Deprecated: Creation of dynamic property Fold\Fold::$primary_bg_mode is deprecated in /home/u860328362/domains/thirdeyeradiation.com/public_html/wp-content/themes/fold/includes/Fold/class-fold.php on line 891

Deprecated: Creation of dynamic property Fold\Fold::$secondary_bg_mode is deprecated in /home/u860328362/domains/thirdeyeradiation.com/public_html/wp-content/themes/fold/includes/Fold/class-fold.php on line 892
class="archive tag tag-tratok tag-91 wp-embed-responsive wp-theme-fold hfeed light-theme elementor-default elementor-kit-2518"> Skip to main content

tratok

সমস্যা সমাধানে ইউরোপীয় তদবীরঃ-

আজ আমরা আপনাদের সাথে ত্রাটক সাধনার একটি ছোট্ট প্রয়োগের মাধ্যমে নিজের যে কোন সমস্যা সমাধানে ও চাহিদা পূরণের কথা আলোচনা করবো। আপনারা যারা ত্রাটক সাধনা করেন নি তারাও এই নিয়ম অনুসরন করে নিজের ইচ্ছে পুর্তি করতে পারেন। প্রথমত আপনি যদি আপনার সাংসারিক জীবনে কোন বিষয় নিয়ে অনেক বেশি দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকেন, সমস্যায় জর্জরীত থাকেন, ঋনগ্রস্ত থাকেন তবে এই প্রক্রিয়ায় আপনার সমস্যার অনেকাংশে দুর করতে পারবেন। এ জন্য আপনাকে যা যা করতে হবে তার বিবরণ নিচে বর্ননা করা হলোঃ-
প্রথমত আপনার জন্ম কোষ্টির শুভ দিন দেখেনিন, সেদিন ভোরে বা খুব সকালে উঠে একটি সাদা কাগজে কালো কালিতে আপনার যাবতিয় সমস্যাগুলো লিখে ফেলুন, একটি নকশা বিহীন স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে পরিষ্কার টিউবয়েলের পানি নিন। এবার এটি আপনার বসার টেবিলের উপর রেখে তার উপর কাগজটি রেখে দিন। হালকা কিছু চাপ দিতে পারেন যাতে কাগজটি উড়ে পরে না যায়। এবার সারাদিন আপনি প্রতিটি কাজে প্রতিটি সময় ভাবতে থাকুন কল্পনা করতে থাকুন আপনার সকল সমস্যা দুর হয়ে আপনার সুখের সময় চলছে। ঠিক দুপুর সময় যখন সুর্য আপনার মাথার ঠিক উপরে অবস্থান করবে, তখন গ্লাস সহ কাগজটি নিয়ে কোনো খোলা নির্জন স্থানে এসে সরলাশনে বসুন, চোখ বন্ধ করে আপনার সমস্ত সমস্যাগুলোকে ভাবুন, মাথায় নিয়ে আসুন( যারা ত্রাটক সাধনা করেছেন তারা সমস্যাগুলোকে একত্রিত করে ত্রাটক মুডে তা গ্লাসে নিয়ে আসুন), এবার কল্পনা করুন আপনার সমস্ত সমস্যাগুলো মাথায় একত্রিত হয়ে জটলা পাকাচ্ছে, এই জটলাকে ধিরে ধিরে নিচে আপনার বাম হাতে নিয়ে আসুন, কল্পনা করুন, অনুভব করুন, চোখ বন্ধ করে উপলব্ধি করুন, এবার সেই সমস্যাগুলো যখন আপনার বাম হাত বেয়ে নিচে নামতে নামতে আপনার বাম হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুলিতে চলে আসবে সে সময় খুব সর্ন্তপনে ডান হাতে একটি দড়ি নিয়ে বাম হাতের কব্জার কাছে পেচিয়ে বেধে ফেলুন। সমস্ত কাজটি করতে হবে চোখ বন্ধ করেই, কারন যদি আপনি ত্রাটক সাধক না হয়ে থাকেন তবে আপনার চোখ খুললেই যা ভাবছিলেন তা নষ্ট হয়ে যাবে। এবার বাধা হয়ে গেলে আপনি চোখ খুলুন একটি ইনজেকশনের ছোট্ট সুচ নিয়ে আপনার যে আঙ্গুলিতে সমস্যাগুলোকে এনে জমা করেছেন সেই আঙ্গুলের ডগা ফুটো করে কয়েক ফোটা রক্ত বের করুন এবং তা গ্লাসের মধ্যে ফেলুন।(ত্রাটক সাধক গনের ফুটো করে রক্ত বের করতে হবে না, পানিতে সমস্যাগুলো ফেলে দিলেই হবে)। যখন রক্ত বন্ধ হয়ে আর বের হবে না। পূনরায় সেই কাগজটি তাতে ঢেকে দিয়ে নিজের ঘরে এনে টেবিলের উপর রাখুন। এবার ঠিক সন্ধ্যার সময় অর্থাৎ সুর্য ডোবার সময় আপনার বাড়ীর পশ্চিম শেষ মাথায় গ্লাস ও কাগজটি হাতে করে নিয়ে যান, সেখানে কাগজটি অন্য কোথাও রেখে গ্লাসটি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করুন ভাবুন আপনার সকল সমস্যাগুলো গ্লাসে রয়েছে এবার সেগুলো আপনি আপনার জীবন হতে ফেলে দিচ্ছেন। এবং ভাবতে ভাবতে সকল পানি পশ্চিম দিকেই ঢেলে দিন, চোখ খুলুন, গ্লাস রেখে কাগজটি হাতে নিন, যা যা লিখেছেন তা পূনরায় একবার চোখ বুলান, মনে মনে বলুন পরবর্তীতে আর আপনি কখনো এসব লিখতে চান না, আপনার সমস্যার সমাধান আজ এই মুহুর্ত হতেই হয়ে যাবে। বলে কাগজটিকে ছিরে এতো ছোট করুন যার পর আর আপনি ছোট করতে পারবেন না। এবার কাগজগুলোও সেখানে উড়িয়ে দিন এবং গ্লাসটি নিয়ে চলে আসুন, পিছনে ফিরে তাকাবেন না।। ঠিক তিন দিন পর আপনাকে এই কাজটি করতে আবার কাগজে আপনার সমস্ত সমস্যাগুলো লিখতে হবে, তবে এদিন আর সকল সমস্যা আপনার থাকবে না, অবশ্যই আপনার তালিকায় অনেক সমস্যা বাদ পরবে, এদিন একই কাজ করতে হবে শুধু গ্লাসে রক্ত দিতে হবে না। এভাবে করতে থাকলে যত বড় সমস্যাতেই থাকুন না কেন তা ২১ দিনেই শেষ হয়ে যাবে।

আত্ম অলৌকিক শক্তি জাগ্রত করার উপায়ঃ

সর্ম্পূন এই ব্রহ্মান্ডে এক অদ্ভুত, অলৌকিক শক্তি আছে যা সৃষ্টির সমুহ পদার্থের উপর সমানভাবে প্রভাবশালী। এই অলৌকিক শক্তি প্রত্যেক মানুষের মাঝেই সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। এই শক্তি আমাদের প্রতিটি সময় প্রভাবিত করে বিশেষ করে আমরা যখন’ই অন্যমনষ্ক থাকি, বা আনমনা ভাবে কিছু ভাবি। মহাকাশে বিচরণকারী গ্রহ নক্ষত্রের  মধ্যেও এই শক্তি বিদ্যমান। ফলে এই সব গ্রহ নক্ষত্রের গতি প্রকৃতির উপর মানুষের ভাগ্য ও শারীরিক এবং মানুষিক কার্যকলাপ নির্ভর করে।
এই ভাবে বিভিন্ন রং, ধাতু, এবং রত্নেরও মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা রয়েছে। প্রত্যেক জড়, অজড়, সজীব, নির্জীব পদার্থেও এই শক্তি আছে। মানুষ যে কোন প্রানীকে সম্মোহিত করে তার দ্বারা মনমত কাজ আদায় করে নিতে পারে। এছাড়া যেমন চুম্বক লোহাকে আর্কষণ করে তেমনি মানুষও তার সম্মোহন শক্তিদ্বারা যে কোন চেতন পদার্থকে আর্কষন করতে পারে। শুধু চেতন পদার্থই নয়, জড়বস্তুকেও সে তার শক্তি বলে প্রভাবিত করতে পারে।
এই অদ্ভুত, অদেখা, অলৌকিক শক্তির জন্যই এই পৃথিবীর সকল প্রানী ও জড় এবং চেতন পদার্থ পৃথক পৃথক হওয়া সত্ত্বেও সৃষ্টিরই এক অভিন্নরূপ। বৈজ্ঞানিকেরা একে ব্রহ্মান্ডীয় উর্জা বলেছেন।
প্রাচীনকালে মুনি ঋষিরা কঠোর তপস্যাবলে এই অলৌকিক শক্তির কিছু অংশ লাভ করতে পেরেছেন। যার দ্বারা তাঁরা অসাধ্য সাধন করতে পারতেন। এমনকি স্পর্শ করা মাত্র-মানুষের জীবন ও বিচার ধারায় পরিবর্তন করে রোগমুক্ত করে দেওয়াও তাদের পক্ষে সম্ভব ছিলো। খ্রীষ্ট্রানদের পবিত্র গ্রন্থ বাইবেল অনুসারে প্রভু যীশু কেবল হাতের স্পর্শেই লোকের দুঃক্ষ-কষ্ট, রোগ, শোক, নিবারণ করতে পারতেন। অসাধ্য রোগও তার হাতের স্পর্শে দুর হতো। আসলে এটা সেই আশ্চার্য জনক শক্তি যা সারা পৃথিবীতে ব্যাপ্ত আছে এবং যার কিছু অংশ যীশু লাভ করেছিলেন।
সংসারের সমস্ত প্রানী বা জীব জগতের সঙ্গে ব্রহ্মান্ডের সমস্ত গ্রহ নক্ষত্রের একটি বিদ্যুৎ চুম্বকীয় শক্তির অবশ্যই ঘনিষ্ট সম্বন্ধ আছে, যার দ্বারা প্রানী জগত পরিচালিত হয়। সমগ্র প্রানী জগতকে বলা যায় এর গ্রাহক। যার ফলে আমাদের অবচেতন মনে ব্রহ্মান্ডীয় চেতনার মিলন হয় এবং তার ফলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু প্রানী অলৌকিক শক্তি সম্পন্ন হয়।
মোটামুটি ভাবে এই সর্বব্যাপক অতীন্দ্রিয় শক্তি মানুষের মনকে প্রভাবিত করে। ফলে যে সব মনুষের মন শক্তিশালী সেই সব মানুষই অতীন্দ্রিয় শক্তির সংগ্রাহক হয়।
যেসব মানুষ নির্বকার, বাসনা ও কামনা রহিত এবং দৃঢ়সংকল্পি সেই সব মানুষ নিজমনের শক্তির পূর্ণ বিকাশ সাধন করে অলৌকিক শক্তি পেতে পারে। প্রতিটি মানুষের মনেই এক অদ্ভুত চেতনা আছে যা তার অবচেতন মনে লুকিয়ে থাকে এই অবচেতন মনই সমস্ত অদ্ভুত শক্তির কেন্দ্র। মানুষ সাংসারিক মোহজালে আবদ্ধ থাকার দরূন তার সুপ্ত মনের বিকাশ ঘটাতে পারে না, তাই সে সাধারণ ভাবে জীবন কাটায়। কিন্তু যে মানুষ নিজের অবচেতন মনের শক্তিকে চিনে তাকে জাগাতে পারে এবং তার উপযোগ করতে পারে সেই ধীরে ধীরে  সাধারণ মানুষ থেকে মহামানবে পরিনত হয়।
যদি মানুষ তার মনকে শক্তিশালী ও বিকাশিত করতে পারে তবে দুনিয়ার  যে কোন কাজই তার পক্ষে করা সম্ভব হয়। হিপনোটিজম, ম্যাসমেরিজম, বশীকরণ, মোহিনীবিদ্যা, টেলিপ্যাথি ইত্যাদি তো মনের সেই অগাধ শক্তিরই উদাহরণ মাত্র। এই শক্তি দ্বারা মানুষ পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করতে পারে। এর জন্য প্রয়োজন দৃঢ় সঙ্কল্প, অটুট আত্ম বিশ্বাষ ও মনের একাগ্রতা, সঠিক গুরুর দিক নির্দেশনা, তবেই মানুষ হতে পারবে মহামানব, পাবে সেই অলৌকিক শক্তির সন্ধান যার দ্বারা সে পৃথিবীর যে কোন কাজ অবলীলাক্রমে করতে পারবে

Super way to get Money, wealth and riches and Released To be Poverty

Many people do not see the face of one’s money while pursuing whole life- Many people do not get the place to spend money- Some people are getting enough money to provide one-to-one feed- I am going to talk about the sadness that I have taken today from Muslim Tantric science which is well-known and powerful.The words of all mullahs do not fit here- Because many moles say that the creator does not feed if the action is not done. I will tell you through this practice you will be able to own a lot of money. After the pursuit, without any source, without any source, the meaning of the meaning (maybe the Creator) will come in front of you. And it’s so true and proves that I do not think it’s necessary to give “%”. I have done this practice myself and got instant results in my hand. But one must remember that every pursuit is the hardship that is born in Egypt. But it is so confidential that nobody does it. But if you are ready to bear any hardship in the absence of money. If money is needed by you most, but of course you can do this.

Pursuit:

You do not have to do anything Four rakath’s prayers should be performed only in hardship. And in every rakath, Sura Fateha (specially arranged verses) will wear 1000 (one thousand) times. However, the prayer will be reduced to one leg.The matter is quite difficult.  I, myself, once prayed in life, after a great danger. But nowadays, fear of suffering, and did not dare to pray. But you will get the results immediately. You have to earn two rakath’s prayers A person will appear before you, Do not be afraid to see him. (Even though you do not believe in the present modern era, you are truthful) before the next two rakaht’s are offered to you, that person will leave you with the demands of your needs. But you must fulfill your prayers. Only then can you get the money .
Special Note: Get in touch with Admin, to get the specially ordered Sura Fateha.

অর্থ, সম্পদ ও ধনদৌলত পাওয়ার সহজ উপায় এবং দারিদ্রতা হতে মুক্তি

অনেকে সারাট জীবন সাধনা করেও একটি টাকার মুখ দেখে না- আবার অনেকে টাকা খরচ করার জায়গা পায় না- কেউ কেউ একমুঠো অন্ন জোগার করার অর্থ জোগার করতে হিমসিম খাচ্ছে- আমি আজকে যে সাধনার কথা বলতে যাচ্ছি তা মুসলিম তন্ত্রশাস্ত্র থেকে নেয়া এবং এতোটাই পাওয়ারফুল যে মোল্লাদের কথা এখানে খাটে না- কারন অনেক মোল্লাই বলে থাকে যে কর্ম না করলে বিধাতাও খোরাক দেয় না। আমি আপনাকে বলবো এই সাধনার দ্বারা আপনি নিমিষেই অনেক অর্থের মালিক হতে পারবেন। সাধনার পর নয় সাধনা চলাকালেই কোন উৎস ছাড়াই সয়ং অর্থ (হয়তো স্রষ্টা) এসে আপনার সামনে এসে উপস্থিত হবে। এবং এটা এতোটাই সত্য এবং প্রমানিত যে এর কোন  “%” দেওয়ার প্রয়োজন মনে করছি না। আমি নিজে এই সাধনা করেছি এবং হাতে নাতে তাৎক্ষনিক ফল পেয়েছি। তবে একটি কথা মনে রাখতে হবে প্রতিটি সাধনাই হচ্ছে কষ্ট সাধ্য এই সাধনার জন্ম হয়েছে সেই সুদুর মীশরে এবং বর্তমানে অনেকে তবে এটা এতোটাই গোপনীয় যে কেউ এটা প্রকাশ তেমন করে না।। তবে আপনি যদি অর্থ অভাবে যে কোন কষ্ট সহ্য করতে প্রস্তুত হন। যদি অর্থই আপনার সবচাইতে প্রয়োজনীয় হয়ে দারায় তবে অবশ্যই আপনি আমার এই সাধনা করতে পারেন।

সাধনা ঃ

আপনাকে কিছুই করতে হবে না শুধু কষ্ট করে চার রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে। এবং প্রতি রাকাতে সুরা ফাতেহা (বিশেষ ভাবে সাজানো আয়াত) পরতে হবে 1000 (এক হাজার) বার। তবে সেই নামাজ পড়তে হবে এক পায়ে দারিয়ে। বিষয়টা বেশ কঠিন আমি নিজেও আমার জীবনে একবার মাত্র বিপদে পড়ে আদায় করেছি কিন্তু আজ অব্দি কষ্টের সিমা মেপে আর পড়তে সাহস করিনি। তবে ফল পাবেন আপনি সংগে সংগেই। আপনার দু রাকাত নামাজ আদায় হতেই আপনার সামনে এসে হাজির হবে কোন ব্যক্তি তাকে দেখে ভয় পাবেন না। (যদিও বর্তমান আধুনিক যুগে বিশ্বাষ হবে না আপনার তবে ধ্রব সত্য) আপনার পরবর্তি দু রাকাত নামাজ আদায় হওয়ার আগেই সেই ব্যাক্তি আপনাকে আপনার চাহিদা মত অর্থ আপনার জায়নামাযে রেখে চলে যাবে তবে আপনাকে নামাজ পরিপূর্ণ করতে হবে।। তবেই আপনি অর্থ নিতে পারবেন।।
বিঃদ্রঃ বিশেষ ভাবে সাজানো সুরা ফাতেহা পেতে এডমিনের সংগে যোগাযোগ করুন তার অনুমতি নিন।।

জন্মগতভাবেই মানুষ অতিউৎসাহী প্রানী, যেকোন অজানা বিষয় জানার প্রচন্ড আগ্রহ মানুষের মধ্যে দানা বাধে।সেই আগ্রহ হতেই মানুষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষনা ও আবিষ্কার উত্তরা উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি প্রশ্ন আমাদের সকলের মনেই ঘোরপাক খায়, বিশেষ করে যখন আমরা সৃষ্টি রহস্য নিয়ে চিন্তা মগ্ন থাকি। সেটি হচ্ছে সকল প্রানীর নাম আমরা মানুষরাই দিয়েছি যা আমাদের নাম বা এই মানব জাতি নামটি কোথা থেকে আসলো বা কে দিলো? আমরাই বা কোথা থেকে এলাম ইত্যাদি কিন্তু বোকা সাজার ভয়ে এবিষয়ে আমরা সকলের সামনে মুখ খুলিনা। আজ  এই জটিলতরো বিষয়ের খোলসা করা হবে। তাই আমাদের আজকের বিষয়ঃ-

মানব জাতির আসল পরিচয় কি?

বুদ্ধি বা বিবেক সকল সময়  একই দিকে ধাবিত হয়, বিধায় আমরা যদি আমাদের বিষয়গুলো চিন্তা করি তবে হয়তো মহাবিশ্ব সম্পর্কে সাম্মক ধারনা পেয়ে যাবো। যেমন ধরুন আমরা মানব জাতি আজ থেকে পাঁচ কিংবা পনের বছর পর, সৌরমন্ডলের অন্য কোন গ্রহে যদি প্রানের অস্তীত বা টিকে থাকার সম্ভবতা জাচাইয়ের জন্য কিছু পাঠাই তবে তা অবশ্যই মানুষ পাঠবো না, হয়তো কোনো পোষা প্রাণী বা অতি বুদ্ধিমান রোবট পাঠাবো যা ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি। ঠিক তেমনি সংশয়বাদীদের কথা বাদ দিলে একথা আজ প্রামানীত যে, মানুষ এ গ্রহের প্রাণী নয় মানব জাতি পৃথিবী নামক গ্রহের অতিথী বই অন্য কিছু নয়! অতি বুদ্ধিমান কোন প্রাণী যারা একটি সময় আমাদের সৌরমন্ডলের খুব নিকটে চলে এসেছিল। তাদের অনুসন্ধান ও গবেষনার জন্য এই গ্রহে অবতরন করে এবং নিয়মিত যাতায়াত শুরু হয়, অনেক প্রাণীর আগমন ঘটে তাদেরী হাত ধরে । কালের আবর্তনে তারা লক্ষ্য করে খুব শিঘ্রই এই সৌরমন্ডল থেকে তাদের মাতৃগ্রহের যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যাবে এমতাবস্থায় তারা সিদ্ধান্ত নেয় এই গ্রহে এমন কিছু প্রাণীর বিকাশ ঘটানো যারা স্বিয় বুদ্ধিমত্তায় টিকে থাকতে পারবে সেই সাথে তাদেরও  একসময় খুজে পেতে পারে। যার ফলাফল স্বরুপ এই গ্রহের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে জোড়ায় জোড়ায় আমাদের ছেড়ে যায়। তারা পৃথিবীতে থাকা কালীন, পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বসবাস শুরু করেছিল, তাদের অনুসন্ধান ও গবেষনা ছিল মূলত প্রয়োজনীয় জ্বালানী ও খনীজ পদার্থের, তবে এই গ্রহে তারা স্থায়ীভাবে  টিকে থাকতে পারত না কারন পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ  তাদের প্রজনন ক্রিয়ার জন্য অনুকূল ছিলো না। এই গ্রহ থেকে চিরতরে বিদায় নেয়ার সময়টি একসঙ্গে ঘটেনি পর্যায়ক্রমে তারা চলে যেতে থাকে একসময় সকলেই চলে যায়। কিন্তু  পৃথিবীর সকল স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমাদের প্রভূগন তাদের অনুসন্ধান চালাতে গহিন অরণ্য,  গিরিখাত, বিভিন্ন পাহাড় পর্বত্যের গূহায়  গিয়ে সময়মতো ফিরে আসতে পারেনি। বিধায় তারা চিরতরে বিছিন্ন ভাবে আটকা পড়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রজনন ক্রিয়া ব্যহত হওয়ায় কয়েক’শ বছরের মধ্যেই তারা সকলেই মারা যায়। আপনারা যারা আন্তর্জালে বা ডিসকভারী চ্যনেলে অনুসন্ধানী ভিডিও গুলো দেখেছেন তারা নিশ্চয় জানেন বিভিন্ন ভিন গ্রহবাসির হাজারো বছর পুরনো ফসিল প্রতিনিয়ত আবিষ্কৃত হচ্ছে। এসকল মূলত তাদেরি জিবস্ম। মানুষ, মানব, ম্যান ইত্যাদি বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন নাম গুলো সর্ম্পূনই আমাদের নিজস্ব সৃষ্টি, প্রকৃত পক্ষে এই প্রানীর আদি নাম ”কূফহূ” যা তাদের মাতৃগ্রহ হাওয়ায়েন এর মূল বাসিন্দাদের গৃহ পালিত দাস মাত্র। এসর্ম্পকিত বিস্তারিত আরোও তথ্য পরবর্তি আলোচনায় তুলে ধরা হবে।

সমান্তরাল মহাবিশ্ব সম্পর্কেঃ-

আমাদের আজকের বিষয়,
আপনার হয়তো মনে হতে পারে আপনি জন্ম নিয়েছেন এই পৃথিবীর বুকে বিচরন করিতেছেন একসময় এখানেই মারা যাবেন সকল কিছু এখানেই ইতি। তা কিন্তু নয়! আপনি জন্ম নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার একটি দুটি নয় সর্বমোট ১১টি সত্তার আর্বিভাব ঘটে, আপনি হয়তো ভাবতে পারেন জন্ম হতে মৃত্যু অব্দি এই গ্রহেই বিচরন করছেন, বাস্তবিক পক্ষ্যে আপনি হয়তো এই গ্রহে জন্মই নেননি। কারন আমরা প্রতিনিয়ত এগারোটি সমান্তরাল গ্রহে যা এগারটি সৌরমন্ডলে অবস্থিত পরিভ্রমন করে চলেছি। বাবা বলেন অনেক সময় দূর্ঘটনা জনিত কারনে আমাদের মৃত্যুবরন হলেও যখন আমাদের নশ্বর দেহ এই গ্রহে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় তখনো আমরা আমাদের পূন্যজীবনীকাল পর্যন্ত গ্রহে পরিভ্রমন করি। আমাদের ইতি পূর্বের আলোচনায় এসম্পর্কিত সামান্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। গ্রহ ভিত্তিক আমাদের নশ্বর দেহ স্থীর। স্মৃতি, মেধা, মন উপলদ্ধি এ বিষয়গুলো দেহের সাথে জড়িত, কিন্তু আমাদের অবিনশ্বর আত্না এসকল থেকে মুক্ত, অকাল্পনিক গতিশক্তির অধিকারী ও শৃঙ্খলিত স্বাদ্ধীনতায় আবর্তীত। বিজ্ঞান বলে স্থীর দেহে  অর্থাৎ ঘুমন্ত অবস্থায় একজন মানুষের মস্তিস্ক অধিক সচল থাকে, এর কারন যখন আমাদের আত্না শরীর থেকে মুক্ত হয়ে অন্য কোন আমিতে প্রবেশ করে, আর সেই আমি এই আমির চাইতে অধিক বুদ্ধি সম্পন্ন্য হয় তবে আমার মস্তিষ্কের ক্রিয়া সচল থাকায় স্বাভাবিক। এখানে আমার প্রতিটি কাজের জন্য কায়িক পরিশ্রম বাধ্যতামূলক হলেও অন্য কোথাও আমার মস্তিষ্কের অধিকাংশ শক্তি ব্যবহৃত হয়। এখানে বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে কালের আবর্তনে পরিক্রমনরত সমান্তরাল অন্তত্য দুটি জগৎ যদি কখনো মুখো মুখি হয় তবে আমাদের অস্তিত্য কিরুপে বিদ্যমান থাকবে? কারন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে এখন যেমন দুপাশের জগৎটাই অভিন্ন তেমনি সে সময় আমরা সমস্ত কিছু অভিন্ন অবস্থানে থেকেও ক্রিয়া ও কল্পনার বাস্তবায়ন দেখবো। অর্থাৎ ধরুন আপনি একটি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হয়তো ভাবছেন আমার যদি দুটি ডানা থাকতো তবে আমাকে কষ্ট করে হাটতে হতো না, পাখির মতো সারাক্ষন উড়ে বেড়াতাম এবং এই বিষয়টি আয়নায় প্রতিফলিত হবে। আপনার বাস্তব জিবন ও কল্পনার জগৎ দুটি হবে সামনা সামনি। যদিও এমনটি হওয়ার সম্ভনা কোটি বছরেও নেই। তবুও এমনটাই হচ্ছে তবে আমরা উপলব্ধি শক্তির সল্পতার কারনে তা বুঝতে অক্ষম। আমরা অচিরেই এবিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত সম্ভবতা আপনাদের সামনে তুলে ধরার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।

কি ভাবে আমাদের প্রার্থনা কবুল হবে-

প্রার্থনা কবুলের হাজারও শর্ত আমরা জানি। ইতিমধ্যে এধরনের প্রশ্ন অনলাইন মিডিয়ায় এসেছে বিভিন্ন ধর্মীয় গুরু মহাগুরু পাদ্রি মুফতী কর্তৃক এর সমাধান উত্তর আমরা দেখেছি বা শুনেছি। কিন্তু সেসব কিছু মানার পরেও আমাদের প্রার্থনা কবুল হচ্ছেনা। কিন্তু কেন কবুল হয়না আমি যাকে ভালোবাসি, কায়মনে যার দাসত্ত করি সে কেনো আমাকে ভালোবাসবেনা, আমার প্রার্থনা শ্রবন করবেনা, তার কৃপাদৃষ্টি ফেলবেনা। আমি যাকে ভালোবাসবো সেও আমকে ভালোবাসবে তবেই হবে ভালোবাসা নতুবা সেটা ভালোবাসা না সেটা কোন প্রেম না। স্রষ্টার সাথে যে প্রেম সে প্রেম একতরফা হবে কেন।আজ আমরা জানবো স্রষ্টার সাথে সত্যিকার অর্থে হৃদয়ের অন্তস্থল হতে কিভাবে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি করা যায়।

আমরা জানি বিভিন্ন ধর্মমত অনুসারে আমরা একএক ধর্মের লোক স্রষ্টাকে একএক নামে ডাকি।কিন্তু প্রাকৃতপক্ষ্যে সবাই আমরা এক স্রষ্টার কাছেই আরাধনা করি।সে বিষয়ের উপরেই আজকের আলোচনা। এবার হতে আপনারা কেউ স্রষ্টার কাছে কোন প্রার্থনা জানিয়ে বা আরাধনা পেশ করে নিরাশ হবেন না। আজ থেকে প্রতিটি প্রার্থনা অবশ্যই কবুল হবে। স্রষ্টার সাথে আমাদের যে সম্পর্ক্য হবে সেটা হবে ভালোবাসার, শ্রদ্ধার, আত্বিক, খাদহীন, আর স্রষ্টাও তার সৃষ্টিকে অবশ্যই ভালোবাসবে এবং সে ভালোবাসাটা হবে নিগুড় ভালোবাসা। তো প্রথমেই আমাদের জানা উচিৎ কিভাবে আরাধনা করলে সৃষ্টি কর্তা কখনই আমাদের বিমুখ করবে না। এ জন্য আমদের কিছু সর্ত মানতে হবে।সর্তগুলো হচ্ছেঃ ধর্মমত অনুসারে আমরা জানি শরীর পাক, হৃদয় পাক, অন্তরের বিশ্বাষ অবশ্যই জরুরী। তবে এখানে আমি একটা কথা বলতে চাই, সেটি হচ্ছে শরীর পাক- এ বিষয়টি জরুরী নয়। কারন বান্দা যেকোন মুহুর্তেই স্রষ্টাকে ডাকতে পারে। আমার কোলের সন্তান যদি কাদা মাটি বা নোংরা কিছু শরিরে মেখে আমার দিকে ছুটে আসে তাহলে কি আমি তাকে কোলে নিবো না নাকি লাথি মেরে তাকে ফেলে দিবো? সেটা কখনই হয়না। এতএব স্রষ্টাকে আমি যখনই ডাকি যে অবস্থাতেই ডাকি না কেন তিনি আমার ডাকে সাড়া দিবেই। তবে এখানে কিছু শর্ত আছে, যা আমাদের মানতে হবে আমি যদি স্রষ্টার কথা মানি স্রষ্টাও আমার কথা মানবে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে সর্তগুলো কি ?
সর্তঃ-
>> প্রথম সর্ত হচ্ছে হারাম খাওয়া যাবে না-

বর্তমান সময়ে আমরা দেখি “সুদ আর ঘুষ” এই দুইটা জিনিস এমন এক পর্যায়ে চলে এসেছে। যা আমাদের চলমান জীবনের সঙ্গি হয়ে গেছে। বর্তমান সমাজে আমরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে এই জঘন্য গরহিত কাজটিকে হালাল করার চ্ষ্টো করি, কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে যেটা হারাম সেটা হারামেই। আমরা যদি টয়লেটের পায়খানা সুন্দর করে একটা প্লেটে সাজিয়ে তার উপর কেকের পেষ্ট লাগিয়ে কোন ব্যক্তির নিকট উপস্থাপন করি তাহলে কি সে টা কোন মান সম্মত খাবার হবে? ঠিক তেমনি ভাবে ধর্মের নামে ব্যাংক খুলে সেখানে হালাল টাকা রাখি আর আমরা সুদের পরিবর্তে নাম দিয়েছি মুয়াজ্জাল, মুরাবাহ, ইসতিসনা, মুদারাবা, মুশারাকা ইত্যাদি যার গভিরে দেখলেই বোধগম্য হয় উপরে এক ভিতরে এক। তা হালাল বলে চালিয়ে দেই। কিন্তু আমরা জানি সুদ সুদেই এটা খাওয়া ব্যবহার চলবে না।বর্তমান সময়ে একটা প্রথা বহুল প্রচলিত আছে সমিতি বা ইন্জিও। এগুলো থেকে আমরা টাকা নিয়ে থাকি বিনিময়ে আমাদের সুদ দিতে হয়।যেহুতু সব খানেই আমরা দেখেছি যে, সুদ দেওয়া বা সুদ খাওয়া দুটোয় সমান তাহলে এগুলো কখনই চলবে না।
পৃথিবীতে এমন কোন ধর্ম নেই যেখানে বলা আছে সুদ ও ঘুস খাওয়া বা দেওয়া যাবে। যেহুতু এটি একটি ধর্ম বিরোধী কাজ তাহলে অবশ্যই এ থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।

অনেক বড় একটি সমস্যা যৌতুক প্রথা, আমাদের দেশের আলেম, ওলামা, দাড়ি, টুপি ওয়ালারা প্রায়শই বলে থাকে যৌতুক নেয়া বা দেয়া যাবে না, কিন্তু কঠিন দুক্ষের বিষয় ব্যক্তিগত জীবনে যত আলেম ওলামা দাড়ি টুপি ওয়ালা দেখলাম কাউকে যৌতুক ছাড়া বিয়ে করতে দেখলাম না, তবে এর উল্টোটা মাঝে মাঝে চোখে পড়ে তা হলো যারা ধার্মিক না তারাই কিন্তু অনেকেই যৌতুক ছাড়াই বিয়ে করছে। অবশ্যই এখানেও ওই একটি বিষয় রয়েছে যেমন ধার্মিকরা যৌতুক নেয় না অনেকেই তাদেরকে আবার খুশি করে দিতে হয়। আমি বলবো সেই সকল মানুষদের যতদিন সেই মেয়ে আপনার বাড়ীতে থাকবে তার সন্তান সন্ততী আপনার ওয়ারিস হয়ে থাকবে ততদীন পর্যন্ত আপনার পরিবারের কাহারো কোনোদিন নেক মাকসুদ উপর ওয়ালার তরফ হতে পূর্ন হবে না, কারন আপনি একটি পাপের বৃক্ষ রোপন করেছেন, যা পাপে জারিয়া হয়ে আপনার রক্তে মিশে গেছে।

>> প্রানী ভক্ষন চলবে না-
এই বিষয়টিতে অনেকেই দ্বিমত পোষন করে থাকে কিন্তু একটু ভাবুন, পৃথিবীতে যতগুলো আমলে তাবিজাৎ আধ্যাতিক কিতাব রয়েছে সকল কিতাবের শুরুতেই এটি বলা রয়েছে যে কোনো ধরনের প্রানী হত্যা বা ভক্ষণ চলবে না। এখানে আমার ব্যক্তিগত একটি কথা হচ্ছে দেখুন সকল কিছু স্রষ্টাই যদি একজন হয়ে থাকে তবে কি করে একজন স্রষ্টা তার সৃষ্টি জগতের একটি অন্যটিকে ধ্বংস করবে সেটিতে সন্তুষ্ট হতে পারে??
>> লুঙ্গি বা ধুতি পরে প্রার্থনা কবুল হয়না-
এই কথাটির সাথেও সকলেই দ্বিমত পোষন করতে পারেন, কিন্তু বাস্তবিকতা এটাই যে স্রষ্টার নিকট যখন আপনি প্রার্থনা করবেন তখন এমন পোষাক পরিধান করে প্রার্থনা করুন যার নিচের দিক হতে গোপনাঙ্গ ঢাকা থাকে। কখনই লুঙ্গি বা ধুতি বা এমন কিছু পড়ে প্রার্থনা করবেন না।
>> আপনার প্রার্থনার বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ করা যাবে না-
আপনার সাথে স্রষ্টার সর্ম্পক্য ভালোবাসার সকল ক্ষেত্রেই দেখা যায় দুজনের স্থলে তিনজন হলেই সেখানে সমস্যা সৃষ্টি হয়, প্রেম আর প্রেম থাকে না, তেমনি আপনি স্রষ্টার সাথে কথপোকথনের সময় যদি বিষয়গুলো অন্য কাহারো সাথে শেয়ার করেন বা কেউ যেনে যায় তবে সেই প্রার্থনা কবুল হওয়ার সম্ভবনা থাকে না।
 
>> সকল সময় প্রার্থনা কালিন চেষ্টা করবেন একক ভাবে নির্জনে বসে স্রষ্টার নিকট মনের আহাজারি জানাতে, গোপনিয়তা খুবই প্রয়োজনিয়, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, পেগোডা ইত্যাদিতে গিয়ে সমিষ্টিগত প্রার্থনা করতে হলে সমিষ্টিগত স্বার্থের বিষয় প্রার্থনা করুন, কিন্তু নিজের একান্ত চাহিদা পূর্নের ক্ষেত্রে অবশ্যই নির্জনতা একাকিত্ব নির্বাচন করুন।
>> প্রার্থনার ক্ষেত্রে কখনই দ্বিতীয় অপশন রাখবেন না-
অর্থাৎ ধরুন আপনার ১ লক্ষ টাকার প্রয়োজন, আপনি হয়তো আপনার কোনো নিকট জনের নিকট চেয়েছেন, সে আপনাকে বলেছে দেখা যাক আমি চেষ্টা করছি, এমতা বস্থায় আপনি প্রার্থনাতে বসলে স্বভাবতই আপনার মনে আসবে, উপর আলা দিক না তো আমার সেই নিকটজন যেনো দেয়। এমন ক্ষেত্রে প্রার্থনা কবুলের সম্ভবনা থাকে না, যখন কিছু স্রষ্টার নিকট চাইবেন তখন যেনো আপনার অন্য কোনো অপসন খোলা না থাকে, এ জন্যই দেখা যায় ঠিক তখনি আমাদের অধিকাংশ প্রার্থনা কবুল হয় যখন আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যায়।
 
>> সর্বশেষ শর্ত হচ্ছে যখন স্রষ্টার নিকট কোনো কিছু চাইবেন তা অন্তরের অন্তস্থল হতে কেদে কেদে চাইবেন, স্রষ্টার নিকট আপনার অশ্রুর মূল্য অনেক, আপনাকে সে কখনই খালি হাতে ফিরাবে না।উপরক্ত শর্তগুলো মেনে আজই স্রষ্টার নিকট প্রার্থনা করুন দেখুন আপনার প্রার্থনা সাথে সাথেই কবুল হবে।

জ্বিন বা ভুত কি?

বিষয়টি মোটেও নতুন নয়। মানব জনমের পর হতে যখন থেকে উপলব্ধি করা শিখেছে হয়তো সে সময় হতেই অশরীরির সম্পর্কে আমরা জানতে পারি। বর্তমান সময়ে অনেকেই বিষয়টি কাল্পনিক বা অবিশ্বাষ করে। একটি প্রবাদ আমরা শুনেছি,
“কিছু মানুষকে সকল সময়ের জন্য, সকল মানুষকে কিছু সময়ের জন্য বোকা বানানো যায়, সকল মানুষকে সকল সময়ের জন্য বোকা বানানো যায় না”
অর্থ্যাৎ মিথ্যা কখনই স্থায়ী হয় না।  সুতারাং যে বিষয়টি সৃষ্টির সূচনা লগ্ন হতে আমাদের মাঝে প্রতিষ্ঠিত তা কখনই মিথ্যা বানোয়াট কাল্পনিক হতে পারে না। বিভিন্ন ধর্মে যাকে জ্বীন, ভূত, প্রেত ইত্যাদি নামে অবহিত করা হয়েছে। তাহলে আসলে সেটি কি? আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের জীবনী শুনলে প্রায় সকলেই জ্বিন সম্পর্কিত কোন না কোন ঘটনা জানতে পারবোই।  আজ তাহলে জানবো, আসলেই জ্বিন, ভূত বা প্রেত কি?
আধুনিক বিজ্ঞানে এটি প্রমানীত যে, পৃথিবীতে বিভিন্ন সময় এলিয়ানদের আগমন ঘটেছিল।বর্তমান সময়েও আমাদের মাঝে এলিয়ানদের বিচরন রয়েছে। এসম্পর্কিত হাজারও তথ্য আর্ন্তজালে আপনি পাবেন। পৃথিবীর মানুষ পঞ্চভূতে সৃষ্টি, বিধায় আমাদের সাধারন চোখ শুধুমাত্র পঞ্চভূতের সকল সৃষ্টিই দেখতে পায়।
যে সকল প্রানী বা প্রান পঞ্চভূতে সৃষ্ট নয় তা আমাদের চোখ দেখেনা। নভমন্ডলের হাজারো গ্রহে যে সকল প্রান পঞ্চভূতে সৃষ্ট নয় তাদের আমরা দেখতে পাইনা। এমন কি কিছু গ্রহ উপগ্রহ আছে যা আমাদের দৃষ্টি শক্তির বাইরে, আমাদের মাঝে বিচরনরত সেই সকল এলিয়ানদেরও আমরা দেখতে পাইনা। কিছু কিছু এলিয়ানের প্রযুক্তিগত উৎকর্সের কারনে তারা কখনো কখনো সাময়িকভাবে আমাদের মাঝে দেখা দেয়। যেমন আমরা শুনি কিছু কিছু মানুষ অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা অর্জন করে। আজ হতে কিছুদিন পর হয়তো আমাদের প্রযুক্তিও মানুষ বা যেকোন জিনিসকে অদৃশ্য করতে পারবে, এটিও প্রমান হবে আমাদের মাঝে বিচরনরত জ্বীন, ভূত বা প্রেত  আসলে আর কেউ নয় অতি বুদ্ধিমান প্রানী এই এলিয়ান। সে সময় আমাদের ধর্মীয় পন্ডিতরা এটাই বলবে যে, আমরা পূর্বেইতো বলেছিলাম স্রষ্টা দুটা জাতিই সৃষ্টি করেছে তার দাষত্বের জন্য। সুতারাং আজ আমরা জানলাম আমাদের মাঝে জ্বীন, ভূত বা প্রেত বর্তমান তবে তারা আর কেউ নয় তারাই এলিয়ান বা ভিন গ্রহের প্রানী। কেন তারা এই গ্রহে অবস্থান করছে কি তাদের উদ্দেশ্য কিভাবে তারা এসেছে? এ সম্পর্কিত আরোও অনেক প্রশ্নের উত্তর
আমাদের পরবর্তী আলোচনায় করার অভিপ্রায় রইলো

মানুষ্ব আত্না বিভিন্ন প্রানীতে রুপান্তর সম্পর্কে

মানুষ্ব আত্না নিয়ে হয়তোবা আপনারা ইতেমধ্যেই অনলাইন মিডিয়া, বই পূস্তুক ও বিভিন্ন জ্ঞানী ব্যক্তির নিকট হতে বিভিন্ন মতবাদ, ব্যাখ্যা ও কারন শুনেছেন। আজকে আমি আপনাদের কাছে এই আত্না বিষয়ে অতিগুরুত্বপূর্ন বাস্তব এবং আধ্যাতিক বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করবো। আপনারা  পোষ্টটির শেষ পর্যন্ত পড়বেন। আর নিয়মিত আমাদের সাথেই থাকবেন, কারন আমরা আপনাদের জন্য আরও গভীর ও জ্ঞানগর্ভ বিষয় যেমনঃ আত্না, মৃত্যু, মৃত্যুপরবর্তী জীবন, আত্নার বিভিন্ন রুপ ও তার কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা আপনারা ইতি পূর্বে কোন বইপুস্তুক বা অনলাইন মিডিয়ায় দেখেননি ও শুনেননি। পোষ্টটির কোন বিষয় যদি আপনার কাছে অতি রন্জিত বা অসামঞ্জস্যপুন্য মনে হয় কিংবা আপনার বাস্তবিক চলমান জিবনের নিরিক্ষে তা মিলে যায় তবে অবশ্যই পোষ্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। চলুন তাহলে অতিপ্রাকৃত জ্ঞানের সাগরে কিছুক্ষন ঘুরে আসি।
আজকের বিষয় হলোঃ- ”মানুষ্ব আত্না বিভিন্ন প্রানীতে রুপান্তর সম্পর্কে”
আপনি একটু বোঝার চেষ্টা করুন, আজ থেকে কিছুকাল পূর্বেও এই পৃথিবীতে হয়তো কিছুই ছিলো না, ছিলো না আপনার পূর্বপুরুষ বা আপনি। ছিলোনা আপনার কোন পরিচয়।ধরুন এক হাজার বছর পূর্বে পৃথিবীতে মানুষ ছিলো ১০ কোটি আর পশু পাখি ছিলো ১ হাজার কোটি। এখন দেখুন পৃথিবীতে মানুষ ৭শ কোটি আর পশুপাখির অবস্থান কোথায়। সংখ্যামূলক ভাবে প্রানীর প্রান ঠিকই আছে শুধু পরিবর্তন হয়েছে জাতের বা ডিজাইনের। পদার্থ বিদ্যার সজ্ঞানুসারে শক্তির কোন ক্ষয় বা ধ্বংস নেই, শক্তি এক রুপ হতে অন্য রুপে পরিবর্তন বা বহু রুপে বিভাজন হতে পারে। আপনি যে স্থানে বসবাস করিতেছেন ঠিক সেই স্থানে ১শ বছর পূর্বে হয়তো বা বন জঙ্গল বা অন্য কিছুর বসবাস ছিলো, মনে করেন সেই বনে ১ হাজার পশুপাখি ছিলো কিন্তু মানুষ ছিলো গুটি কয়েক। কিন্তু আজ সেখানে দেখুন আপনাদের সংখ্যা কত, আর পশুপাখির সংখ্যা কত? বাস্তবিকে যা ঘটছে, তা হলো প্রানের সংখ্যা স্থীর রেখে, প্রানী বিভাজন হচ্ছে। একদিকে যেমন বাড়ছে মানুষ অন্যদিকে বিভিন্ন পশুপাখির সংখ্যা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। আপনি যদি বিজ্ঞানকে বিস্বাস করেন তাহলে দেখা যাবে যে, পশুপাখির মৃত্যুর হার বৃদ্ধিতে মানুষের জন্ম বাড়ছে। এবার তাহলে আসল সত্যটির পর্দা সম্পূর্ন উঠানো যাাক। ধরুন আপনার বাড়ির একটি পোষা বিড়াল মারা গেলো বা আপনার এলাকার জঙ্গলের একটি শৃগাল মারা গেলো, এখানে এটাই কি শেষ? তা কিন্তু নয়, সেই বিড়াল বা শৃগাল মুক্ত প্রান (আত্না) টি এক মুহূর্তের জন্যেও শূন্যাবস্থায় থাকবেনা সঙ্গে সঙ্গেই সে অন্য কোন প্রানীর ভ্রনে প্রতিস্থাপিত হয়ে যায়। হতে পারে এটি কোন স্রষ্টার নিয়ম তান্ত্রিক  শৃঙ্খল বা প্রকৃতির অমঘ চিরায়িত নিয়ম। এমনি ভাবে একজন মানুষ্ব প্রান (আত্না) যখন তার নশ্বর দেহ ত্যাগ করে খুব কম সময়ই তা পুনরায় মানুষ্ব ভ্রনে স্থাপন হয়, নিয়মানুসারে তা অন্য কোনো প্রানীতে প্রতিস্থাপিত হয়। বিভিন্ন ধর্ম মতানুসারে, যাকে আমরা কর্ম ফল ভোগের অধ্যায় বলে থাকি। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, সৌরমন্ডলের এই গ্রহে যতটুকু শক্তি, প্রান আদিতে ছিলো বর্তমানে এবং অদুর ভবিষ্যতেও তাই থাকবে আমাদের পরবর্তী পোষ্টে এ সম্পর্কিত আরো অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর আমরা দিবো।

আমাদের আজকের বিষয়টি অত্যান্ত গরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা হাজার বছরের পূরনো ও বর্তমান সময়ের অধিক আলোচিত ও সমালোচিত সেই সাথে ব্যপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুও বটে। । যেখানে বিজ্ঞান, বিভিন্ন ধর্মিয় গুরুগণ বিভিন্ন মত ও নিত্য নতুন থিউরি উপস্থাপন করেছেন, যা কোনোটি’ই সকলের নিকট সমাদৃত নয়। বিধায় এ বিষয় মতপার্থক্য রয়েই গেছে আমাদের মাঝে। যাই হোক আজ আমাদের সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর হতে সম্পূর্ণরুপে পর্দা সারাতে আমাদের গুরু সুফি সাধক আফতাব বাবার বানী আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।

 “আমরা মানব জাতি কোথা হতে এসেছি”

বিভিন্ন ধর্মের মতানুসারে মানুষ ইভ আদম বা আদম হাওয়া বা মনু হতে পৃথিবীর বুকে আগমন ঘটে ! অর্থ্যাৎ দুইজন মানুষ হতেই বিশ্বচরাচরে সমস্ত মানবের সৃষ্টি। বিজ্ঞানের মতে মানুষ বিবর্তনের মাধ্যমে হাজার বছর পূর্বে পৃথিবীর মুখ দেখেছে। কিন্তু আপনি যে মতটি’ই গ্রহন করুন না কেনো আপনার মতের সাথে কি আপনার মন সর্ম্পূন সেটিসফাইড ?? এবার একটু ভিতরে প্রবেশ করুন- আমেরিকা, আফ্রিকা, চায়না, কোরিয়া আরব ইত্যাদি দেশের মানুষগুলোর দিকে একটু চোখ বন্ধ করে অবলোকন করুন, কেউ কালো কেউ সাদা কেউ খাটো কেউ লম্বা আবার আমাদের এশিয়া মহাদেশের মানুষের মাঝে কোনো নির্দিষ্ট ধরন বা গড়ন’ই নেই, মিশ্র কি কারনে এমন? কেনো এখনো এ্যমাজান, আফ্রিকা জঙ্গলের মত ঘহিন অরন্য বা বিভিন্ন দিপপূঞ্চে এখনো অনাবিষ্কৃত মানুষ নিত্য নতুন ভাবে আবিষ্কৃত হয়েই চলেছে, যাদের নিকট এখন অব্দি আধুনিকতার র্স্পশ্য পৌছাঁয়নি। কেনো ?
বাবা বলেন মানুষ পৃথিবীর কোনো প্রানী’ই নয়, আমাদের আদি ভুমি হাওয়ায়েন নামক গ্রহ, সেখানে তাদের প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বর্তমান বিজ্ঞানের চাইতে ১ হাজার গুন উন্নত ও সমৃদ্ধ। কয়েক হাজার বছর পূর্বে তারা এই পৃথিবী নামক গ্রহ আবিষ্কার করে, এবং এখানে প্রানের বিচরন ও উন্নয়ন সম্ভব কি না সেটি পর্যবেক্ষণের জন্য মানুষ নামক দাষকে কয়েক জোড়া করে পৃথিবী পৃষ্ঠে ছেড়ে যায়, এবং কোনো এক স্থানে নয়, এক জোড়া নয়, গোটা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে আমাদের জোড়ায় জোড়ায় ছেড়ে যায়। যা পরবর্তীতে প্রজনন প্রকৃয়ার মাধ্যমে ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পায়, তবে যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ কিছুটা অনুকুল সে সকল স্থানে এই মানুষ প্রানীর অস্বাভাবিক ভাবে বিস্তার লাভ করে কিন্তু যে সকল স্থানে প্রাকৃতিক পরিবেশ বন্ধুর সে সকল স্থানে জন্ম মৃত্যু প্রায় সমমানের। আমাদের এই পৃথিবীতে ছাড়ার কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত আমাদের সকল বিষয় তদারকি করার জন্য তারা এই গ্রহে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করতো কিন্তু সময়ের পরিক্রমে এবং সৌর মন্ডলের ক্রমবর্ধমান গতির কারনে আমাদের মাতৃগ্রহ আমাদের এই গ্রহের সঙ্গে যোগাযোগ হীন হয়ে পরে। কিন্তু সব থেকে মজার বিষয় হচ্ছে আবারও আমরা আমাদের সেই মাতৃগ্রহের সাথে যোগাযোগ করতে বা আমাদের প্রভুদের সাক্ষাত পাবো কিন্তু তাদের দেখতে পাবো না। এর পিছনে অনেকগুলো বিষয় রয়েছে, যা পরবর্তী আলোচনার উপস্থাপন করা হবে।

কুকুরের মহত্ত্ব ও অবদান

পশ্চিমা দেশগুলোতে যদিও কুকুর অনেক সখের পোষা প্রানী তবে অনেক দেশেই কুকুর ঘৃনিত প্রানী হিসেবে মনে করা হয়, তবে আমরা সকলেই জানি কুকুরের মত প্রভু ভক্ত অন্য কোনো প্রানী বা মানুষ হতে পারে না। কুকুর এমন একটি প্রানী যাকে ১দিন খাবার দিয়ে ১০ দিন খাবার না দিলেও আমাদের সাথে বিশ্বাষ ঘাতকতা করবে না, কিন্তু আমরা মানব যদি ১০ দিন একজনকে খাবার দেই আর ১দিন খাবার না দেই তবে সে আমাদের পিছু ছেরে চলে যাবে।  আমাদের এশিয়া মহাদেশে ধর্মীয় নৈতিকতার কারনে অনেকে কুকুর বাড়ীতে না পুষলেও অধিকাংশ মানুষের বাড়ীতেই কুকুর থাকে। তবে শহরে কুকুর ছিন্নমুল রাস্তার প্রানী হিসেবেই দেখা যায়। কোরিয়ার মত কিছু কিছু দেশে কুকুরের মাংস খাওয়া হয় বলেও আমরা শুনেছি। তবে আজকের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে কুকুরের অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন একটি আচরন বিধি নিয়ে, আমরা অনেকেই জানি আবার অনেকেই এই বিষয়টি হয়তো জানি না, আমাদের আসে পাসে ঘুরে বেরানো কুকুরের বিভিন্ন আচরনে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক কাজের পূর্বাভাষ আমরা এই কুকুরের নকট হতেই পেয়ে থাকি। আমাদের পূর্বপুরুষগণ এই বিষয়গুলোর অনেক কিছুই হয়তো জানতো মানতো কিন্তু সকল কিছুই অনেকেই জানতো বলে মনে হয় না। আমরা আজ স্রষ্টা আমাদের ভবিষ্যৎ বানী প্রেরনের জন্য যে প্রানীটিকে সৃষ্টি করে আমাদের মাঝে পাঠিয়েছেন সেই প্রানীর কিছু আচরন বিধি সর্ম্পক্যে জানবো।

 কুকুরের ভবিষ্যৎ বানী

  •  কোন কাজের সিদ্ধান্তের পরে যদি কুকুর ডান পা দিয়ে শরিরে ডান অংশ চুলকায় তবে এর ফল অত্যান্ত শুভ হয়। যদি কুকুর এর বিপরীত কাজটি করে তবে তা অশুভ হয়।
  • যদি কুকুর ডান পা তুলে কোন মাটির বাসনে বা হাড়িপাতিলের উপর পেশাব করে তাহলে ঐ বাড়িতে শিঘ্রই কারো বিবাহ হবে। এবং সেই দম্পতি অনেক সুখি হবে সেই সাথে তাদের শুসন্তান জন্মগ্রহন করবে।
  • কোন কনের বাড়িতে বিয়ের আলোচনা করা কালীন কনে দেখতে গিয়ে যদি কুকুর শরীরের বাম অংশ ঝাড়তে ঝাড়তে ঐ বাড়িতে ঢুকে তবে ঐ কনের সাথে বিয়ে করা উচিৎ হবে না। কারন কনের দুশ্চরিত্রের কারনে পরিবারে অনেক অশান্তি হবে।
  • যদি কুকুর ডান চোখ খুলে নাভি চাটে এরং বাড়ির ছাদে বা উচু স্থানে গিয়ে শুয়ে পড়ে তবে অল্প সময়ের মধ্যেই বৃষ্টি আসবে।
  • বর্ষা ঋতুতে কুকুর যদি বর্ষার পানিতে চক্কর দেয় তবে তিব্র বৃষ্টি হবার সম্ভনা আছে। কিন্তু যদি কুকুর তার শরীরের পানি গা ঝেড়ে ফেলে দেয় তবে অন্য কোথাও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা আছে।
  • উচু স্থানে উঠে সূর্যের দিকে মুখ করে কুকুর ডাকলে কঠিন বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা।
  • যে কোনো কাজের বা সিদ্ধান্ত মুলক কাজের সময় কুকুর যদি শরীরের ডান অংশ চাটে তা শুভকর হয়।
  • কোন ব্যক্তির দুঃসময়ে ভাবনার মূহুর্তে কুকুর সামনে পায়খানা করে দিলে তার খারাপ সময় চলে যায়। ঠিক এমনি ভাবে শুসময়ে যদি এই ঘটনা ঘটে তাহলে তার শুসময় চলে যায়।
  • কুকুর যদি গর্ভবতী নারীর ডান দিকে কোন ভালো স্থানে এসে পেশাব করে তবে পুত্র সন্তান, যদি বাম দিকে এসে পেসাব করে তবে কন্যা সন্তান জন্মাবে।
  • কুকুর যদি ব্যবসায়ী লোকের ডান দিকে গিয়ে, ডান পা দিয়ে শরীর ডান অংশ চুলকায় তবে ব্যবসায়ীর ধন লাভ হয়।
  • চাকুরী বা ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার সময় যদি কুকুর ডান দিকে খুশিতে খেলতে থাকে বা চেয়ার, বিছানা, কাপড়, ছাতা ইত্যাদি কোন  কিছুর উপর পেশাব করে তবে অবশ্যই চাকুরী মিলবে।
  • কোথাও যাওয়ার সময় বসে থাকা কুকুর যদি ঘাড় তুলে ওই ব্যক্তির দিকে তাকায় তবে তা শুভ, কিন্তু যদি মাথা দুলিয়ে কান নাড়তে নাড়তে চলে যায় তবে তা অশুভ।
  • যাত্রা পথে কুকুর যদি কোনো প্রানীর শুকনো হাড় মুখে নিয়ে আসে বা অযথা কুকুর ডেকে উঠে তবে তা অশুভ, যদি তাজা কোন প্রানীর রক্ত মাখা হাড় মুখে নিয়ে সামনে আসে, তবে তা শুভ হয়।
  • কান বা লেজ কাটা দূর্বল কুকুর যাত্রা পথে যদি সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় বারবার ফিরে তাকায় তবে তা অত্যান্ত অশুভ।
  • যদি কুকুর পানিতে গোসল করে শরীর ঝেড়ে ফেলে তবে কোন দূর্ঘটনা ঘটবে।
  • যদি অনেক গুলো কুকুর এক সঙ্গে সূর্যের দিকে তাকিয়ে ডাকে বা মাথা দোলায় বা কান্না করে বা বমি করে তবে ঐ স্থানে কঠিন বিপদ আসবে।
  • কুকুর যদি দরজায় আচর কাটে বা দরজায় এসে বসে তবে কোন মেহমান আসবে
  • কুকুর দৌড়ে এসে কোন খামবা বা পিলারের সাথে গা ঘসে বা চুলার উপরে উঠে তবে অবশ্যই কোন প্রিয়জন বাড়িতে আসবে।
  • জ্ঞানী গুনিদের মতে কোথাও যদি কুকুর মাটিতে নিজ মাথা ঘসাঘসি করে তবে সেখানে গুপ্তধন পোতা রয়েছে।
  • কোন পরিষ্কার পরিছন্ন স্থানে বা ধোয়া মোছা স্থানে কুকুর যদি রতিক্রিয়া করে তবে প্রচুর ধন প্রাপ্তি হয়। এর বিপরিত যদি ঐ স্থানে কুকুর খাল খুড়ে তবে দরিদ্রতার সূচনা।
  • অসুস্থ্য ব্যক্তির হাতের উল্ট পিঠ কুকুরে চাটলে তার মৃত্যু নিশ্চিত ।
  • কুকুর যদি মুখে করে জুতা নিয়ে সামনে এসে দাড়ায় তবে নিশ্চিত অর্থভাগ্য