনি সংশয়বাদীদের কথা বাদ দিলে একথা আজ প্রামানীত যে, মানুষ এ গ্রহের প্রাণী নয় মানব জাতি পৃথিবী নামক গ্রহের অতিথী বই অন্য কিছু নয়! অতি বুদ্ধিমান কোন প্রাণী যারা একটি সময় আমাদের সৌরমন্ডলের খুব নিকটে চলে এসেছিল। তাদের অনুসন্ধান ও গবেষনার জন্য এই গ্রহে অবতরন করে এবং নিয়মিত যাতায়াত শুরু হয়, অনেক প্রাণীর আগমন ঘটে তাদেরী হাত ধরে । কালের আবর্তনে তারা লক্ষ্য করে খুব শিঘ্রই এই সৌরমন্ডল থেকে তাদের মাতৃগ্রহের যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যাবে এমতাবস্থায় তারা সিদ্ধান্ত নেয় এই গ্রহে এমন কিছু প্রাণীর বিকাশ ঘটানো যারা স্বিয় বুদ্ধিমত্তায় টিকে থাকতে পারবে সেই সাথে তাদেরও  একসময় খুজে পেতে পারে। যার ফলাফল স্বরুপ এই গ্রহের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে জোড়ায় জোড়ায় আমাদের ছেড়ে যায়। তারা পৃথিবীতে থাকা কালীন, পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বসবাস শুরু করেছিল, তাদের অনুসন্ধান ও গবেষনা ছিল মূলত প্রয়োজনীয় জ্বালানী ও খনীজ পদার্থের, তবে এই গ্রহে তারা স্থায়ীভাবে  টিকে থাকতে পারত না কারন পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ  তাদের প্রজনন ক্রিয়ার জন্য অনুকূল ছিলো না। এই গ্রহ থেকে চিরতরে বিদায় নেয়ার সময়টি একসঙ্গে ঘটেনি পর্যায়ক্রমে তারা চলে যেতে থাকে একসময় সকলেই চলে যায়। কিন্তু  পৃথিবীর সকল স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমাদের প্রভূগন তাদের অনুসন্ধান চালাতে গহিন অরণ্য,  গিরিখাত, বিভিন্ন পাহাড় পর্বত্যের গূহায়  গিয়ে সময়মতো ফিরে আসতে পারেনি। বিধায় তারা চিরতরে বিছিন্ন ভাবে আটকা পড়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রজনন ক্রিয়া ব্যহত হওয়ায় কয়েক’শ বছরের মধ্যেই তারা সকলেই মারা যায়। আপনারা যারা আন্তর্জালে বা ডিসকভারী চ্যনেলে অনুসন্ধানী ভিডিও গুলো দেখেছেন তারা নিশ্চয় জানেন বিভিন্ন ভিন গ্রহবাসির হাজারো বছর পুরনো ফসিল প্রতিনিয়ত আবিষ্কৃত হচ্ছে। এসকল মূলত তাদেরি জিবস্ম। মানুষ, মানব, ম্যান ইত্যাদি বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন নাম গুলো সর্ম্পূনই আমাদের নিজস্ব সৃষ্টি, প্রকৃত পক্ষে এই প্রানীর আদি নাম ”কূফহূ” যা তাদের মাতৃগ্রহ হাওয়ায়েন এর মূল বাসিন্দাদের গৃহ পালিত দাস মাত্র। এসর্ম্পকিত বিস্তারিত আরোও তথ্য পরবর্তি আলোচনায় তুলে ধরা হবে।

সমান্তরাল মহাবিশ্ব সম্পর্কেঃ-

আমাদের আজকের বিষয়,
আপনার হয়তো মনে হতে পারে আপনি জন্ম নিয়েছেন এই পৃথিবীর বুকে বিচরন করিতেছেন একসময় এখানেই মারা যাবেন সকল কিছু এখানেই ইতি। তা কিন্তু নয়! আপনি জন্ম নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার একটি দুটি নয় সর্বমোট ১১টি সত্তার আর্বিভাব ঘটে, আপনি হয়তো ভাবতে পারেন জন্ম হতে মৃত্যু অব্দি এই গ্রহেই বিচরন করছেন, বাস্তবিক পক্ষ্যে আপনি হয়তো এই গ্রহে জন্মই নেননি। কারন আমরা প্রতিনিয়ত এগারোটি সমান্তরাল গ্রহে যা এগারটি সৌরমন্ডলে অবস্থিত পরিভ্রমন করে চলেছি। বাবা বলেন অনেক সময় দূর্ঘটনা জনিত কারনে আমাদের মৃত্যুবরন হলেও যখন আমাদের নশ্বর দেহ এই গ্রহে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় তখনো আমরা আমাদের পূন্যজীবনীকাল পর্যন্ত গ্রহে পরিভ্রমন করি। আমাদের ইতি পূর্বের আলোচনায় এসম্পর্কিত সামান্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। গ্রহ ভিত্তিক আমাদের নশ্বর দেহ স্থীর। স্মৃতি, মেধা, মন উপলদ্ধি এ বিষয়গুলো দেহের সাথে জড়িত, কিন্তু আমাদের অবিনশ্বর আত্না এসকল থেকে মুক্ত, অকাল্পনিক গতিশক্তির অধিকারী ও শৃঙ্খলিত স্বাদ্ধীনতায় আবর্তীত। বিজ্ঞান বলে স্থীর দেহে  অর্থাৎ ঘুমন্ত অবস্থায় একজন মানুষের মস্তিস্ক অধিক সচল থাকে, এর কারন যখন আমাদের আত্না শরীর থেকে মুক্ত হয়ে অন্য কোন আমিতে প্রবেশ করে, আর সেই আমি এই আমির চাইতে অধিক বুদ্ধি সম্পন্ন্য হয় তবে আমার মস্তিষ্কের ক্রিয়া সচল থাকায় স্বাভাবিক। এখানে আমার প্রতিটি কাজের জন্য কায়িক পরিশ্রম বাধ্যতামূলক হলেও অন্য কোথাও আমার মস্তিষ্কের অধিকাংশ শক্তি ব্যবহৃত হয়। এখানে বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে কালের আবর্তনে পরিক্রমনরত সমান্তরাল অন্তত্য দুটি জগৎ যদি কখনো মুখো মুখি হয় তবে আমাদের অস্তিত্য কিরুপে বিদ্যমান থাকবে? কারন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে এখন যেমন দুপাশের জগৎটাই অভিন্ন তেমনি সে সময় আমরা সমস্ত কিছু অভিন্ন অবস্থানে থেকেও ক্রিয়া ও কল্পনার বাস্তবায়ন দেখবো। অর্থাৎ ধরুন আপনি একটি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হয়তো ভাবছেন আমার যদি দুটি ডানা থাকতো তবে আমাকে কষ্ট করে হাটতে হতো না, পাখির মতো সারাক্ষন উড়ে বেড়াতাম এবং এই বিষয়টি আয়নায় প্রতিফলিত হবে। আপনার বাস্তব জিবন ও কল্পনার জগৎ দুটি হবে সামনা সামনি। যদিও এমনটি হওয়ার সম্ভনা কোটি বছরেও নেই। তবুও এমনটাই হচ্ছে তবে আমরা উপলব্ধি শক্তির সল্পতার কারনে তা বুঝতে অক্ষম। আমরা অচিরেই এবিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত সম্ভবতা আপনাদের সামনে তুলে ধরার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।

কি ভাবে আমাদের প্রার্থনা কবুল হবে-

প্রার্থনা কবুলের হাজারও শর্ত আমরা জানি। ইতিমধ্যে এধরনের প্রশ্ন অনলাইন মিডিয়ায় এসেছে বিভিন্ন ধর্মীয় গুরু মহাগুরু পাদ্রি মুফতী কর্তৃক এর সমাধান উত্তর আমরা দেখেছি বা শুনেছি। কিন্তু সেসব কিছু মানার পরেও আমাদের প্রার্থনা কবুল হচ্ছেনা। কিন্তু কেন কবুল হয়না আমি যাকে ভালোবাসি, কায়মনে যার দাসত্ত করি সে কেনো আমাকে ভালোবাসবেনা, আমার প্রার্থনা শ্রবন করবেনা, তার কৃপাদৃষ্টি ফেলবেনা। আমি যাকে ভালোবাসবো সেও আমকে ভালোবাসবে তবেই হবে ভালোবাসা নতুবা সেটা ভালোবাসা না সেটা কোন প্রেম না। স্রষ্টার সাথে যে প্রেম সে প্রেম একতরফা হবে কেন।আজ আমরা জানবো স্রষ্টার সাথে সত্যিকার অর্থে হৃদয়ের অন্তস্থল হতে কিভাবে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি করা যায়।

আমরা জানি বিভিন্ন ধর্মমত অনুসারে আমরা একএক ধর্মের লোক স্রষ্টাকে একএক নামে ডাকি।কিন্তু প্রাকৃতপক্ষ্যে সবাই আমরা এক স্রষ্টার কাছেই আরাধনা করি।সে বিষয়ের উপরেই আজকের আলোচনা। এবার হতে আপনারা কেউ স্রষ্টার কাছে কোন প্রার্থনা জানিয়ে বা আরাধনা পেশ করে নিরাশ হবেন না। আজ থেকে প্রতিটি প্রার্থনা অবশ্যই কবুল হবে। স্রষ্টার সাথে আমাদের যে সম্পর্ক্য হবে সেটা হবে ভালোবাসার, শ্রদ্ধার, আত্বিক, খাদহীন, আর স্রষ্টাও তার সৃষ্টিকে অবশ্যই ভালোবাসবে এবং সে ভালোবাসাটা হবে নিগুড় ভালোবাসা। তো প্রথমেই আমাদের জানা উচিৎ কিভাবে আরাধনা করলে সৃষ্টি কর্তা কখনই আমাদের বিমুখ করবে না। এ জন্য আমদের কিছু সর্ত মানতে হবে।সর্তগুলো হচ্ছেঃ ধর্মমত অনুসারে আমরা জানি শরীর পাক, হৃদয় পাক, অন্তরের বিশ্বাষ অবশ্যই জরুরী। তবে এখানে আমি একটা কথা বলতে চাই, সেটি হচ্ছে শরীর পাক- এ বিষয়টি জরুরী নয়। কারন বান্দা যেকোন মুহুর্তেই স্রষ্টাকে ডাকতে পারে। আমার কোলের সন্তান যদি কাদা মাটি বা নোংরা কিছু শরিরে মেখে আমার দিকে ছুটে আসে তাহলে কি আমি তাকে কোলে নিবো না নাকি লাথি মেরে তাকে ফেলে দিবো? সেটা কখনই হয়না। এতএব স্রষ্টাকে আমি যখনই ডাকি যে অবস্থাতেই ডাকি না কেন তিনি আমার ডাকে সাড়া দিবেই। তবে এখানে কিছু শর্ত আছে, যা আমাদের মানতে হবে আমি যদি স্রষ্টার কথা মানি স্রষ্টাও আমার কথা মানবে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে সর্তগুলো কি ?
সর্তঃ-
>> প্রথম সর্ত হচ্ছে হারাম খাওয়া যাবে না-

বর্তমান সময়ে আমরা দেখি “সুদ আর ঘুষ” এই দুইটা জিনিস এমন এক পর্যায়ে চলে এসেছে। যা আমাদের চলমান জীবনের সঙ্গি হয়ে গেছে। বর্তমান সমাজে আমরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে এই জঘন্য গরহিত কাজটিকে হালাল করার চ্ষ্টো করি, কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে যেটা হারাম সেটা হারামেই। আমরা যদি টয়লেটের পায়খানা সুন্দর করে একটা প্লেটে সাজিয়ে তার উপর কেকের পেষ্ট লাগিয়ে কোন ব্যক্তির নিকট উপস্থাপন করি তাহলে কি সে টা কোন মান সম্মত খাবার হবে? ঠিক তেমনি ভাবে ধর্মের নামে ব্যাংক খুলে সেখানে হালাল টাকা রাখি আর আমরা সুদের পরিবর্তে নাম দিয়েছি মুয়াজ্জাল, মুরাবাহ, ইসতিসনা, মুদারাবা, মুশারাকা ইত্যাদি যার গভিরে দেখলেই বোধগম্য হয় উপরে এক ভিতরে এক। তা হালাল বলে চালিয়ে দেই। কিন্তু আমরা জানি সুদ সুদেই এটা খাওয়া ব্যবহার চলবে না।বর্তমান সময়ে একটা প্রথা বহুল প্রচলিত আছে সমিতি বা ইন্জিও। এগুলো থেকে আমরা টাকা নিয়ে থাকি বিনিময়ে আমাদের সুদ দিতে হয়।যেহুতু সব খানেই আমরা দেখেছি যে, সুদ দেওয়া বা সুদ খাওয়া দুটোয় সমান তাহলে এগুলো কখনই চলবে না।
পৃথিবীতে এমন কোন ধর্ম নেই যেখানে বলা আছে সুদ ও ঘুস খাওয়া বা দেওয়া যাবে। যেহুতু এটি একটি ধর্ম বিরোধী কাজ তাহলে অবশ্যই এ থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।

অনেক বড় একটি সমস্যা যৌতুক প্রথা, আমাদের দেশের আলেম, ওলামা, দাড়ি, টুপি ওয়ালারা প্রায়শই বলে থাকে যৌতুক নেয়া বা দেয়া যাবে না, কিন্তু কঠিন দুক্ষের বিষয় ব্যক্তিগত জীবনে যত আলেম ওলামা দাড়ি টুপি ওয়ালা দেখলাম কাউকে যৌতুক ছাড়া বিয়ে করতে দেখলাম না, তবে এর উল্টোটা মাঝে মাঝে চোখে পড়ে তা হলো যারা ধার্মিক না তারাই কিন্তু অনেকেই যৌতুক ছাড়াই বিয়ে করছে। অবশ্যই এখানেও ওই একটি বিষয় রয়েছে যেমন ধার্মিকরা যৌতুক নেয় না অনেকেই তাদেরকে আবার খুশি করে দিতে হয়। আমি বলবো সেই সকল মানুষদের যতদিন সেই মেয়ে আপনার বাড়ীতে থাকবে তার সন্তান সন্ততী আপনার ওয়ারিস হয়ে থাকবে ততদীন পর্যন্ত আপনার পরিবারের কাহারো কোনোদিন নেক মাকসুদ উপর ওয়ালার তরফ হতে পূর্ন হবে না, কারন আপনি একটি পাপের বৃক্ষ রোপন করেছেন, যা পাপে জারিয়া হয়ে আপনার রক্তে মিশে গেছে।

>> প্রানী ভক্ষন চলবে না-
এই বিষয়টিতে অনেকেই দ্বিমত পোষন করে থাকে কিন্তু একটু ভাবুন, পৃথিবীতে যতগুলো আমলে তাবিজাৎ আধ্যাতিক কিতাব রয়েছে সকল কিতাবের শুরুতেই এটি বলা রয়েছে যে কোনো ধরনের প্রানী হত্যা বা ভক্ষণ চলবে না। এখানে আমার ব্যক্তিগত একটি কথা হচ্ছে দেখুন সকল কিছু স্রষ্টাই যদি একজন হয়ে থাকে তবে কি করে একজন স্রষ্টা তার সৃষ্টি জগতের একটি অন্যটিকে ধ্বংস করবে সেটিতে সন্তুষ্ট হতে পারে??
>> লুঙ্গি বা ধুতি পরে প্রার্থনা কবুল হয়না-
এই কথাটির সাথেও সকলেই দ্বিমত পোষন করতে পারেন, কিন্তু বাস্তবিকতা এটাই যে স্রষ্টার নিকট যখন আপনি প্রার্থনা করবেন তখন এমন পোষাক পরিধান করে প্রার্থনা করুন যার নিচের দিক হতে গোপনাঙ্গ ঢাকা থাকে। কখনই লুঙ্গি বা ধুতি বা এমন কিছু পড়ে প্রার্থনা করবেন না।
>> আপনার প্রার্থনার বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ করা যাবে না-
আপনার সাথে স্রষ্টার সর্ম্পক্য ভালোবাসার সকল ক্ষেত্রেই দেখা যায় দুজনের স্থলে তিনজন হলেই সেখানে সমস্যা সৃষ্টি হয়, প্রেম আর প্রেম থাকে না, তেমনি আপনি স্রষ্টার সাথে কথপোকথনের সময় যদি বিষয়গুলো অন্য কাহারো সাথে শেয়ার করেন বা কেউ যেনে যায় তবে সেই প্রার্থনা কবুল হওয়ার সম্ভবনা থাকে না।
 
>> সকল সময় প্রার্থনা কালিন চেষ্টা করবেন একক ভাবে নির্জনে বসে স্রষ্টার নিকট মনের আহাজারি জানাতে, গোপনিয়তা খুবই প্রয়োজনিয়, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, পেগোডা ইত্যাদিতে গিয়ে সমিষ্টিগত প্রার্থনা করতে হলে সমিষ্টিগত স্বার্থের বিষয় প্রার্থনা করুন, কিন্তু নিজের একান্ত চাহিদা পূর্নের ক্ষেত্রে অবশ্যই নির্জনতা একাকিত্ব নির্বাচন করুন।
>> প্রার্থনার ক্ষেত্রে কখনই দ্বিতীয় অপশন রাখবেন না-
অর্থাৎ ধরুন আপনার ১ লক্ষ টাকার প্রয়োজন, আপনি হয়তো আপনার কোনো নিকট জনের নিকট চেয়েছেন, সে আপনাকে বলেছে দেখা যাক আমি চেষ্টা করছি, এমতা বস্থায় আপনি প্রার্থনাতে বসলে স্বভাবতই আপনার মনে আসবে, উপর আলা দিক না তো আমার সেই নিকটজন যেনো দেয়। এমন ক্ষেত্রে প্রার্থনা কবুলের সম্ভবনা থাকে না, যখন কিছু স্রষ্টার নিকট চাইবেন তখন যেনো আপনার অন্য কোনো অপসন খোলা না থাকে, এ জন্যই দেখা যায় ঠিক তখনি আমাদের অধিকাংশ প্রার্থনা কবুল হয় যখন আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যায়।
 
>> সর্বশেষ শর্ত হচ্ছে যখন স্রষ্টার নিকট কোনো কিছু চাইবেন তা অন্তরের অন্তস্থল হতে কেদে কেদে চাইবেন, স্রষ্টার নিকট আপনার অশ্রুর মূল্য অনেক, আপনাকে সে কখনই খালি হাতে ফিরাবে না।উপরক্ত শর্তগুলো মেনে আজই স্রষ্টার নিকট প্রার্থনা করুন দেখুন আপনার প্রার্থনা সাথে সাথেই কবুল হবে।

আমাদের আজকের বিষয়টি অত্যান্ত গরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা হাজার বছরের পূরনো ও বর্তমান সময়ের অধিক আলোচিত ও সমালোচিত সেই সাথে ব্যপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুও বটে। । যেখানে বিজ্ঞান, বিভিন্ন ধর্মিয় গুরুগণ বিভিন্ন মত ও নিত্য নতুন থিউরি উপস্থাপন করেছেন, যা কোনোটি’ই সকলের নিকট সমাদৃত নয়। বিধায় এ বিষয় মতপার্থক্য রয়েই গেছে আমাদের মাঝে। যাই হোক আজ আমাদের সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর হতে সম্পূর্ণরুপে পর্দা সারাতে আমাদের গুরু সুফি সাধক আফতাব বাবার বানী আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।

 “আমরা মানব জাতি কোথা হতে এসেছি”

বিভিন্ন ধর্মের মতানুসারে মানুষ ইভ আদম বা আদম হাওয়া বা মনু হতে পৃথিবীর বুকে আগমন ঘটে ! অর্থ্যাৎ দুইজন মানুষ হতেই বিশ্বচরাচরে সমস্ত মানবের সৃষ্টি। বিজ্ঞানের মতে মানুষ বিবর্তনের মাধ্যমে হাজার বছর পূর্বে পৃথিবীর মুখ দেখেছে। কিন্তু আপনি যে মতটি’ই গ্রহন করুন না কেনো আপনার মতের সাথে কি আপনার মন সর্ম্পূন সেটিসফাইড ?? এবার একটু ভিতরে প্রবেশ করুন- আমেরিকা, আফ্রিকা, চায়না, কোরিয়া আরব ইত্যাদি দেশের মানুষগুলোর দিকে একটু চোখ বন্ধ করে অবলোকন করুন, কেউ কালো কেউ সাদা কেউ খাটো কেউ লম্বা আবার আমাদের এশিয়া মহাদেশের মানুষের মাঝে কোনো নির্দিষ্ট ধরন বা গড়ন’ই নেই, মিশ্র কি কারনে এমন? কেনো এখনো এ্যমাজান, আফ্রিকা জঙ্গলের মত ঘহিন অরন্য বা বিভিন্ন দিপপূঞ্চে এখনো অনাবিষ্কৃত মানুষ নিত্য নতুন ভাবে আবিষ্কৃত হয়েই চলেছে, যাদের নিকট এখন অব্দি আধুনিকতার র্স্পশ্য পৌছাঁয়নি। কেনো ?
বাবা বলেন মানুষ পৃথিবীর কোনো প্রানী’ই নয়, আমাদের আদি ভুমি হাওয়ায়েন নামক গ্রহ, সেখানে তাদের প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বর্তমান বিজ্ঞানের চাইতে ১ হাজার গুন উন্নত ও সমৃদ্ধ। কয়েক হাজার বছর পূর্বে তারা এই পৃথিবী নামক গ্রহ আবিষ্কার করে, এবং এখানে প্রানের বিচরন ও উন্নয়ন সম্ভব কি না সেটি পর্যবেক্ষণের জন্য মানুষ নামক দাষকে কয়েক জোড়া করে পৃথিবী পৃষ্ঠে ছেড়ে যায়, এবং কোনো এক স্থানে নয়, এক জোড়া নয়, গোটা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে আমাদের জোড়ায় জোড়ায় ছেড়ে যায়। যা পরবর্তীতে প্রজনন প্রকৃয়ার মাধ্যমে ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পায়, তবে যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ কিছুটা অনুকুল সে সকল স্থানে এই মানুষ প্রানীর অস্বাভাবিক ভাবে বিস্তার লাভ করে কিন্তু যে সকল স্থানে প্রাকৃতিক পরিবেশ বন্ধুর সে সকল স্থানে জন্ম মৃত্যু প্রায় সমমানের। আমাদের এই পৃথিবীতে ছাড়ার কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত আমাদের সকল বিষয় তদারকি করার জন্য তারা এই গ্রহে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করতো কিন্তু সময়ের পরিক্রমে এবং সৌর মন্ডলের ক্রমবর্ধমান গতির কারনে আমাদের মাতৃগ্রহ আমাদের এই গ্রহের সঙ্গে যোগাযোগ হীন হয়ে পরে। কিন্তু সব থেকে মজার বিষয় হচ্ছে আবারও আমরা আমাদের সেই মাতৃগ্রহের সাথে যোগাযোগ করতে বা আমাদের প্রভুদের সাক্ষাত পাবো কিন্তু তাদের দেখতে পাবো না। এর পিছনে অনেকগুলো বিষয় রয়েছে, যা পরবর্তী আলোচনার উপস্থাপন করা হবে।